SCORE

Breaking News

‘বাজে বল কাজে লাগাতে হবে’

Share Button

আদর্শ ব্যাটিং উইকেট পেয়েও দক্ষিণ আফ্রিকায় কাঙ্ক্ষিত রান ফোয়ারা নেই বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে। অথচ প্রোটিয়ারা মাঠে নামলেও রানের পর রান আসছে। এই সমস্যার পেছনে ডট বল খেলার মানসিকতাকে দায়ী করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক কেপলার ওয়েসেলস।

Kepler-Wessels

সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের রান না করতে পারা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন।

Also Read - দেশের বাইরে টাইগারদের বেশি ম্যাচ খেলার তাগিদ ম্যাকেঞ্জির

ওয়েসেলস বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের শটের অভাব নেই। ওরা প্রচুর শট খেলতে পারে। প্রায় সবাই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান। তারপরও দলের সংগ্রহ বড় না হওয়ার কারণ হল, ওরা অনেক ডট বল খেলে।’

বাংলাদেশ অন্য দলের মতো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারলেও দৌড়ে রান নেওয়ায় পিছিয়ে থাকায় ওয়েসেলস দেখছেন ব্যর্থতা। তিনি বলেন, ‘বাউন্ডারি অন্য যে কোনো দলের মতোই হাঁকাতে পারে। পিছিয়ে পড়ে সিঙ্গেলস-ডাবলস নিতে না পারায়।

তবে এজন্য ক্রিকেটারদের বলে বলে বাউন্ডারি হাঁকাতেও বলছেন না তিনি। তাঁর মতে, বাজে বলগুলো থেকে রান বের করে সেগুলো কাজে লাগানো উচিত।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটা বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর চেষ্টা করার দরকার নেই। বাজে বল অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। তবে অন্য বলে গ্যাপ বের করার চেষ্টা করতে হবে।’

রানের মধ্যে থেকে বোলারদের ছন্দ নষ্ট করা একজন ব্যাটসম্যানের বড় গুণ, যার অভাব রয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। কেপলার ওয়েলসেলসের মতে, এই ব্যাপারটিতে আনতে হবে পরিবর্তন। তিনি বলেন, ‘সফট হ্যান্ডে খেলে সিঙ্গেলস বের করে নিতে হবে। প্রান্ত বদল করে খেলতে হবে। সব সময়ই বোলারের ছন্দ নষ্ট করার চেষ্টা করে যেতে হবে।

চলমান দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে একদম নিষ্প্রভ বাংলাদেশের বোলিং ও ব্যাটিং লাইনআপ। বাউন্সি উইকেটে সুবিধা নিতে পারছেন না বোলার বা ব্যাটসম্যানদের কেউই। ফলে মাঠের খেলা ও ফলাফলেও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ইনিংসের অর্ধেকেরও বেশি বলে রান নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বান্ধব এতো বেশি ডট বল খেলায় স্বভাবতই বিষয়টি দৃষ্টিকটু লেগেছে অনেকের কাছে।

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম

Related Articles

ইনজুরির কারণে টি-২০ সিরিজে নেই ডু প্লেসিস

প্রোটিয়াদের মুখে খুশির ঝিলিক

সাকিবে ভরসা মাশরাফির

‘দেশের ক্রিকেটের জন্য বিপদসংকেত’

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩৭০