এখনও জয়ের স্বপ্ন দেখছেন তামিম

0

HAT1183

গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় দিনে দ্বিতীয় সেশনে ইংল্যান্ডরা এগিয়ে থাকলেও দিনের শেষ সেশনে বদলে যায় সবকিছু। ইংল্যান্ডের মত একই রূপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে। প্রথম দুই দিন ব্যাটে-বলে এগিয়ে থাকলেও তৃতীয় দিনে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

দুর্ভাগ্যবশত ৪১ রান করা মুশফিকের রান আউটে বদলে যায় বাংলাদেশের ব্যাটিং চিত্র। অধিনায়কের বিদায়ের পর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে টাইগারদের। বাংলাদেশের দ্রুত উইকেট পতনে অস্ট্রেলিয়াদের টার্গেট দাঁড়ায় ২৬৫। তবে টার্গেটটা আরেকটু বেশি হতে পারত বলে জানান দুই ইনিংসে অর্ধশতক হাঁকানো তামিম ইকবাল।

Also Read - বাংলাদেশ সফর থেকে ছিটকে গেলেন হ্যাজলউড

দলের ড্যাশিং ওপেনার বলেন, “আমাদের রান আরেকুট বেশি হওয়া দরকার ছিল। মুশফিক-সাব্বির যেভাবে ব্যাট করছিল তারা যদি আরও কিছু সময় থাকতে পারতো তাহলে রান বেশি হতো। ৩০০’র বেশি রান হলে আমরা ভালো জায়গায় থাকতাম।”

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য গলার কাটা হয়ে দাঁড়ান অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ এবং সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। তবে প্রথম স্লিপে ওয়ার্নারের ক্যাচ মিস করাতে নতুন প্রাণ পান ওয়ার্নার। ফলে সেটিকে অর্ধশতকে রূপান্তরিত করেন অজি ওপেনার।

তামিমের মতে স্লিপে এই ধরনের ক্যাচ ধরাটা একটু কঠিন কাজ হলেও, ওয়ার্নারের ক্যাচটি সৌম্য লুফে নিতে পারলে বর্তমানে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে থাকতো জানান তামিম।

“দুই উইকেট নেয়ার পর আমাদের আলগা বল হয়েছে। জায়গা মতো বল করতে পারলে আমরা আরও ভালো জায়গায় থাকতাম। আমাদের দ্রুত উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সৌম্য যে পজিশনে ফিল্ডিং করছিল ওখানে দ্রুত ক্যাচ যায়। ওখানে ক্যাচ ধরা একটু কঠিন। অবশ্য, ক্যাচটি ধরতে পারলে আমরা ভালা অবস্থানে থাকতাম”

ম্যাচ জিততে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন আরো ১৫৬ রান এবং বাংলাদেশের প্রয়োজন আরো ৮টি উইকেট। তাই বরং বলা চলে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এতো তাড়াতাড়ি ম্যাচের হাল ছাড়ছেন না তামিম। স্বপ্ন দেখছেন জয়ের। সাথে মনে করিয়ে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের কথাও।

“আগামীকাল আমরা যদি শুরুতে এই জুটি ভাঙতে পারি তাহলে ম্যাচ আমাদের পক্ষে চলে আসতে পারে। আমাদের টাইট বল করতে হেবে। সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরো যোগ করেন, “এই উইকেটে আপনি আগে থেকে কিছু বলতে পারেন না। যদি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটির কথা মনে করেন তাহলে দেখবেন তাদের প্রথম উইকেট পড়েছিল দলীয় ১০০ রানে। তারপরও আমরা ম্যাচটি জিতেছিলাম।”