ক্রিকেটারদের মজা করার সুযোগ দেবেন শাস্ত্রী!

0

শিরোনামটি হাস্যকর হিসেবে ঠেকলেও ভারতের ক্রিকেটে আমোদই এখন হয়ে পড়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়! বিশেষ করে কিংবদন্তী ক্রিকেটার অনুল কুম্বলে দলটির কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর কোচ-খেলোয়াড় দ্বন্দ্বের জের ধরে মূল্যবান হয়ে উঠেছে ক্রিকেটারদের আমোদ করার বিষয়টি, কেননা কুম্বলের কঠোরতাই তাকে চক্ষুশূল করেছে কোহলিদের কাছে।

দলের দায়িত্ব নিয়েই তাই নতুন কোচ রবি শাস্ত্রী জানিয়েছেন, দলকে আমোদ করার তথা মজা-আনন্দ করার সুযোগ দেবেন তিনি।

Also Read - মিতালীকে শচীনের সাথে তুলনা করতে মানা করলেন গাভাস্কার

সম্প্রতি ভারতের সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে শাস্ত্রী আরও বলেন, ‘টিমের জন্য প্রচুর খেটেছিলাম। ওভাবে সরতে হলে আঘাত তো লাগেই। তাড়াহুড়ো করে প্ল্যানিং হয় নাকি? আগে দেশে ফিরে বোর্ডের সঙ্গে বসি। টিমের সঙ্গে বসি। তারপর না হয় যা করার করব। বিরাটের সাথে একবার কথা হয়েছে। তবে সেটা খুব সামান্য কথাবার্তা। শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে বিস্তারিতভাবে কথা বলব। আমি খুব উত্তেজিত এই পুনর্মিলনটা নিয়ে। এখনও আমার উত্তেজনা কমছে না। মনে হয় শ্রীলঙ্কা যাওয়া পর্যন্ত এ রকমই থাকবে। উনিশ মাস এই দলটার সঙ্গে থাকার সময় দুর্দান্ত সব অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেগুলো মনে পড়লে আরও ভালো লাগছে যে, ওদের সকলের সঙ্গে আবার দেখা হবে। আমি সবসময় চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি।’

চ্যালেঞ্জের জন্য সবসময় তৈরি থাকেন জানিয়ে ভারতের নবনিযুক্ত কোচ জানান, ‘আমি চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি থাকি সবসময়। এবারও (শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ) তৈরি। গতবারের ভালো স্মৃতি আছে। বাইশ বছর পর শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ জিতেছিলাম আমরা। কিন্তু নতুন প্ল্যানিং দরকার। শ্রীলঙ্কা নিজেদের দেশে ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ হতে পারে। ওদের হালকাভাবে নেয়া যাবে না। কাউকেই হালকাভাবে নেব না।

দলের অবস্থা জানেন বলেই হয়ত কখন কেমন আচরণ করা প্রয়োজন তার আভাস দিয়েছেন শাস্ত্রী, ‘আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু করার দরকার আছে। ড্রেসিংরুমের সংহতি ঠিকই থাকবে। শুনুন, এই ছেলেদের সঙ্গে আমি আঠারো-উনিশ মাস (২০১৪ অগস্ট থেকে ২০১৬ এপ্রিল) থেকেছি। ওরা নিজেরাও জানে দলগত সংহতি একটা বড় ফ্যাক্টর। আমার মনে করিয়ে দেয়ার দরকার নেই।’

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম