SCORE

Breaking News

তাসকিনদের হলোটা কি?

Share Button

“আমি মনে করি উইকেট অনেক ভালো ছিল কিন্তু আমরা উইকেট বুঝে বল করতে পারি নি”, কাল লজ্জার পরাজয়ের পর পুরস্কার বিতরণী পর্বে এমন কথা বলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কথাটা শুধু এই ম্যাচের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং বিগত বেশ কয়েক ম্যাচ দেখলেই বুঝা যায় টাইগারদের বোলিং আর আগের মতো নেই। পেস আক্রমণে দুর্বলতা অনেক পুরনো হলেও সম্প্রতি কিছুটা আশার আলো দেখা গিয়েছিল মাশরাফি-মুস্তাফিজ-তাসকিন-রুবেল, এমন দারুণ কম্বিনেশনে। কিন্তু সেটি এখন উধাও। ব্যাটিং তবু ভালই হচ্ছে, কিন্তু বোলিং কিছুতেই আর আগের মতো হচ্ছে না, কাল তার চূড়ান্ত অবনতি হতে দেখা গেলো। এতো প্রতিভাবান বোলিং লাইনআপের এমন দশা কেন? বিশেষ করে নতুন যারা আসছেন তারা এতো দ্রুত নিজেদের হারিয়ে ফেলছেন কেন?

কালকের ম্যাচটি অনেক ব্যক্তিগত ও দলীয় অর্জনের ম্যাচ ছিল। তবে প্রথমার্ধে। কাল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচ হাজার রান সংগ্রাহকের তালিকায় প্রবেশ করেছেন। শুধু তাই নয় একই সাথে ক্রিকেট ইতিহাসের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫,০০০ রান করার সাথে ২০০ উইকেট নেওয়ার গৌরবও অর্জন করেছেন। তাও দ্রুততম সময়ে । দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি জ্যাক ক্যালিস, শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি সনাথ জয়াসুরিয়া, পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি ও আব্দুল রাজ্জাকের চেয়েও অনেক ম্যাচ কম খেলে এমন রেকর্ড গড়ার দিনে সাকিব ৪৫ বলে ২৯ রান করেছেন। রেকর্ড হয়েছে আরও একটি । টেস্ট সিরিজ হারের ক্ষত নিয়ে ব্যাটিং করতে নেমে  মুশফিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে  ২০১৫ সালে সৌম্য সরকারের ৯০ রানকেও ছাড়িয়ে গেছেন। যেকোন ফরম্যাটে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান হয়েছে কাল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এর আগে সর্বোচ্চ ২৫১ রান করেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

Also Read - সুখস্মৃতি নিয়ে মঙ্গলবার আইরিশদের মুখোমুখি বাংলাদেশ

গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভুলতে বসা এক অভিজ্ঞতা পেলো। এর আগে ২০০৮ সালে শেষবার ১০ উইকেটে পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেবার বাংলাদেশের দেওয়া ১১৬ রানের লক্ষ্যে বিনা উইকেটে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ৯ বছর পর আবার ১০ উইকেটের হার। এবারের হার খুবই লজ্জাজনক। কোনো উইকেট না হারিয়ে এত বেশি রানের লক্ষ্যে আগে পৌঁছাতে পারেনি কোনো দল। গত বছর শ্রীলংকার দেওয়া ২৫৫ রানের লক্ষ্য কোনো উইকেট না হারিয়ে ছুঁয়েছিল ইংল্যান্ড। বছর না ঘুরতেই সেই লজ্জার রেকর্ড বাংলাদেশের দখলে। অথচ, কাল টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ওয়ানডে ক্রিকেটে সাম্প্রতিক ব্যাটিং ঝলকের রেশ ধরে রেখে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান তুলে বাংলাদেশ। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এই রান তেমন কিছুই না, তবু এই রানই দলটির বিপক্ষে টাইগারদের সর্বোচ্চ রান। কিন্তু এই রান কতোটা অনায়াসে পাড়ি দিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক (১৬৮*) ও হাশিম আমলা (১১০*)। ১০ উইকেটে হারার পাশাপাশি লজ্জার রেকর্ডের একক মালিক এখন বাংলাদেশ। বোলারদের নিদারুণ ব্যর্থতার খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ।

সংবাদ সম্মেলনে এসে মাশরাফি নিজেদের বোলারদের উপরই দোষ চাপিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি মনে করে উইকেট অনেক ভালো ছিল কিন্তু আমরা উইকেট বুঝে বল করতে পারি নি। আমাদের সুরক্ষিত বোলিং করতে শিখতে হবে এবং আরো তীক্ষ্ণতা আনতে হবে। টেস্ট আর একদিনের খেলা একদম ভিন্ন। আমরা যদি দুই প্রান্ত থেকেই রান আটকাতে পারি তাহলে অবশ্যই উইকেট আসবে।”

কথাগুলোর সাথে কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায় সদ্য সমাপ্ত হওয়া টেস্ট সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকের কথার সাথে। যদিও মুশফিক কিছুটা চাঁছাছোলা ভাষায় বলেছিলেন। সে নিয়ে তাকে অনেক সমালোচনাও সইতে হয়েছে। চলতি ওয়ানডে সিরিজ যদি প্রথমটার মতোই অসহায় হারের মাধ্যমে শেষ হয়, তবে কি হবে? কি হবে তা পরে, আপাতত যে প্রশ্ন উঠেছে, এতো সম্ভাবনাময় পেস অ্যাটাকের এমন হাল কেন? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ বেশ মানানসই ছিল। কিন্তু তারপর থেকেই বোলারদের বল হঠাৎ করেই নির্বিষ হয়ে গেছে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষের ৪০ উইকেটের মাত্র ১২টি নিতে পেরেছে বাংলাদেশে। সেরা বোলার মুমিনুল হক (৩উইকেট)!

বোলিংয়ের দৈন্য দশা আজ থেকে নয়, সেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেই। এই বছর বাংলাদেশের কোন বোলার ৫ উইকেট পান নি। চলতি বছর ওয়ানডেতে উইকেট পাওয়ার দিক থেকে দল হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ১২ নম্বরে। লজ্জাটা আরও বেড়েছে কালকের পর থেকে সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের চেয়ে এক্ষেত্রে এগিয়ে এমনকি আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে বা আয়ারল্যান্ডও! ১২ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলাররা নিয়েছেন ৫৭ উইকেট, যেখানে ১২ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বোলাররা তুলে নিয়েছেন ৮৩ উইকেট। ১৩ ম্যাচে আফগানদের উইকেট ৯৪টি। এদিকে পার্শ্ববর্তী ভারত ২৩ ম্যাচে ১৫৮ উইকেট তুলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। আর এই সিরিজের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা এই ক্ষেত্রে তিন নম্বর অবস্থানে। তাদের ১৭ ম্যাচে অর্জন ১১৮ উইকেট। এই হিসাব থেকেই বুঝা যায়, বোলিংয়ে আমরা কতো পিছিয়ে আছি। অথচ আমাদের দুইজন বিশ্বমানের বোলিং বিশেষজ্ঞ আছেন। একজন কিংবদন্তী উইন্ডিজ পেসার কোর্টনি ওয়ালশ আরেকজন ভারতীয় সাবেক পেসার সুনীল যোশী।

ব্যাটিংয়ে অনেক পরিণত বাংলাদেশ দল। তামিম-সাকিব-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ এই চারজন দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাটিং ভরসা হয়ে আছেন। কিন্তু তরুণ সৌম্য-লিটন-সাব্বির-মিরাজ-মোসাদ্দেক-নাসিরদের অবস্থা মোটাও আশা জাগানিয়া নয়, অথচ এরাই দলের ভবিষ্যৎ। শুরুতে জ্বলে উঠে নিজেদের হারিয়ে খোঁজা, আবার কোনদিন জ্বলে উঠা এভাবেই চলছে তাদের ক্যারিয়ার। দলের ভরসা এখনও সেই তামিম-সাকিবসহ সিনিয়ররাই। গতকালকের ম্যাচেও মুশফিক-ইমরুল-সাকিবই যা করেছেন। স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান সাব্বির বা লিটন দাস আদতে ব্যর্থ। যদিও কাল লিটন দাস ওপেনিং আর সাব্বিরের জায়গায় নেমেছিলেন সাকিব। কিন্তু আশা জাগিয়ে দলে আসা ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে আশানুরূপ কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ গত দুই বছরে পেস বোলিংয়ে বেশ অগ্রসর হয়েছিল। এই পেস আক্রমণ দিয়েই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, দেশের মাটিতে পাকিস্তান-ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলংকার মাটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। যদিও ব্যাটিং অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিল। তারপরও কাল কিংবা টেস্ট সিরিজে যতোটা নির্বিষ বোলিং দেখা গেছে, এমনটা বহুদিন পর ঘটলো। কাল মাশরাফি ৮.৫ ওভার বল করে ৫০ রান খরচ করেছেন। তাসকিন ৮ ওভার বল করে ৬১ রান, রুবেল ৬ ওভার বল করে ৩৭ রান আর নবাগত সাইফুদ্দিন মাত্র ৫ ওভার বল করে ৪৬ রান দিয়েছেন।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে মাশরাফির অবদান অনেক। ১৮০ ম্যাচে ৩০.৭৫ গড়ে ২৩২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা পেস বোলার তিনি। ইকোনমি রেট মাত্র ৪.৭৫, সেরা বোলিং ২৬/৬। সেই ২০০১ সাল থেকে দলের মূল পেসারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এখনও তাঁকেই সেই দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। বহুবার সার্জনের ছুরির নিচে যেতে হয়েছে তাকে। তারপরও গত দশ ম্যাচে ৫.৩৮ ইকোনমি রেটে ১১ উইকেট তার। উইকেট কম পেলেও রানের চাকায় লাগাম টানতে এখনও তার জুড়ি মেলা ভার। বহু জয়ের নায়ক তিনি। তার বিকল্প আজও পায় নি বাংলাদেশ।

অপরদিকে অপার সম্ভাবনা জাগিয়ে মুস্তাফিজের আগমন সবাই দেখেছে। তার ‘কাটারে’ বিমোহিত হতো প্রতিপক্ষ। ভারতের বিপক্ষে অভিষেকেই ৫ উইকেটসহ সিরিজে ১৩ উইকেট নিয়ে চমকে দিয়েছিলেন। অনেকদিন তাঁর বোলিং দলের মূল ভরসা হয়ে ছিল। মাত্র ২২ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ৪.৮৯ ইকোনমি রেটে এবং ১৯.৭৯ গড়ে ৪৪ উইকেট যার ঝুলিতে, সেই মুস্তাফিজ এখন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। সর্বশেষ ১০ ম্যাচে ১৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ১০ ওভার পূর্ণ করেছেন মাত্র ২বার। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য। মূলত ইনজুরির পর থেকে তার এই অবস্থা। তার বিখ্যাত ‘কাটার’ আর আগের মতো কার্যকর নয়। মুস্তাফিজের আইপিএল যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়া নিয়েও। সেই থেকে বয়ে বেড়ানো ইনজুরি আজও ভোগাচ্ছে তাকে।

চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট সিরিজে মুস্তাফিজের বোলিং রীতিমত নির্বিষ মনে হয়েছে। দুই টেস্ট থেকে মাত্র ২ উইকেট আদায় করতে পেরেছেন ২৪১ রান খরচ করে। ওয়ানডে সিরিজে আবার ইনজুরির কারণে দেশেই ফিরতে হচ্ছে। প্রথম ওয়ানডের আগে প্র্যাকটিসের সময় ফুটবলও খেলতে গিয়ে পা মচকে যায় তার। সেই মচকানো পা তার বাকি সফর শেষ করে দিয়েছে। সেই সাথে বাংলাদেশের পেস আক্রমণকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকা মুস্তাফিজকে কবে ফিরে পাওয়া যাবে কে জানে।

ওদিকে তাসকিনের অবস্থা আরও খারাপ। ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচেই ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের ১০ জুন ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে ৮ ওভার বল করে ২৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে প্রায় একক প্রচেষ্টায় ম্যাচ জিতিয়ে দেওয়া সেই তরুণ তাসকিন আজ কোথায়? তার ৩০ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ৪৩ উইকেট, ২৯.৩৯ গড়ে। কিন্তু সম্প্রতি তাকে নিজের ছায়া হয়ে থাকতে দেখা গেছে। গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৮ ওভারে ৬১ রান দিয়েছেন তিনি। টেস্টেও দুই ইনিংসে বল করে কোন উইকেট পান নি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় তিনি ক্যারিয়ারে মাত্র ৩বার ১০ ওভারের কোটা পূর্ণ করতে পেরেছেন। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভার পূর্ণ করেছিলেন তিনি। সর্বশেষ ৫ ম্যাচে ২৭৮ রান খরচে মাত্র ৩ উইকেট তার। এর মধ্যে ৩বার উইকেট শূন্য। তাকে মাশরাফির ভবিষ্যৎ বিকল্প মনে করা হতো। বলে গতি আছে, কিন্তু লাইন-লেন্থ কোথায় যেন উধাও। তাঁর বলকে আক্রমণের উপলক্ষ বানিয়ে যাচ্ছেন প্রতিপক্ষ ব্যটসম্যানরা।

রুবেল হোসেন একসময় আগ্রাসী বোলিংয়ের বিজ্ঞাপন ছিলেন। বিশ্বকাপে তাঁর আগুন ঝরা বোলিং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু ক্যারিয়ারে কখনোই ধারাবাহিক ছিলেন না রুবেল। আলামিনেরও একই অবস্থা। নতুন আসা সাইফুদ্দিন কাল অভিষেকেই বাজে বোলিংয়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্পিনারদের মধ্যে সম্ভাবনাময় মিরাজও নিয়মিত হতে পারছেন না। মোসাদ্দেক অনিয়মিত, এখন জ্বরে আক্রান্ত। সব মিলিয়ে আমাদের প্রতিভারা আসলে কোথায় যাচ্ছে? কিছুদিন পর পর নতুন প্রতিভা আসে, আবার কিছুদিন পর হারিয়ে যায়। এভাবে আর কত?

দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছেন পাঁচ পেসার

মুস্তাফিজ, তাসকিনদের মতো প্রতিভারা কেন এমন হারিয়ে যাচ্ছেন এটা ভাবার সময় এসেছে। বিশ্বের নামীদামী বোলিং কোচ থাকা সত্ত্বেও তাদের হাল এমন। অমিত সম্ভাবনা নিয়ে আসা এইসব খেলোয়াড়দের সঠিক যত্ন কি নেওয়া হচ্ছে? ব্যাটিংয়ে যতোটা অগ্রসর হয়েছে, বোলিংয়ে ঠিক ততোটাই অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের।

প্রশ্ন থেকে যায় এতো এতো প্রতিভাবানদের ভবিষ্যৎ আসলে কি?

-মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক

Related Articles

অভিনব অর্জনে রেকর্ড বইয়ে সাকিব

বিপিএলে নতুন কীর্তি হাসান আলীর

সর্বাধিক উইকেট শিকারির তালিকায় এগিয়ে স্থানীয়রা

‘ফকির হলে নিজের বুদ্ধিতে ফকির হও…’

তাসকিনকে কৃতিত্ব দিলেন মাশরাফিও