SCORE

সর্বশেষ

বরিশালের চাই ৩৭১, ড্রয়ের পথে চট্টগ্রাম-রাজশাহীর লড়াই

চট্টগ্রাম বিভাগ বনাম রাজশাহী বিভাগঃ রানের পাহাড় গড়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। জবাবটা অবশ্য ভালোই দিচ্ছিল রাজশাহী বিভাগ। জহুরুল ইসলামের ব্যাটিংয়ে সচল ছিল রাজশাহী বিভাগের রানের চাকা। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ৩৯ ওভারের বেশি ব্যাটিং করা হয়নি রাজশাহী বিভাগ।

ড্রয়ের পথে চট্টগ্রাম-রাজশাহী

৮ উইকেটে ৪১৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে রাজশাহী বিভাগ। মেহেদি হাসান রানা ও কাজী কামরুল ইসলাম নতুন দিনে আরো ১২ রান যোগ করেন। ১১ রান করে শরীফুল ইসলামের বলে বোল্ড হন রানা। ঐ ওভারে বোল্ড হন কামরুলও। ৪৪ রান করেন তিনি। ৪৩২ রান করে থামে রাজশাহী বিভাগ। তিনটি উইকেট পান শরীফুল ইসলাম। দুইটি করে উইকেট নেন সাকলাইন সজীব ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

Also Read - পর্ণ তারকাকে ওয়ার্নের ঘুষি!

জবাব দিতে নেমে অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম ও মাইশুকুর রহমান উদ্বোধনী জুটিতে ১০৩ রান সংগ্রহ করেন। ব্যাট হাতে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন জহুরুল ইসলাম। ৩৬ রান করা মাইশুকুরকে ফিরিয়ে ১০৩ রানের জুটি ভাঙেন ইমরুল করিম। এরপর শান্তকে নিয়ে আরো ৪৪ রান যোগ করেন জহুরুল। দিনশেষে ১১৯ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত আছেন জহুরুল ইসলাম। তার ইনিংসে রয়েছে ১২ টি চারের মার।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ম্যাচটি যে ড্র হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে তা স্পষ্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ চট্টগ্রাম বিভাগ ৪৩২/১০, (প্রথম ইনিংস)
ইয়াসির ৯৪, সাজ্জাদুল ৬৮, ইরফান ৬৫
শরীফুল ৩/৭০, শান্ত ২/৪৪, সাকলাইন ২/৭৬

রাজশাহী বিভাগ ১৪৭/১, (প্রথম ইনিংস)
জহুরুল ৭৫*, মাইশুকুর ৩৬

বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছে ঢাকা বিভাগ বনাম রংপুর বিভাগ এবং ঢাকা মেট্রোপলিস বনাম সিলেট বিভাগের তৃতীয় দিনের খেলা।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে বরিশাল বিভাগের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩৭১ রান। হাতে রয়েছে দশটি উইকেটের সবকটিই। চতুর্থ দিন খুলনা বিভাগের আল-আমিন-রাজ্জাক-মাশরাফিকে সামাল দিয়ে ৩৭১ রান করাটা সহজ হবে না তাদের জন্য।

খুলনা বিভাগ বনাম বরিশাল বিভাগঃ ৫৫ ওভারে ১৭১ রান থেকে দিন শুরু করেছিল বরিশাল বিভাগ। দিনের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বরিশাল বিভাগের। দিনের প্রথম বলেই উইকেট হারায় তারা। ৫৮ রান করে আল-আমিন হোসেনের বলে লেগ বিফোরের শিকার হন রাফসান। রাফসানের সাথে ৮০ রানের জুটি গড়ার পর মনির হোসেনকে নিয়ে নুরুজ্জামান যোগ করেন ৩৮ রান। ৪০ বলে ৩০ রান করে আব্দুর রাজ্জাকের শিকার হন মনির। রানের খাতা খোলার আগেই রাব্বিকে ফেরান রাজ্জাক।

শেষ উইকেটে তানভীর ইসলামকে নিয়ে ৪১ রান যোগ করেন নুরুজ্জামান। শতক তুলে নেন তিনি। দলীয় ২৫৮ রানের মাথায় তানভীর ইসলাম হিট আউট হলে অলআউট হয় বরিশাল বিভাগ। ১৭৫ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন নুরুজ্জামান। তার ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৩ ছয়। খুলনা বিভাগের হয়ে আল-আমিন হোসেন আব্দুর রাজ্জাক চারটি করে উইকেট লাভ করেন।

প্রথম ইনিংসে ১৮৬ রানের লিড পায় খুলনা বিভাগ। বড় লিড পাওয়ায় কিছুটা নির্ভার ছিল খুলনা বিভাগ। তবে শুরুতেই দুই উইকেট হারায় তারা। দলীয় ১৭ রানের মাথায় উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে কামরুল ইসলামের শিকার হন এনামুল হক বিজয়। পরের বলে লেগ বিফোর হন মোহাম্মদ মিঠুন। রবিউল ইসলাম রবি ও নুরুল হাসান সোহানের ৬৮ রানের জুটিতে চাপ সামাল দেয় খুলনা বিভাগ। ৬৭ বলে ২৪ রান করে মনির হোসেনের শিকার হন রবিউল ইসলাম রবি।

রবির বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকেননি নুরুল হাসান। অর্ধশতকের পর যোগ করেছেন  ৭ রান। ৩ চারে ৫৭ রান করে সোহাগ গাজির বলে ফিরে যান নুরুল। এরপর তুষার ইমরানকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মেহেদি হাসান। বেশ দ্রুত রান তুলেন তুষার ইমরান। ৩৫ বলে ২৮ রান করে মনির হোসেনের বলে আউট হন মেহেদি। এরপর জিয়াউর রহমান ও মাশরাফি বিন মর্তুজা- দুইজনই ১৬ রান করেন। জিয়াউর রহমান ১ চারে ২০ বলে ১৬ ও মাশরাফি ২ ছয়ে ১১ বলে ১৬ রান করেন। তুষার ইমরান ৬২ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ৮ উইকেটে ২১৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা বিভাগ।

বরিশাল বিভাগের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০৩। তৃতীয় দিন ১২ ওভার ব্যাটিং করেছে তারা। ইনিংস সূচনা করেছেন ফজলে মাহমুদ ও রাফসান আল মাহমুদ। নিরবিচ্ছন্ন ৩২ রানের জুটি গড়েছেন দুই ওপেনার। জয়ের জন্য শেষ দিন বরিশাল বিভাগের চাই ৩৭১ রান। খুলনার দরকার ১০ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ খুলনা বিভাগ  ৪৪৪/১০ (প্রথম ইনিংস)
মেহেদি ১৭৭, তুষার ১৩২
মনির ৭/৮৫, তানভির ২/৬৫

বরিশাল বিভাগ ২৫৮/১০ (প্রথম ইনিংস)
নুরুজ্জামান ১০১, রাফসান ৫৮
আল-আমিন ৪/৭২, রাজ্জাক ৪/৯০

খুলনা বিভাগ ২১৬/৭ (দ্বিতীয় ইনিংস)
তুষার ৫৭*, নুরুল ৫৭
সোহাগ ৩/৭৮, রাব্বি ২/৪২

বরিশাল বিভাগ ৩২/০, (দ্বিতীয় ইনিংস), লক্ষ্য ৪০৩
ফজলে ১৫, রাফসান ১৩

 

Related Articles

ছুটি কমেছে টাইগারদের

ঘরোয়া লঙ্গার ভার্শনে মনোযোগ মাশরাফির

মাইলফলকের সামনে রাজ্জাক

অল্পের জন্য তামিমকে ছাড়িয়ে যেতে পারলেন না মিজানুর

নিজেকেও ছাড়িয়ে গেলেন মুমিনুল