SCORE

Breaking News

টাকা দিয়েও খিদে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন টেন্ডুলকার!

Share Button

শচীন টেন্ডুলকার- ক্রিকেটীয় এক রূপকথার নাম যেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ক্রিকেট বিশ্বের অনেক রেকর্ডের পাশে নিজের নাম বসিয়েছেন। অবসর গ্রহণের পরও শচীন রয়ে গেছেন স্মরণীয়-বরণীয় এক ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে’ পুরো বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। বর্তমানে এটি নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে তাঁর।

শচীন এবার কমিক বুকে

‘প্লেয়িং ইট মাই ওয়ে’-র বিশেষ অংশ নিয়ে ছোটদের জন্য বের হয়েছে ‘চেজ ইওর ড্রিমস’ নামের একটি প্রকাশনা। সেখানে টেন্ডুলকার তুলে ধরেছেন তাঁর ছেলেবেলার মজার এক কাহিনি, যেখানে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও খিদে নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল তাঁকে!

Also Read - মাশরাফির অধিনায়কত্ব পছন্দ ছিল না সিডন্সের!

টেন্ডুলকারের ভাষায়, ৯ বছর বয়সে একদিন চাইনিজ খেতে গিয়েছিলেন তিনি। আত্মজীবনীতে তিনি লিখেন, ‘আমরা সবাই দশ টাকা করে চাঁদা দিয়েছিলাম। ওই সময় আমার কাছে দশ টাকার মূল্য অনেক ছিল। একটা নতুন অভিজ্ঞতা হবে বলে তখন আমি খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। নতুন খাবার টেস্ট করার জন্য ভীষণভাবে অপেক্ষায় ছিলাম আমি। কিন্তু প্রথম অভিজ্ঞতা যে একেবারেই ভালো ছিল না!’

কী সেই অভিজ্ঞতা ভালো না হওয়ার কারণ! টেন্ডুলকার জানান, ‘চাইনিজ রেস্তোরাঁয় গিয়ে শুরুতে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল চিকেন আর সুইট কর্ন সুপ। আমরা সবাই মিলে একটা লম্বা টেবিলে বসেছিলাম। শেষ পর্যন্ত যখন সুপের বাটি আমার সামনে এলো, প্রায় কিছুই ছিল না তাতে। সিনিয়র বন্ধুরা প্রায় সবই শেষ করে দিয়েছে। আমরা, গ্রুপের ছোটরা কিছুই পেলাম না।’

বাজে অভিজ্ঞতা ছিল এর পরের ডিশেও। ক্রিকেট বিশ্বের সর্বকালের সেরা এই ক্রিকেটারের ভাষায়, ‘মেইন ডিশ নিয়েও একই সমস্যা দেখা দেয়। ফ্রাইড রাইস আর চাউমিন নিয়েও একই ব্যাপার হলো। দু-এক চামচের বেশি আমার ভাগ্যে কিছু জোটেনি। খুব বেশি হলে আমি প্রত্যেকটি থেকে ২ চামচ করে পেয়েছিলাম। আমাদের গ্রুপের বড়দের জন্য সেই সন্ধ্যাটা ভালোই কেটেছিল। আমি অবশ্য খিদে আর তেষ্টা নিয়েই বাড়িতে ফিরেছিলাম!’

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম

Related Articles

শচীন এবার কমিক বুকে