পরিপূরক হবেন মুস্তাফিজ ও তাসকিন

0

দেশসেরা পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা টেস্ট ও টি-২০ থেকে অবসর নেওয়ায় ঐ দুই ফরম্যাটে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ এখন বড় এক দুশ্চিন্তার নাম। বিশেষ করে নতুনদের কেউই ধারাবাহিক না হওয়ায় পেস আক্রমণে অনভিজ্ঞতা থাকছেই।

তবে বাংলাদেশ দলের বর্তমান বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ মনে করছেন, দুই তরুণ তুর্কী মুস্তাফিজুর রহমান তাসকিন আহমেদ মিলে দলে রাখতে পারেন অনবদ্য ভূমিকা। একইসাথে একে হয়ে উঠতে পারেন অন্যের পরিপূরক।

Also Read - চম্পকাকে ওয়ালশের 'স্বাগতম'

তিনি বলেন, ‘ফাস্ট বোলাররা জোড়ায় জোড়ায় অনুসন্ধান চালায়, তথ্য সরবরাহ করে এবং যোগাযোগ করে। আমার মনে হয় আমরা আমাদের মাঝে এমন আটজনকে পেয়েছি। ফিজ এবং তাসকিন একজন আরেকজনের পরিপূরক হয়ে উঠতে পারে। একজন ফস্ত বোলারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- সে বল করতে পছন্দ করে এবং তার সাথীকে সাহায্য করতেও।’

এদিকে প্রস্তুতি ক্যাম্পে মুস্তাফিজের দুর্বলতাগুলো শুধরে দিয়ে নতুনরূপে ফেরানোর চেষ্টা করছেন ওয়ালশ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি খেয়াল করেছিলাম, ইংল্যান্ডে সে একটু দূরে সরে যাচ্ছিল। আমরা চেষ্টা করছি আরও খাড়া ও সোজাসুজি রাখার এবং ব্যালান্সড রাখার। চেষ্টা চলছে ওকে স্টাম্পের আরও কাছাকাছি আনার ও গতিটা আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়ার।’

তবে ফিজের বোলিং অ্যাকশনে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে না, নিশ্চিত করেছেন সেটিও, ‘এমন নয় যে নতুন বোলিং অ্যাকশনে দেখা যাবে তাকে। স্রেফ তাকে ক্রিজে আরও ব্যালান্সড করার চেষ্টা চলছে আর স্টাম্পের কাছ থেকে বোলিং করানো। আমি ওর বোলিং অ্যাকশন বদলাবো না, যতক্ষণ না মনে করছি বদলানো দরকার। অস্ত্রোপচারের কারণে একটু দূরে সরে যাচ্ছিলো। সে নিজেও সেটি বুঝতে পেরেছে। গত দুদিনে আগের চেয়ে বেশি স্টাম্প ঘেষে বোলিং করেছে। সে ঠিক পথেই আছে। বড় কোনো পরিবর্তন হবে না।’   

এসময় অনুশীলনে মুস্তাফিজের একাগ্রতার প্রশংসা করেন ওয়ালশ। তিনি বলেন, ‘সে নিজেও জানে কী করতে হবে। ওকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। কারণ মাঠে গিয়ে অনুশীলন নিখুঁত ভাবে করতে সে মুখিয়ে থাকে। সে বিশেষ এক প্রতিভা। হতে চায় সবার সেরা।’

একইসাথে তাসকিনের প্রশংসাও ঝরেছে সাবেক এই কিংবদন্তী ক্রিকেটারের কণ্ঠে। যদিও তাসকিনের কাছে আরও দ্রুতগতি চান তিনি। ওয়ালশ বলেন, ‘আমরা চাই সে ঝড়ো গতিতে বল করুক, কারণ তার গতি আছে এবং সে এটা কাজেও লাগাতে পারে। তাকে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, এবং গতিকে কাজে লাগানোর জন্য তাকে সঠিক জায়গায় বল ফেলতে হবে।’

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম