SCORE

Trending Now

ফুরফুরে মেজাজের সাকিবকে চাই

Share Button

টেস্ট থেকে সাময়িক বিরতি শেষে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে যোগ দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। টানা দুই টেস্টে বাজেভাবে হারের ক্ষত শুঁকিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সাফল্যকে সামনে টেনে নিয়ে যাওয়ার লড়াই অপেক্ষা করছে সাকিবদের সামনে। আর এই লড়াইয়ে দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সাকিব। বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত হওয়া বাংলাদেশী ক্রিকেটার সাকিবকে তার স্বরূপে দেখা গেলে প্রোটিয়াদের মাটিতেও জয় পাওয়া অনেক সহজ হয়ে উঠবে। তবে এজন্য সাকিবকে সেই আগ্রাসী ও মেজাজি সাকিব হয়ে উঠতে হবে।

"যেখানেই খেলি, রোমাঞ্চ থাকে"এইতো ক’দিন আগে ঐতিহ্যবাহী এমসিসি’র (মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব) বিশ্ব ক্রিকেট একাদশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সাকিবের নাম। সম্প্রতি এমসিসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় সাকিবকে বিশ্ব ক্রিকেট কমিটিতে নিয়োগ দেওয়ার কথা। [বিস্তারিতঃ আনুষ্ঠানিকভাবে এমসিসির বিশ্ব কমিটিতে সাকিব]। সাকিবই প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি এমসিসির বিশ্ব ক্রিকেট কমিটিতে নিয়োগ পেলেন। এমন দারুণ অর্জন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে পা দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

এর আগে টেস্ট ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে আলোচনার জন্ম হয়েছিল। তার অনুপস্থিতি টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ দলের পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে বলে অনেকের মত। এর পিছনে যুক্তি হলো, তার মতো এমন কার্যকর এবং ইন ফর্ম অলরাউন্ডার পৃথিবীতেই এখন বিরল। যদিও ইদানিং ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস এবং ভারতের হার্দিক পান্ডিয়া ভাল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন। এজন্য অলরাউন্ডারদের এই ত্রিমুখী অবস্থানকে অনেকটা ফুটবলের মেসি-রোনালদো-নেইমার ত্রয়ীর সাথে তুলনা করা যায়। যদিও অনেকের আবার এই তুলনা নাও পছন্দ হতে পারে। এর পিছনে কারণ হয়তো, ক্রিকেটের চেয়ে ফুটবলে আবেগ বেশি। সেটা মাঠে হোক বা মাঠের বাইরে। কিন্তু, ক্রিকেট নিয়ে আবেগের ছটা উপমহাদেশে ফুটবলের চেয়েও বেশি।

Also Read - প্রথম ওয়ানডেতে এখনও নিশ্চিত নন তামিম

এখানকার বহু মানুষের কাছে ক্রিকেট তাদের সবচেয়ে আবেগের বিষয়গুলোর মধ্যে একটি। আর সেই আবেগের ঢেউ খেলোয়াড়দের গায়েও লাগে। উপমহাদেশের খেলোয়াড়দের আবেগি এই বিষয়গুলো সাকিবের ক্ষেত্রে অনেকটা প্রযোজ্য। তাকে প্রত্যেকটা ধাপ এগুতে অনেকবার নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। শুরুতে আবেগীয় কারণে তার আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। মাঠে মেজাজ হারিয়ে ফেলার কারণে ক্যারিয়ারে কয়েকবার শাস্তির মুখোমুখিও হতে হয়েছে তাকে। তবে দিন দিন পরিনত হয়েছেন সাকিব। তবে কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা সেরা এবং মেজাজি। এটাই তাদের বৈশিষ্ট্য। এমন হাজারো উদাহরণ আছে, যারা দুর্দান্ত সফল এবং তাদের মেজাজ-মর্জির উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। প্রতিভাবানরা মেজাজিই হয়, নিজেদের দিনে যাদের কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারে না।

সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজ থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন সাকিব। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে সেই সমালোচনায় যোগ দিয়েছিলেন ক্রিকেট ভক্ত থেকে শুরু করে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও। সেসময় মুশফিক কারও নাম উল্লেখ না করে বলেছিলেন, এখনো এত বড় খেলোয়াড় হইনি যে আমার বিশ্রাম লাগবে।

মুশফিক আরও একটি বাস্তব কথা বলেছিলেন, সাকিব না থাকলে তার জায়গায় দুইজনকে খেলাতে হয়। একজন ব্যাটসম্যান আরেকজন বোলার।

সাকিবকে ছাড়া বাংলাদেশ যে কিছুটা খর্ব শক্তির দল হয়ে পড়ে, এটাও সত্য। তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যাবে, বাংলাদেশের অনেক ঐতিহাসিক জয়ে সাকিবের ভূমিকা ছিল দারুণ। ব্যাটে-বলে তার দুর্দান্ত ভূমিকার উপর ভর করে অনেক কঠিন ম্যাচেও জয় ছিনিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বর্তমানে সাকিবের রানসংখ্যা ৪৯৮৩। আর ১৭ রান করতে পারলেই দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে পাঁচ হাজার রান করার কীর্তি গড়বেন সাকিব। বর্তমানে এই ফরম্যাটে পাঁচ হাজার রান করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। ১৭৩ ম্যাচে তার রান ৫৭৪৩।

একইসাথে ওয়ানডেতে কমপক্ষে পাঁচ হাজার রান ও ২০০ উইকেট পাওয়া পঞ্চম ক্রিকেটার হওয়ার হাতছানি সাকিবের সামনে। ১১ বছরের ক্যারিয়ারে ১৭৭টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৩৪.৮৪ গড়ে ৭ সেঞ্চুরি ও ৩৪ হাফ সেঞ্চুরিসহ সাকিবের রান ৪৯৮৩, উইকেট শিকার করেছেন ২৯.৪৯ গড়ে ২৪টি। ইকোনমি রেট ৪.৪১।

সাকিব খুব আবেগি খেলোয়াড়। একবার কুঁচকির ব্যথা সারানোর জন্য সাকিব অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকেই ব্যথাটা তাকে ভোগাচ্ছিল। ব্যথাকে উপেক্ষা করেই তিনি জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে নেত্‌ত্ব দেবার সিদ্ধান্ত নেন। পুরো বছর জুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে সাকিব আইসিসি কর্ত্‌ক ‘টেস্ট প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার, ২০০৯’ ও ‘ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার, ২০০৯’ এর জন্য মনোনীত হন। সাকিবই প্রথম বাংলাদেশী যিনি এ ধরণের ক্যাটাগরীতে মনোনয়ন পেয়েছেন। ২০০৯ সালে নভেম্বর মাসে ‘দ্য উইজডেন ক্রিকেটার্স’ সাকিবকে ‘বছরের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার’ ঘোষণা করে।

 

টেস্ট এবং ওয়ানডে দুই ফরম্যাটেই দেশের মাটিতে ২০০০ রান এবং ১০০ উইকেট নেওয়ার অনন্য কীর্তির অধিকারী সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই অনন্য রেকর্ড গড়েন। সাকিবের আগে এই কীর্তি ছিল সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসের।

সেই ক্যালিস সম্প্রতি বলেছেন, ‘সাকিব দারুণ খেলোয়াড়

সাকিবের খেলার মান আর ধারাবাহিকতা তাঁকে নিয়ে গেছে এক নতুন উচ্চতায়, হয়েছেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড়-“দ্য ওয়ান ম্যান আর্মি”। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০ প্রত্যেক ক্রিকেট সংস্করণে এক নম্বর অল-রাউন্ডার হয়ে রেকর্ড গড়েন। আজও সেই রেকর্ড তার দখলে। সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ৪,০০০ রান করার গৌরব অর্জন করেন। চলতি বছর সব ফরম্যাট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১১০৩ রান করে দেশের হয়ে দ্বিতীয় রান সংগ্রাহক এবং ৩৮ উইকেট নিয়ে দেশের সেরা বোলার তিনি।

সময়ের সাথে সাথে অনেক পরিণত হয়েছেন সাকিব। বাংলাদেশ দল দক্ষিণ আফ্রিকার পাড়ি জমানোর প্রায় এক মাস হল। সাকিব দলের সাথে যোগ দিয়েছেন মাত্র সেদিন। অথচ প্রস্তুতি ম্যাচে অন্যদের চেয়ে সাকিবই ছিলেন বেশি সাবলীল ও স্বাছন্দ্য। ফিফটির দেখা পেয়েছেন হেরে যাওয়া ম্যাচে। সাময়িক বিরতি যে তার উপর খুব একটা প্রভাব ফেলে নি, সেতো বুঝাই যাচ্ছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ভাল করা চ্যালেঞ্জিং। সাকিব সেই চ্যালেঞ্জকে উপভোগ করেন। তিনি নিজেই বলেছেন, ক্রিকেট যেহেতু খেলি, এই চ্যালেঞ্জটাই তো আমরা নিতে চাই। এই চ্যালেঞ্জগুলো না আসলে তো খেলার মজাটা আসবে না। আশা করি, সবাই চ্যালেঞ্জটা নিতে প্রস্তুত থাকবে আর ভালো করার চেষ্টা করবে।

ওয়ানডেতে সাকিবের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুব বেশি আহামরি নয়। সর্বশেষ পাঁচ ইনিংসে কার্ডিফে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে শুধু নিউজল্যান্ডের বিপক্ষে একটি সেঞ্চুরি আছে তার। বাকি ম্যাচগুলোতে তেমন ভাল ব্যাটিং করতে পারেন নি। বোলিংয়েও ঠিক জ্বলে উঠতে পারেন নি। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ তার জন্য ফিরে আসার উপলক্ষ।

বহু ঐতিহাসিক জয়ে সাকিবের অনন্য ভূমিকা প্রত্যক্ষ করেছে সবাই। এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই আবেগী হার, মাত্র ২ রানের। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা সাকিবের সেই কান্নাভেজা মুখ আজীবন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ট্র্যাজেডি হয়ে থাকবে। ৩ ফিফটিতে ২৩৭ রান আর ৬ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা খেলোয়াড় হয়েও দলের পরাজয় দেখতে হয়েছে তাকে। তবে তাঁর ভাল খেলার ক্ষুধা শেষ হয়নি।

সাকিবের ক্যারিয়ার বিতর্কের শিকার হয়েছে অনেকবার। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচে টেলিভিশন লাইভে অশালীন আচরণের কারণে বিসিবি কর্তৃক তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন। সেই সাথে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপের দুই ম্যাচ সেই নিষিদ্ধ হওয়া ম্যাচের তালিকায় ছিল। এর কয়েক মাস পর জুনে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্ট্যাডিয়ামে তার স্ত্রীকে বিরক্ত করার কারণে এক দর্শকের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। তার আগ্রাসী আচরণের কারণে তাকে ছয় মাসের জন্য সব ফরম্যাটের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করে বিসিবি। পরে অবশ্য সেটা তিন মাসে নেমে আসে।

মাঠে ব্যাট দিয়ে স্ট্যাম্পে আঘাত করা, ব্যাট ছুঁড়ে মারা কিংবা মাঠে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়া তার ক্ষেত্রে বহুবার ঘটেছে। কিন্তু আগ্রাসনই তার খেলার সহজাত ধরণ। একবার সাকিব নিজেই বলেছিলেন, অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। বলকে মেরে সীমানা ছাড়া করাই তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মূল মন্ত্র। যদিও সেই আগ্রাসী সাকিব এখন অনেকটাই শান্ত। শ্রীলংকার বিপক্ষে ১০০তম টেস্ট ম্যাচে জয়ে তার সেঞ্চুরি বড় ভুমিকা রেখেছে। শ্রীলংকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করার পিছনে রেখেছিলেন বড় ভূমিকা। এরপর মাশরাফি বিন মুর্তজা টি-টোয়েন্টি ছাড়ার ঘোষণা দিলে সাকিবকে অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতেই বুঝা যায় তার আরও পরিণত ক্রিকেটার হওয়ার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এমনকি সব ফরম্যাটেই ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে তাঁকেই ভাবা হয়।

সাকিব কিন্তু দারুণ ধারাবাহিক পারফর্মার। ব্যাটিংয়ে না পারলে বোলিং দিয়ে সেটা পুষিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তার আছে। পৃথিবীর এমন কোন ক্রিকেট পিচ নেই যেখানে তার বামহাতি অর্থোডক্স স্পিন কার্যকর নয়। তার বোলিংয়ের আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। ব্যাটসম্যানকে ‘রিড’ করার দারুণ ক্ষমতা আছে তার। নিজে ভাল ব্যাটসম্যান বলেই হয়তো ব্যাটসম্যানের সাইকোলজি খুব ভাল বুঝতে পারেন। নিজের দিনে ভয়ানক হয়ে উঠেন তিনি। তার মতো এমন আগ্রাসী প্রথম সারির অনেক খেলোয়াড় আছেন, আগেও ছিলেন। যেমন, বাংলাদেশের তামিম ইকবাল, ভারতের বিরাট কোহলি, হার্দিক পান্ডিয়া কিংবা ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস সেই ধরনের খেলোয়াড়, যারা আগ্রাসী মেজাজে খেলে অভ্যস্ত এবং এভাবে খেলে তারা সাফল্যও পাচ্ছেন। এর আগে শোয়েব আকতার, ইমরান খান, এন্ড্রু সাইমন্ডস, এন্ড্রু ফ্লিনটফরাও এমন ধারার খেলোয়াড় ছিলেন। আগ্রাসন ছিল তাদের নিজস্ব খেলার ধরণ। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে সাকিবের আগ্রাসী ব্যাটিং আর বোলিংয়ের কারণেই সাফল্য পেয়েছিল বাংলাদেশ। আবারও সেই আগ্রাসী সাকিব ফিরবেন কি না সেটা জানা যাবে কালকের ম্যাচেই। তবে এবার পরিণত আগ্রাসন দেখার আশা থাকবে সাকিবের কাছে ভক্তদের।

সাকিব এমন একজন খেলোয়াড় যিনি সেরাদের কাতারে থাকতে চান। বছরের পর বছর নিজেকে যেমন উন্নিত করেছেন আরও ভাল ক্রিকেটার হিসেবে, তেমনি আবার সেরা অলরাউন্ডারের তকমা অর্জন করেছেন ধারাবাহিকভাবে। এখনও সেই আসন ধরে রেখেছেন। নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে তার উন্নতিও চোখে পড়ার মতো। আর তাঁর মতো খেলোয়াড়ের টেস্ট থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে ফিরে আসা দলের জন্য বড় টনিকের মতো কাজ করবে। সব মিলিয়ে আসন্ন ওয়ানডেতে ফুরফুরে মেজাজের সাকিবকেই চাইবে বাংলাদেশ।

-মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক

Related Articles

ভারত, নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ

‘আমার আজেবাজে জিদ নেই’

‘চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছি’

কুমিল্লাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বিসিবির

পাইবাসকে চান না মুশফিক-সাকিব-মাশরাফি