বাশারের চোখে ‘বিরাট এক ধাপে পা রাখা’

0

২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে যখন অস্ট্রেলিয়াকে মোকাবেলা করছিল বাংলাদেশ, তখন টেস্ট ড্র করাই ছিল অনেক বড় কিছু। ফতুল্লা টেস্টে দুর্দান্ত খেলেও বরণ করে নিতে হয়েছিল পরাজয়। অন্য ম্যাচে লড়াইও করা যায়নি। তবু হোয়াইটওয়াশ হওয়া বাংলাদেশ স্বস্তি খুঁজছিল ফতুল্লা টেস্টের ঐ ভালো পারফরমেন্স থেকে।

৪৬-এ পা দিলেন বাশার
বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন যখন অস্ট্রেলিয়াকে বলে-কয়ে হারাচ্ছে, এখনও এই দলের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য হাবিবুল বাশার। নির্বাচকের ভূমিকায় থেকে সাকিব-তামিমদের মাঠে পাঠানোর দায়িত্ব যে তারই। উত্তরসূরিদের এমন উত্থানে স্বভাবতই খুশি দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক হাবিবুল বাশার।

তবে ঢাকা টেস্টের বিজয়কে ২০০৬ সালের পরাজয়ের আক্ষেপ শোধ হিসেবে দেখছেন না তিনি। সম্প্রতি দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘ঐ আক্ষেপ কমবে না। ভিন্ন দল। ভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ভিন্ন উইকেট। সবই আলাদা। দুই সময়ের সঙ্গে তাই না মেলানোই ভালো।’

Also Read - হারের জন্য দ্বন্দ্বকে দুষছেন না ওয়ার্নার

নিয়মিত ওয়ানডে জেতা বাংলাদেশ এখন টেস্টেও জয় পাচ্ছে নিয়মিত। সর্বশেষ দুই টেস্টেই টাইগাররা পেয়েছে জয়ের স্বাদ। এই ব্যাপারটাকে বাশার দেখছেন বিরাট এক ধাপে দেশের ক্রিকেটের পা রাখা হিসেবে, ‘আমরা তো ওয়ানডে নিয়মিত জিতি। এখন টেস্ট জিততে শুরু করেছি, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি বলবো, বিরাট এক ধাপে পা রাখল বাংলাদেশের ক্রিকেট।’

টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে হারের শঙ্কা চেপে বসলে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন হাবিবুল বাশার। তবে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোয় ভীষণ উচ্ছ্বাসিত তিনি। বাশার বলেন, ‘কাল (পরশু) ওদের বেশি রান বাকি ছিল না। একটু উদ্বিগ্ন ছিলাম। খুব করে টেস্টটা জিততে চাচ্ছিলাম। উইকেট অন্যরকম থাকায় আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, সকালে ১-২টা উইকেট পড়লে ম্যাচের চেহারা বদলে যাবে। এখন অনেক আত্মবিশ্বাসী। খেলোয়াড়েরা শুধু মুখে বলে না, সেটা তারা মন থেকে বিশ্বাসও করে।’

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম