চম্পকা রামানায়েকের চোখে ভিন্ন বাংলাদেশ

0

শেষবার বাংলাদেশে এসেছিলেন ২০০৮ সালে। বাংলাদেশ দলের পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন দীর্ঘ দুই বছর। ৭ বছর পর আবারো বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে কাজ করছেন চম্পকা রামানায়েকে তবে এবার দায়িত্বে রয়েছেন বিসিবির হাই পারফরম্যান্স দল এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের নিয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে কোচ চম্পকা

জাতীয় দলের বোলিং কোচ থাকাকালীন কাজ করেছেন মাশরাফি, শাহদাত হোসেনদের নিয়ে। তবে তখনকার চেয়ে বর্তমান বাংলাদেশ দলের চেহারা ভিন্ন। দলের সাথে সাথে বদলে গিয়েছে বাংলাদেশ দলের পেসারদের অবস্থানও। বর্তমানে পেসারদের মধ্যে তৈরি হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যা কিনা দলের জন্যই মঙ্গল বলে মনে করেন চম্পকা।

Also Read - প্লেয়ার ড্রাফটে ২০৮ বিদেশি ক্রিকেটার

“২০১০ সাল থেকে এখনকার দৃশ্যপট পুরোই অন্যরকম। এখন আমাদের অনেক বোলার রয়েছে। ক্রিকেট নিয়ে উন্মেদনার কমতি নেই বর্তমানে। তারা ক্রিকেটারদের সমর্থন করছে। শেষ দুই বছরে বাংলাদেশ অনেক ম্যাচই জিতেছে। আমার মতে তাঁদের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।”

তিনি আরো যোগ করেন, “বর্তমানে দলে জায়গা পাওয়ার জন্য ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে যার ফলে দলের ক্রিকেটাররাও ভাল খেলছে। এটা অবশ্যই বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য মঙ্গলজনক ব্যাপার।”

এই মাসের শেষ দিকেই শুরু হচ্ছে টাইগারদের দক্ষিণ আফ্রিকা মিশন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর টেস্ট দিয়েই সফর শুরু করবে বাংলাদেশ। মূলত আফ্রিকার কন্ডিশন পেস নির্ভরের কারণে দলে পাঁচ পেসার নিয়েছে নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভাল করতে পেসারদের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে মনে করেন চম্পকা।

“পেসারদের জন্য ঐটা আদর্শ পিচ। আশা করছি ওরা উপভোগ করবে সেখানে। তারা যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে পারে তাহলে উইকেট পাওয়া সম্ভব। কারণ ঐ উইকেটে ঘাস আছে, সাধারণত পেসাররাই সুবিধা পাবে বেশি। বোলারদের কাজটা ঠিকঠাক করতে পারলে অবশ্যই ওদের চাপে রাখা সম্ভব।”

বর্তমানে হাই পারফরম্যান্স দল নিয়ে কাজ করছেন জাতীয় দলের এই সাবেক বোলিং কোচ। তরুণ পেসারদের নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাসিত চম্পকা। তরুণ পেসারদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে বেশ সন্তুষ্ট চম্পকা এবং তরুণদের বেশ আশাবাদীও জাতীয় এই সাবেক কোচ।

“হাই পারফরম্যান্স দল এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলে বেশ কয়েকজন ভাল বোলার রয়েছেন। কঠোর পরিশ্রম করার জন্য তাঁদের ভেতর সাহস দিচ্ছি। বর্তমানে অনেক পেসার রয়েছে যা কিনা আগে ছিল না। তাঁদের নিয়ে কাজ করতে পেরে সন্তুষ্ট আমি।”