SCORE

Breaking News

ইনজুরি নিয়ে আফসোস নেই, তৃপ্তি আছে

Share Button

ইনজুরি নিয়ে আফসোস নয়, তৃপ্তি আছে

 

একবার নয়, দুইবার নয়, তিনি সাত-সাতবার চিকিৎসকের ছুরি কাঁচির নিচে গেছেন। এ রেকর্ড তাকে বানিয়ে দিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ইনজুরিপ্রবণ ক্রীড়াবিদদের একজন।

Also Read - ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের তদন্ত করবে শ্রীলংকা

কিন্তু অন্যদের সাথে বাংলাদেশের ৫০-ওভার ফরম্যাটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার একটি ছোট্ট পার্থক্য আছে। আর তা হলো, তিনি ইনজুরির কাছে হার মেনে নেননি। বরং খেলাটিকে ভালোবেসে, তারচেয়েও বেশি দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে, এখনো খেলে চলেছেন প্রবল প্রতাপে।

তাই মাশরাফিকে নিছক কোন ক্রিকেটার ভাবলে ভুল হবে। অনেক বড় ভুল হবে। কারণ তিনি যে স্রেফ ক্রিকেটার নন। তিনি একজন যোদ্ধা, তিনি একটি দেশের আলোর মশাল হাতে এগিয়ে চলা কান্ডারি।

কিন্তু তারপরও, এ কথা স্বীকার না করে উপায় নেই যে বারবার ইনজুরির অহেতুক হানার কবলে পড়তে না হলে, মাশরাফির ক্যারিয়ার আরও লম্বা হতে পারত। তার নামের পাশের নম্বরগুলো আরও অনেক বেশি আলো ঝলমলে হতে পারত। এ নিয়ে কি মাশরাফির হৃদয়ের গহীন কোণে কোন আফসোস, বা হাহাকার আছে?

মোটেই না, মাশরাফির জীবনদর্শন যে সাধারণের থেকে একেবারেই আলাদা। তাই তিনি আফসোসের কথা শুনে এক গাল হেসে দিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, একসময় আফসোস হতো। কিন্তু এখন আমি অনুভব করি ইনহুরিগুলো আমার জন্য অনেক বড় একটা শিক্ষা হয়ে এসেছিল। ইনজুরি থেকে ফেরা খুব একটা সহজ কাজ নয়। কিন্তু যতবার আমি ইনজুরি থেকে ফিরেছি, আমি আগের চেয়ে বেশি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি নিজের উপস্থিতির জানান দিতে।’

আর তাই তো, ২০-ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও মাশরাফি এখনো বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। পাশাপাশি তিনি ২০০৯ সালের পর থেকে টেস্ট ক্রিকেট না খেললে কি হয়েছে, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফরম্যাটের ক্রিকেটকে বিদায় জানাননি।

 

– জান্নাতুল নাঈম পিয়াল, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম ডট কম

Related Articles

সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিলো টাইগাররা

হাথুরুর বিদায়ে খারাপ লাগছে নান্নুর

‘আরেকটু ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ভেবেছিলাম’

নীরবেই দেশে ফিরল টাইগাররা

‘হাথুরুসিংহেকে ক্ষমতা দেওয়াই বুমেরাং হচ্ছে’