SCORE

Breaking News

সমস্যা হচ্ছে মানসিকতায়ঃ নান্নু

Share Button

ব্যাটিং-বান্ধব উইকেট পেয়েও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের রান নিতে যেন রাজ্যের অনীহা। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে রানের পাল্লায় পেরে উঠছে না বাংলাদেশ, জুটছে বড় ব্যবধানের পরাজয়। গত কয়েকদিন ধরেই বিষয়টি রয়েছে আলোচনায়।

আমাদের ফাস্ট বোলাররা বিশ্বমানেরঃ নান্নু

তবে এমন সমস্যার পেছনে ব্যাটসম্যানদের স্কিলে কোনো সমস্যা দেখছেন না জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, বর্তমান প্রধান নির্বাচক ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টাইগারদের ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তাঁর মতে, সমস্যাটা মানসিকতায়।

Also Read - 'বাজে বল কাজে লাগাতে হবে'

তিনি বলেন, ‘ওদের স্কিলে কিন্তু কোনো সমস্যা নেই। এক-দুই রান নিয়ে খেলতে পারে না এমন নয়। সমস্যা হচ্ছে মানসিকতায়। যদি এক-দুই রানের দিকে মনোযোগ বাড়ায় তাহলে কিন্তু রানের চাকা সচল থাকে, আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।’

অনেক ডটের কারণে বাংলাদেশের স্কোর বড় হচ্ছে না, অনেকের মতো এটি স্বীকার করেছেন নান্নুও। তিনি বলেন, ‘ওভারে একটা বাউন্ডারির সঙ্গে দুই-তিনটা এক-দুই রান দলকে খুব দ্রুত এগিয়ে নিতে পারে। এভাবে খেললে খুব একটা ঝুঁকিও নিতে হয় না। দুই ম্যাচেই অনেক বল আমরা ডট দিয়েছি। এটাই দেখায় কোথায় আমাদের ঘাটতি রয়েছে। তার জন্যই দলের সংগ্রহ বড় হয়নি।’

অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ব্যাটিং লাইনআপ বাংলাদেশের নেই। টাইগারদের বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানকেই শিক্ষানবিশ বলা চলে। এই সীমাবদ্ধতা মেখেই ভালো করার সামর্থ্যের কথা জানালেন নান্নু, ‘এটা সত্যি আমাদের দলে ডি ভিলিয়ার্স মানের কোনো ব্যাটসম্যান নেই। পৃথিবীর সব দলেই তার মানের একজন ব্যাটসম্যানের অভাব রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি ৬-৭ উইকেট নিয়ে শেষ ১০ ওভারে যেতে পারি আমাদেরও একশ রান তোলার সামর্থ্য আছে। সাব্বির, মাহমুদউল্লাহর তেমন শট খেলার সামর্থ্য আছে।’

নান্নু বলেন, ‘যদি ২০-৩০ রানের ইনিংসগুলো আমরা ৬০-৭০ করি সাথে যদি একজন ৮০-১০০ করে তাহলে আমাদের রানটাও অনেক বড় হয়ে যাবে। একই সঙ্গে আমরা খেলোয়াড়রাও শিখবে, এই কন্ডিশনে কিভাবে রান করতে হয়। যদি এভাবে হয় তাহলে খুব ভালো। ২০-৩০ নিজের জন্য যথেষ্ট নয়, দলের জন্য যথেষ্ট নয়।

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম

Related Articles

ইনজুরির কারণে টি-২০ সিরিজে নেই ডু প্লেসিস

প্রোটিয়াদের মুখে খুশির ঝিলিক

সাকিবে ভরসা মাশরাফির

‘দেশের ক্রিকেটের জন্য বিপদসংকেত’

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩৭০