তামিমকে শিখিয়েছিল ২০১২ এশিয়া কাপ

Share Button

২০১২ এশিয়া কাপের পূর্বের কয়েকটি দিন, রীতিমতো টালমাটাল এদেশের ক্রিকেট অঙ্গন। দীর্ঘদিন ধরে দলের প্রাণভ্রমরা হয়ে থাকা ওপেনার তামিম ইকবাল বাদ পড়ে গেলেন এশিয়া কাপের দল থেকে। স্বভাবতই এটি হয়ে উঠল ‘টক অব দ্যা টাউন’। তামিমের জীবনে এর চেয়ে বাজে সময় আর আসেনি। পরীক্ষিত ও প্রতিভাবান সতীর্থকে দলে ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠলেন জাতীয় দলের অন্যান্য সদস্যরাও। তৎকালীন বোর্ড সভাপতি ও পরবর্তীতে আইসিসি সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া লোটাস কামালকে অনেক অনুরোধ করে শেষমেশ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল তামিমের নাম। বাকি কাহিনিটুকু সবারই জানা। টানা চার ম্যাচে ফিফটি করে ঐ আসরে বাংলাদেশকে সাফল্যের ভেলায় ভাসিয়েছিলেন তামিম।

সম্প্রতি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তামিম জানিয়েছেন, ঐ পরিস্থিতি থেকে ব্যাপক শিক্ষা লাভ করেছিলেন তিনি, যা পরবর্তীতে ভীষণ কাজে লেগেছে।

Also Read - সাদা পোশাকে মুশফিকের অস্ট্রেলিয়া-রোমাঞ্চ

দেশের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, ‘ঐসময় যা ঘটেছিল তা থেকে অবশ্যই আমি শিক্ষা নিয়েছি। পরিস্থিতি আমার নিয়ন্ত্রণে ছিল না। হয়ত ঐসময় আমি যেরকম ব্যবহার করেছিলাম… একই পরিস্থিতি কিন্তু ২০১৫ সালেও এসেছিল, এবং আপনারা খেয়াল করেছেন আমার- আচরণে পার্থক্য ছিল।’

২০১২-র শুরুর দিকটার মতো ২০১৫ সালেও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না তামিমের। চারদিক থেকে ধেয়ে আসছিল অনেক সমালোচনা আর কটু কথা। তামিম সেসময় ধৈর্যের মধ্য দিয়ে পার করেছিলেন নিজের সর্বশেষ কঠিন সময়টাকে।

ড্যাশিং ওপেনার বলেন, ‘২০১২ তে আমি রেগে গিয়েছিলাম এবং সবাইকে ভুল প্রমাণিত করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আচরণে পরিবর্তনই সমাধান হয়ে উঠেছিল যখন একই পরিস্থিতির আগমন ঘটেছিল ২০১৫ সালে। এর কারণ- ২০১২ সালে আমি ভুলভাবে ভেবেছিলাম এবং ২০১৫ সালে সঠিকভাবে ভেবেছি। তাই আমি মনে করি, ঐ পরিবর্তনটাই আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।’

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম