পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন হাথুরুসিংহে!

0


চুক্তি অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। দৈনিক পত্রিকা কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুসারে  কিন্তু তার প্রায় ৩ বছর আগেই দায়িত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর শেষ হতে পারতো বাংলাদেশের হাথুরুসিংহে অধ্যায়!

অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পরেই পদত্যাগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরীর কাছে পত্র দিয়েছিলেন তিনি। যদিও তা গ্রহণ করা হয়নি।

পদত্যাগ করতে হলে অন্ততপক্ষে ৩ মাস আগে জানাতে হবে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট বিসিবির প্রধান নির্বাহীকে পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “আমার ব্যাক্তিগত অবস্থা আমাকে আমার দায়িত্বগুলো সন্তোষজনকভাবে সম্পাদিত করতে দিচ্ছে না। অনেক চিন্তা-ভাবনা ও বিবেচনা করার পর বিসিবির প্রধান কোচের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা কার্যকর হবে ৮ নভেম্বর ২০১৬ থেকে।

Also Read - কথা রাখল বিসিবি

২০১৯ বিশ্বকাপের জন্য এখনই পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। চুক্তিটা ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত হওয়াতে পরিকল্পনার ছকে আছেন হাথুরুসিংহেও। তার অনুপস্থিতি দলকে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারে বলে মনে করে বিসিবি। তাই তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনটিতে।

গুঞ্জন রয়েছে বেতন কাঠামো পছন্দ না হাওয়াতেই চাকরি ছাড়তে চেয়েছিলেন লঙ্কান কোচ। তারপর বেতন মাসে প্রায় ২৮ হাজার ডলার ধার্য করা হলে রাজি হন তিনি।

বাংলাদেশে আসার পর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট (এসএলসি) থেকেও কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। শ্রীলঙ্কার কোচ হিসেবে গ্রাহাম ফোর্ডের বিদায়ের পর থেকে হাথুরুসিংহেকে পাওয়ার চেষ্টা করেছিল তারা। তবে বিসিবির পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক আশাবাদী হাথুরুসিংহেকে নিয়ে। তিনি বলেন, “আমরা জানি যে শ্রীলঙ্কা দলের কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ওনাকে। কিন্তু আমরা আশা করি তাঁর সঙ্গে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত হওয়া চুক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি মেয়াদ পুরো করবেন।”