SCORE

Trending Now

এত রান আগে দেয়নি বাংলাদেশ!

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। তিন ম্যাচের এ ওয়ানডে সিরিজ যেন ভুলে যেতে চাইবেন বাংলাদেশের বোলাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের কাছে বাংলাদেশের বোলাররা ছিলেন সম্পূর্ণ অসহায়। কুইন্টন ডি কক-এবি ডি ভিলিয়ার্স-হাশিম আমলাদের সামনে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ছিল নখদন্তহীন।

পরিসংখ্যানেও ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের বোলিং চিত্রের বাজে অবস্থা। এ প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচের কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ১০০০ এর বেশি রান দিয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। তিন ম্যাচের কোনো ওয়ানডে সিরিজে এত রান আগে দেয়নি বাংলাদেশ।

Also Read - সাকিবে ভরসা মাশরাফির

এর আগে ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৮৬৩ রান দিয়েছিল বাংলাদেশ। এ সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা রান তুলেছে ১০০৪।

প্রথম ম্যাচে কোন উইকেটই পায়নি বাংলাদেশের বোলাররা। ২৭৯ রানের লক্ষ্য কোনো উইকেট না হারিয়েই টপকে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিনা উইকেটে ২৮২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঝড়ে ভর করে ৩৫৩ রান তুলে প্রোটিয়ারা। সর্বশেষ ম্যাচে কোনো শতক না থাকলেও চার অর্ধশতকে স্বাগতিকদের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৬৯ রান। সব মিলিয়ে ১২ উইকেট হারিয়ে ১০০৪।

এ ১০০৪ রানে সবচেয়ে বেশি অবদান কুইন্টন ডি ককের। ২৮৭ রান করেছেন কক। এছাড়া এবি ডি ভিলিয়ার্স ১৯৬ রান ও হাশিম আমলা দুই ইনিংসে ১৯৫ রান করেছেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তিন ম্যাচে ২৭.৫ ওভার বোলিং করে ৭.২২ গড়ে রান দিয়েছেন ২০১। পাননি কোনো উইকেট। ২৪ ওভার করা পেসার তাসকিন আহমেদ রান দিয়েছেন ১৯৮। তিনি ওভারপ্রতি গড়ে ৮.২৫ করে রান দিয়েছেন। ৫ উইকেট শিকার করা রুবেল হোসেন ২৬ ওভারে ১৭৪ রান এবং ২ উইকেট শিকার করা সাকিব আল হাসান ২৮ ওভার বোলিং করে ১৬৪ রান দিয়েছেন।

Related Articles

সাইফউদ্দিন নাকি আরিফুল— দ্বিধায় নির্বাচকরা

‘হাথুরুসিংহেকে ক্ষমতা দেওয়াই বুমেরাং হচ্ছে’

এমন পারফরম্যান্সেরর কারণ খুজঁছেন হাবিবুল

“২০০ রান তাড়ার মানসিকতা তৈরি হয়নি”

টি-২০ তে দ্রুততম শতকের মালিক হলেন মিলার