জঞ্জালমুক্ত হচ্ছে ‘হোম অফ ক্রিকেট’

0

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে ওঠে এদেশের ক্রিকেটের প্রাণ। যার উদাহরণস্বরূপ রাজধানীতে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন ভেন্যুটিকে ডাকা হয় বাংলাদেশের ‘হোম অফ ক্রিকেট’ নামে।

যদিও প্রতিষ্ঠার পর এই স্টেডিয়ামটিকে কেন্দ্র করেও শুরু হয় বাণিজ্য। স্টেডিয়ামের চারপাশে তৈরি করা হয় অনেকগুলো দোকানঘর, চাহিদার কথা মাথায় রেখে ওঠে এর চড়া মূল্যও। যদিও অনেকের মতে, স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যহানীর পেছনে অন্যতম দায়ভার এইসব দোকানের।

Also Read - দক্ষিণ আফ্রিকার লিগকে 'না' বললেন তামিম

তবে সম্প্রতি শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের চারপাশের দোকানগুলো সরানোর আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়া সচিব মো. আসাদুল হক। মঙ্গলবার তিনি বিসিবি প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করতে বিসিবি অফিসে এলে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তাকে অনুরোধ করেন দোকানগুলো সরানোর। আর এতে আশ্বাস প্রদান করে ক্রীড়া সচিব বলেন,অনেক কিছু নিয়েই বোর্ড প্রধানের সাথে আলোচনা হয়। এর ভেতর তিনি দোকানগুলো সরানোর জন্য জোর দাবি জানান। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম। এই দিকে আমাদের আরো বেশি নজর দেয়া দরকার। বিশ্বের কোন আন্তর্জাতিক মাঠে এত দোকান থাকেনা। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি।

দেশের প্রায় সবকটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনস্থ। ফলে বিসিবি চাইলেই কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারছে না। ক্রীড়া সচিবকে এই ব্যাপারটিও অবহিত করেছে দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মো. আসাদুল হক বলেন, এই সমস্যা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে নিলাম। এসব ব্যাপারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাথে আলোচনায় বসবো। এরপর বিসিবির সাথে আবারো কথা বলে দেখবো কিভাবে সমাধান করা যায়।

‘হোম অফ ক্রিকেট’-এর চারপাশে বাণিজ্যভিত্তিক দোকানগুলোর গড়ে ওঠা বিশ্বের অন্যান্য দেশের স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে বিরল ঘটনা। দোকানের কারণে সাধারণ মানুষেরও অবাধ বিচরণে পরিণত হয় গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়াম এলাকাটি, যা ভিনদেশের কাছে সুযোগ করে দেয় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নেরও।

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম