প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের আশায় হাসি

0

দীর্ঘ ১১ বছর পর বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে ঢাকা আসা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের পরিসংখ্যান ঘাঁটলেই বারবার ঘুরেফিরে আসছে ২০০৬ সালের সেই সিরিজ। ঐ সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করার পেছনে বড় অবদান ছিল অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইক হাসির। এরপর ১১ বছর কেটে গেছে, পরিবর্তন এসেছে দুই দলের শক্তিমত্তাতেই। সামনে যখন আরেকটি সিরিজ, তখন মাইক হাসির বিশ্বাস- বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সিরিজটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণই হবে।

বিগত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। গত বছর টেস্টে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের মতো দলকে পরাজিত করেছেন মুশফিক-সাকিবরা। এতে দলের আত্মবিশ্বাস তো তুঙ্গে থাকছেই, প্রমাণ হয়ে থাকছে দলের শক্তি-সামর্থ্যও।

Also Read - বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় স্পিনার অ্যাগার!

সেটি উল্লেখ করে সম্প্রতি হাসি বলেন, ‘সাম্প্রতি বছরগুলোতে বাংলাদেশ অনেক ভালো খেলছে। তারা বিশ্বের সেরা দলগুলোকে হারিয়েছে। দলটার বেশির ভাগ ক্রিকেটার অনেকদিন ধরে দলে খেলছে। তাই তারা একে অন্যকে বেশ ভালো বোঝে। নিজের দায়িত্বটাও ভালোভাবে জানে তারা।

দুই টেস্টের সিরিজটিতে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের প্রত্যাশা জানান হাসি। তিনি বলেন, ‘এটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ হবে। বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে।’

তবে টেস্টে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মানসিকতা যথাযথ কি না, এ নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। বাংলাদেশের অনেকগুলো টেস্ট ম্যাচে জয় হাতছাড়ার পেছনে দায়ী করা হয় ম্যাচ চলাকালীন সময়ে জয়ের মানসিকতা না থাকাকে। সেদিকে ইঙ্গিত করে হাসিও জানান এমন কথা, ‘যদি আপনার মধ্যে লড়াই করার ও জয়ের ইচ্ছা থাকে তাহলে জয়ের জন্য অর্ধেকটা পথ এগিয়ে থাকবেন আপনি। তবে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আমি এটা দেখিনি।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজে অংশ নিতে শুক্রবার রাতে ঢাকা আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য সাবেক ক্রিকেটারদের মতো মাইক হাসিরও আশা, উপমহাদেশের ‘কুফা’ কাটিয়ে জয় নিয়েই ফিরবে অজিরা।

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম