SCORE

Trending Now

মুস্তাফিজের ‘ফিজ’ হয়ে ফেরার অপেক্ষা

Share Button

এদেশের কোটি মানুষ তাকে ভালবেসে নাম দিয়েছে ‘কাটার মাস্টার’। মাশরাফি তাকে বলেন ‘ইউনিক’। অল্প ক’দিনেই জাতীয় দলের বড় ভরসার অপর নাম হয়ে উঠেছেন তিনি। তার দিনে ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করে। তার ‘কাটার’ জাদুতে হিমশিম খায় ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি’তে। তাইতো তাকে নিয়ে অযাচিত আলোচনা কিছু কিছু ক্ষেত্রে লাগামহীন মাতামাতিও হয়েছে। কিন্তু যেই ফর্ম খারাপ হতে শুরু হলো অমনি অনেকের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার বেলুন চুপসে গেলো। [আরো পড়ুনঃ “আমাদের টিমে টানাহেঁচড়া বেশি করা হয়”]

 

সম্প্রতি বেশ কয়েক ম্যাচে তাকে নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে দেখা গেছে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে মুস্তাফিজের ফর্মের আরও অবনতি ঘটেছে। কিন্তু তিনি ‘ফিজ’। অমিত সম্ভাবনা আর প্রতিভা নিয়ে যার শুরু এতো সহজে হারিয়ে যাবেন তিনি? মোটেই না। ‘ফিজ’ নামেই ব্যাপক পরিচিতি তার। বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের প্রিয় ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান ঠিকই ফিরে আসবেন নিজ চেহারায়। এমনি এমনি তো আর এদেশের মানুষ (যাদের কাছে ক্রিকেট দুর্নিবার ভালবাসার অপর নাম) তাকে ‘কাটার মাস্টার’ উপাধি দেয় নি।

Also Read - টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি লিটন-শুভাশিস-কায়েসের

ক’দিন পর থেকে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। তার আগে দুই টেস্টেই দলে ছিলেন ‘ফিজ’। মুস্তাফিজের প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দুই টেস্টের পরাজয় আর এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঘটনাবলি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিক প্রেন্স কনফারেন্সে এসে বোলারদের উপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন। বরং বলা ভাল পেসারদের উপর। দুই টেস্টেই পেসারদের বোলিংয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা। এখানে দেখার বিষয় দুই টেস্টেই টসে জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন মুশফিক (সেটা যে কারণেই হোক)। যার প্রভাব পড়েছিল বোলিং এবং ব্যাটিং দুই জায়গাতেই। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা যেন রানমেশিন হয়ে গেলেন। ১৪৬ ওভার ব্যাপী চললো তাদের রান উৎসব। প্রোটিয়া ওপেনার ডিন এলগার ১৯৯ ও হাশিম আমলা করলেন ১৩৭ রান।

পেসারদের উপর রীতিমত স্টিম রোলার চললো যেন। সবচেয়ে বেশি চাপটা গেলো মুস্তাফিজের উপর দিয়ে। ২৭ ওভারে ৯৮ রান খরচ করে মাত্র ১ উইকেট পেলেন তিনি। বাকি পেসারদের অবস্থাও ভাল না। তাসকিন ২৬ ওভারে ৮৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য। আর শফিউল ইসলাম ২৫ ওভারে ৭৪ রান দিয়ে ১ উইকেট। তবে সবচেয়ে বেশি ঝড় গেছে একমাত্র ভরসার স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের উপর দিয়ে। ৫৬ ওভারে ১৭৮ রান খরচ করেছেন তিনি। আবার দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা কার্যকর মুস্তাফিজ। যদিও চমক হয়ে এসেছিলেন মুমিনুল। মাত্র ৬ ওভার বল করে ২৭ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।

প্রথম ইনিংসে ৩২০ করে ফলোঅন এড়িয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না। কারণ, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তুলে ডিক্লেয়ার করে দেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। আর তারপরই ব্যাটিংয়ে নেমে তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। মাত্র ৯০ রানে অলআউট হয়ে ৩৩৩ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। মুস্তাফিজসহ সব পেসার এবং ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ।

পরের টেস্ট শুরুর আগেই আবার অধিনায়কত্ব নিয়ে বিতর্ক। আবারও টস কান্ড। আবারও প্রোটিয়াদের রান উৎসব। এবার মাত্র ১২০ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৭৩ রান করে ডিক্লেয়ার দিলেন ডু প্লেসিস। রানের বন্যা বইয়ে দিয়ে ৪ প্রোটিয়াস ব্যাটসম্যান করলেন সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরি অবশ্য বাংলাদেশের খেলোয়াড়দেরও হয়েছে। এখানেও ঠিক চারটাই। তবে রান খরচের ক্ষেত্রে। আর এবারও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভুমিকা পেসারদের। শুভাশিস রায়, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজ আর স্পিনার তাইজুল ইসলাম করেছেন রান দেওয়ার সেঞ্চুরি। পেসারদের মধ্যে একমাত্র মুস্তাফিজ উইকেট পাননি।

এবার ব্যাটিংয়ে ধস নামলো টাইগারদের। ১৪৭ রানেই গুটিয়ে গেলো। ফলোঅন করতে গিয়ে আবার ব্যাটিং ধস। ১৭২ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস এবং ২৫৪ রানের পরাজয়। চতুর্থ ইনিংস না হওয়ায় পেসারদের কিছু করার ছিলো না। কিন্তু যা হওয়ার তা প্রথম ইনিংসেই হয়ে গেছে। যেই পিচে রাবাদা দুর্দান্ত বোলিং করে ৫ উইকেট তুলে নিলেন, সেই ম্যাচেই বাংলাদেশের পেসাররা আবারও ব্যর্থ। মুস্তাফিজের জন্য এক ইনিংসে এতো রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকা নতুন অভিজ্ঞতা। কিন্তু ভাল নিশ্চয়ই নয়।

 

আসলে দুই টেস্টেই বাংলাদেশ এভাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করবে কেউ ভাবেনি। সাকিব ছিলেন না। দ্বিতীয় টেস্টে তামিমও ইনজুরিতে পড়ে অনুপস্থিত। তারপরও এমন হার মেনে নিতে কষ্ট হয়। যদিও এমন হার নতুন কিছু নয়। এ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ক্রিকেট ১১ জনের খেলা। সবাইকেই যার যার ভুমিকা পালন করতে হয়। হার-জিত তো খেলারই অংশ। তবে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দারুণ ফর্মে আছে। সদ্য সমাপ্ত আইসিসি চ্যাপিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনাল পর্যন্ত খেলে এসেছে। দলটি অনেকদিন থেকেই অনেক ধারাবাহিক ওয়ানডেতে। সরাসরি বিশ্বকাপ খেলাও নিশ্চিত করেছে। এই সাফল্যের পিছনে দারুন ভুমিকা রেখেছেন ‘ফিজ’। যদিও সাম্প্রতিক ইনজুরি তাকে কিছুটা অফ ফর্মে ঠেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিস্ময় বালক, বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল করে অতি অল্প সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ডাক পেলেন। মাত্র চার ওভারেই শহীদ আফ্রিদি আর মোহাম্মদ হাফিজের মত বাঘা বাঘা ক্রিকেটারদের আউট করে দিলেন মুস্তাফিজ। বাংলাদেশ প্রথমবারের মত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নেয়। তাও ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

 

২০১৫ সালের ১৮ জুন ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজের অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিজয় নিশ্চিত করেন, হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, ফাপ ডু প্লেসির মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়দেরও সেদিন ১৯ বছর বয়সী কম অভিজ্ঞ মুস্তাফিজুরের সামনে নিতান্তই অসহায় মনে হচ্ছিল। কেননা মুস্তাফিজের সেই দুর্বোধ্য কাটারকে বোঝা যে এক প্রকার অসম্ভবই মনে হচ্ছিলো। দ্বিতীয় দিনে আরও বিস্ময় ছড়ালেন। পেলেন ছয় উইকেট। গড়লেন অভিষেক ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের নতুন রেকর্ড। ব্রায়ান ভিটোরি’র পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট লাভের বিরল কীর্তিগাথা রচনা করেন মুস্তাফিজুর। এরপর দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ওয়ানডে সিরিজ জয়ে ভূমিকা রাখেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে মুস্তাফিজ নেন ৪ উইকেট। ড্র ম্যাচে জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। তিনিই পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় যিনি একই সাথে ওয়ানডে এবং টেস্ট দুই ক্ষেত্রেই অভিষেকেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। তার বিস্ময় বল ‘কাটার’এর উৎপত্তি ভারতের বিপক্ষে সিরিজ থেকেই। আর এই তরুণের অস্ত্রে ধরাশায়ী হয়েছিলো ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। বিশ্ব ক্রিকেটে আলোড়ন তুলে আগমন ঘটে বিস্ময় বালক মুস্তাফিজের। ভক্তরা ভালবেসে নাম দেয় ‘কাটার মাস্টার’।

ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত ২২ ম্যাচ খেলে ১৯.৮০ গড়ে ৪৪ উইকেট তার। অল্পদিনের ক্যারিয়ারেই তিনবার ৫ উইকেট করে পেয়েছেন তিনি। বিশ্বের ৪র্থ বোলার হিসেবে প্রথম দুই ওডিআইয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পান। অভিষিক্ত বছরেই ২০১৫ আইসিসি বর্ষসেরা ওয়ানডে দলেও অন্তর্ভুক্তি ঘটে এই ক্রিকেটারের। তাছাড়া ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আইসিসি ইমার্জিং ক্রিকেটারের ছকেও মুস্তাফিজ জায়গা করে নেন। যা এর আগে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার পায়নি। ২০১৬ সালের টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ খেলে ৯ উইকেট লাভ করেন।

আইপিএলেও অভিষেক টুর্নামেন্টে ১৫ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেন। এরপরই সেই হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির ছোবল। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেলেন হ্যামস্ট্রিংয়ে। সেই ইনজুরি এমনই ভোগালো তাকে যে ঘরের মাঠে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ মিস করলেন। যদিও তার জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়েছিলো। ভারতের মাটিতে প্রথম টেস্ট মিস করলেন। তবে শ্রীলংকার বিপক্ষে তাকে অনেকটা ফিরে আসতে দেখা গেলো। তিন ফরম্যাটের সিরিজেই সেখানে ড্র করলো বাংলাদেশ। সেখানেও ভাল করেছেন মুস্তাফিজ। ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর ম্যাচে দলের হয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট। দলের হয়ে জিতেছেন শততম টেস্ট ম্যাচও।

 

এরপর নিউজিল্যান্ড-আয়ারল্যান্ডের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সেরা পারফর্মার হলেন তিনি। কিন্তু এরপর আবার খেই হারালেন মুস্তাফিজ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ৪ ম্যাচে নিয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। গড় ১৮৩! ওয়ানডে ক্যারিয়ারে বোলিং ইকোনমি যেখানে পাঁচের কম, সেখানে এই টুর্নামেন্টে ওভার প্রতি ৬.৩১ গড়ে রান দিয়েছেন তিনি। তবে হতাশার বিষয়টা মোস্তাফিজের উইকেট না পাওয়া নয়। বরং তার বোলিংয়ে পুরনো চমকটা না থাকা। দুর্দান্ত কাটার আর স্লোয়ার প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন যিনি, তিনি কি না এতো সহজ হয়ে গেলেন ব্যাটসম্যানদের কাছে! সবমিলিয়ে ‘ফিজ’ প্রচন্ড চাপে।

আবার চলতি বছর সেপ্টেম্বরে অজিদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ে রাখলেন দারুণ ভুমিকা। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিলেন ৫ উইকেট। তবে পরের টেস্টে উইকেট শূন্য। এমন চরাই-উতরাই ক্রিকেটারদের জীবনে আসবেই। সাম্প্রতিক বাজে ফর্ম সত্ত্বেও আইসিসির ওয়ানডে বোলাদের র‍্যাংকিংয়ে তার বর্তমান অবস্থান ২৭। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অষ্টম আইকন খেলোয়াড় তিনি। ফলে কয়েক ম্যাচ দিয়েই কাউকে বিচার করে ফেলা সম্ভব না।

অনেকে মনে করেন ‘ফিজ’ নাকি তার ‘কাটার’ নামক অস্ত্রের ধার হারিয়ে ফেলেছেন। কারও দাবী তার এই তুরুপের তাস ব্যাটসম্যানদের কাছে ‘রিড’ করা সহজ হয়ে গেছে। আসলে কতো সহজে বলে দিচ্ছি আমরা! একজন বোলার কি শুধু একধরনের বল করেই সফল হতে পারে? এতোটা পথ পাড়ি দিয়েছেন শুধু ‘কাটার’ দিয়েই? না, তবে ‘কাটারে’র বিশাল ভুমিকা অবশ্যই ছিল। কিন্তু এছাড়াও মুস্তাফিজের সামর্থ্য কমে গেছে বলার সুযোগ নেই। মোস্তাফিজের কাটার উপমহাদেশের বাইরে ততোটা কার্যকর নয়। মুস্তাফিজ নিজেই তা স্বীকার করেছেন। তবে আরো উন্নতি করার চেষ্টাও করছেন বলে ভক্তদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি। নতুন কোনো বোলিং ‘মারণাস্ত্র’ খুঁজে বের করবেন হয়তো। টাইগারদের পেস আক্রমণের বহুদিনের দৈন্য দশার সমাপ্তি ঘটার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল তার বোলিংয়ে।

তাকে টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তাকে শুধু ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি দলে খেলানোর কথাও উঠেছে। ওয়ানডেতে দলের অবস্থানও ভাল। আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে টেস্ট দল থেকে ওয়ানডে দলে বেশ কিছু পরিবর্তন হবে। সাকিব-তামিম-মাশরাফির যুক্ত হওয়া দলের শক্তি বৃদ্ধি করবে। ‘ফিজ’ নিজেও নিশ্চই নিজের সেরা ফর্মে ফিরতে উদগ্রীব। একসময় খেলার ধারায় খারাপ সময় সবারই যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কোন মধুচন্দ্রিমা নয়।

ফর্ম সাময়িক, প্রতিভা আজীবন থাকে। আর মুস্তাফিজের মতো প্রতিভা যেদিন ফর্মে ফিরবেন, সেদিন পূর্ণতা পাবে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ। অপেক্ষা শুধু কবে ‘ফিজ’ জ্বলে উঠবেন সেদিনের।

 

-মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক

Related Articles

দুশ্চিন্তার নাম কিম্বার্লির বাতাস

‘উঁচু মান বজায় রেখেই খেলেছি’

পাকিস্তান পৌঁছেছে বিশ্ব একাদশ

বাবা হলেন ডু প্লেসিস