SCORE

Trending Now

‘টাইগার’ মাশরাফির বর্ণিল ১৬ বছর

Share Button

মুক্তিযোদ্ধারা যদি পায়ে গুলি নিয়ে যুদ্ধ করতে পারে আমি কেন সামান্য সার্জারি নিয়ে বোলিং করতে পারব না।

– হাঁটুতে শত কাঁটাছেড়া নিয়ে ক্রিকেট মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো টাইগারমাশরাফির উক্তি

সালটা ২০০১। নভেম্বরের ৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নামছে টেস্ট ক্রিকেটের নবীন সদস্য বাংলাদেশ। সেসময় দুর্বল ব্যাটিং আর বোলিং নিয়ে ভুগছে বাংলাদেশ দল। বোলিং বিভাগে সাদা পোশাকে  অভিষেক হলো নড়াইলের এক তরুণের। ম্যাচটি ড্র হলেও ৩.৩১ ইকোনমি রেটে প্রথম ইনিংসে মাশরাফি নিজের ঝুলিতে যোগ করেন ৪ উইকেট। নখদন্তহীন এক বোলিং আক্রমণে গতি, সুইং আর বাউন্সের মিশেলে আগ্রাসী এক তরুণ পেসার থেকে জাতীয় দলের সাহসী ও দুর্দান্ত সফল এক অধিনায়কে পরিণত হয়ে দলকে ‘টাইগার’ তকমা এনে দেওয়া সেই তরুণ মাশরাফির ক্যারিয়ারের আজ (৮ নভেম্বর ) ১৬ বছর পূর্ণ হলো। পা দিলেন ১৭ বছরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সময় প্রতিনিধিত্ব করা মাশরাফিকে এদেশের মানুষ দিয়েছে অবারিত ভালবাসা।
মাইলফলকের সামনে মাশরাফি

Also Read - তাসকিন জাদুতে জয় পেলো চিটাগং ভাইকিংস

মাশরাফির শুরুটা আরও আগে থেকে। ২০০১ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়া কাপে কুয়েতের বিপক্ষে ২৭ বলে ৭৩ রানের একটি ইনিংস খেলে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তখনকার তরুণ মাশরাফি। পাদপ্রদীপের আলোয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আসলেও তার পরিচয় মূলত পেসার হিসেবেই। বিকেএসপিতে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্যাম্পে অস্থায়ী বোলিং কোচ হিসেবে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী অ্যান্ডি রবার্টস তাকে নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেছিলেন। আর তারপর ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এগিয়ে গেছেন দুর্বার গতিতে। হয়ে উঠেছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।

সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোরের আদরের ‘পাগলা’ ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো সার্জনের ছুরির নিচে যান ম্যাশ। নিউজিল্যান্ড সফর থেকে বয়ে বেড়ানো ডান হাঁটুর সমস্যা তার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলে। টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তে এক প্রকার বাধ্য হয়ে সার্জিক্যাল টেপ পেচানো চোটাগ্রস্থ পা নিয়েই ম্যাচে খেলতে হয়েছিল মাশরাফিকে। ২০০৩ সালে আবারও একই কাহিনী। মুলতানে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটি খেলতে পারেননি যেখানে বাংলাদেশ মাত্র এক রানের যন্ত্রণাদায়ক পরাজয় বরণ করে।

এরপর দুর্ভাগা মাশরাফি দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপের মাঝপথে আবারো ইনজুরির শিকার হন। ওই বছরের অক্টোবরে ২ টেস্ট ও ৩ ওয়ানডে খেলার জন্য বাংলাদেশে পা রাখে ইংল্যান্ড। ওই সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বোলিং করে ফলো থ্রু থেকে ছিটকে গিয়ে বল ঠেকাতে গেলে মাশরাফির হাঁটু মোচড়ে যায়। ওই ম্যাচেই ক্যারিয়ার সেরা ৬০ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন মাশরাফি।

২০০৪ সালেও ইনজুরির কারণে অনেকদিন মাঠের বাইরে থাকেন ম্যাশ। কিন্তু ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে প্রথম জয়ের দিনে ( সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে) বল হাতে ৯-২-৩৬-২, আর ব্যাট হাতে ৩৯ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচ সেরাও হন। ২০০৫ সালে ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট ও প্রথম সিরিজ জয়েও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচে ৯ উইকেট এবং ৯৩ রান করে বাংলাদেশের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মাশরাফি। সেইসাথে একই বছর আশরাফুলের সেঞ্চুরিতে কার্ডিফে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক যে জয়টি পায় সেই জয়ে মাশরাফির ১০-২-৩৩-১ বোলিং স্পেল ছিল অন্যতম নিয়ামক।

বিপিএল দিয়ে দুঃসময় কাটানোর প্রত্যাশায় মাশরাফি

২০০৬ সালে ২৭ ওয়ানডেতে ৪৯ উইকেট সংগ্রহ করে ২০০৬ সালে সকল বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির মালিক হন মাশরাফি। ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ভারতকে পাঁচ উইকেটে হারানোর ম্যাচের ঠিক আগের দিন ১৬ মার্চ সড়ক দুর্ঘটনায় নিজের প্রিয় বন্ধু ও জাতীয় দলের সতীর্থ মানজারুল ইসলাম রানাকে হারিয়ে কষ্ট বুকে চেপে জয় ছিনিয়ে আনেন মাশরাফি।  মাশরাফির ৯.৩-২-৩৮-৪ এর বিধ্বংসী বোলিং স্পেলে ভারতের শক্তিশালি ব্যাটিং লাইন আপ ধসে অলআউট হয়ে যায় মাত্র ১৯১ রানে।

২০০৮ সালে অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন মাশরাফি। ঘরের মাঠে ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মত ওয়ানডে জয়ের পরপরই এই দায়িত্ব পান তিনি। ওই ম্যাচে ১০-৩-৪৪-৪ বোলিং ফিগার নিয়ে প্রায় একাই ধসিয়ে দেন নিউজিল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে এক টেস্ট খেলেই দেশের বিমান ধরতে হয় ইনজুরিরই কারণে। দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের সেই সফরে অধিনায়ক হন সাকিব আল হাসান। তবে দমে যাওয়ার মানুষ মাশরাফি নন। ইনজুরি থেকে ফিরেই পুনরায় অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন। ২০১০ সালে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে প্রথমবারের মত তাদের মাটিতে ওয়ানডে ম্যাচে পরাজিত করে। এই ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচও নির্বাচিত হন অধিনায়ক মাশরাফি।

ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ তে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। যদিও ইনজুরি তাকে প্রথম ম্যাচের পরই ছিটকে দেয় দল থেকে। তবে মাশরাফির জীবনে সবচেয়ে বড় কষ্ট দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে না খেলতে পারা। ২০১১ সালে ইনজুরির কারণে পুরো বছরই মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। তার বদলে অধিনায়কত্ব করা সাকিবের অধীনে প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ। ২০১২ সালে দেশের মাটিতে এশিয়া কাপে আবার দলে ফিরেন তিনি। তবে অধিনায়ক হিসেবে নন। তবে দল ফাইনালে উঠার পিছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সকে ২০১২ ও ২০১৩ মৌসুমের শিরোপা জিতিয়ে আবারও ইনজুরিতে পড়েন তিনি। ২০১৪ সালে আবার জাতীয় দলের সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক হন তিনি। তার নেতৃত্বে জিম্বাবুয়েকে দুই ফরম্যাট মিলিয়ে ৮-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ মাশরাফির অধীনে প্রথমবারের মত কোন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়। ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে ম্যাচটি জেতার পর মাশরাফি তার দুহাত মেলে শুয়ে পড়েন মাঠের সবুজ গালিচায়, বাকি খেলোয়াড়রা তাকে ঘিরে তখন অদ্ভুত নাচে মত্ত। আর তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদের সাথে বিখ্যাত সেই উদযাপন যা এখনও তাদের সিগনেচার উদযাপন হয়ে আছে।

'পীরবাবা' মাশরাফি!

পরবর্তীতে তার নেতৃত্বে ঘরের মাঠে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের রকেট বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় খেলায় ২ উইকেট সংগ্রহের মাধ্যমে মোট ২১৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারী হিসাবে তুলে ধরেন নিজেকে। ২০১৭ সালে ৬ই এপ্রিল বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা সিরিজের শেষ টি২০ দিয়ে আন্তর্জাতিক টি২০ খেলা থেকে অবসর নেন। ম্যাশের অধীনে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠে বাংলাদেশ।

টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩৬টি ম্যাচ খেলেছেন মাশরাফি। নিয়েছেন ৭৮টি উইকেট। গড় ৪১.৫২, ইকনোমি রেট ৩.২৪ করে। রান করেছেন ৭৯৭। ওয়ানডে খেলেছেন ১৮২ ম্যাচ। উইকেট শিকার করেছেন ২৩২টি। রান করেছেন ১৬০৪। সেরা বোলিং ফিগার ২৬ রানে ৬ উইকেট। আর টি-টোয়েন্টিতে ৫৪ ম্যাচ থেকে নিয়েছেন ৪২টি উইকেট। রান করেছেন ৩৭৭।

এতো এতো পরিসংখ্যান দেখেও মাশরাফিকে অনুধাবন করা সম্ভব না। মাঠে বুক চিতিয়ে লড়াই করার শক্তি তার কাছ থেকেই পান ক্রিকেটাররা। আমি শেরে বাংলা একে ফজলুল হককে দেখি নি, মাশরাফি ভাইকে দেখেছি– জাতীয় ক্রিকেট দলের তরুণ খেলোয়াড় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের এই কথায় অনেকটা বুঝা যায় দলে মাশরাফির ভূমিকা কতোটা। আগের সেই গতি, বাউন্স আর নেই, তবে যে সাহস আর অনুপ্রেরণা পাওয়া যায় তার কাছ থেকে সেটাই তরুণ খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করে। আজকের এই বিশেষ দিনেও মাঠ মাতাতে নামছেন ম্যাশ। বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরে রংপুর রাইডার্সের জার্সি গায়ে খেলছেন তিনি।

ক্যারিয়ারে বহুবার ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছেন ম্যাশ। শল্য চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের জন্য গিয়েছেন বহুবার। সবশেষ অস্ত্রোপচারের সময় মাশরাফির অস্ট্রেলীয় শল্য চিকিৎসক ডেভিড ইয়াং তো রাখঢাক না করে সরাসরি বলেই দিয়েছিলেন, আর একবার অস্ত্রোপচার হলে ম্যাশ চিরদিনের জন্য পঙ্গুও হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু অদম্য মাশরাফির উত্তর, ‘দেশের হয়ে খেলতে খেলতে যদি আমি মারাও যাই তবু খেলা বন্ধ করতে পারব না।

দুই হাঁটুতে সাত-সাতটি অস্ত্রোপচার সত্ত্বেও ক্রিকেট মাঠের লড়াকু সৈনিক বা যোদ্ধা ম্যাশের অধীনে বাংলাদেশ পেয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটে সম্মানজনক উচ্চতা। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়েও সেটার প্রতিফলন দেখা গেছে। মাশরাফি মানে অন্যকিছু। মাশরাফি মানেই উজ্জীবিত এক দল, মাশরাফি মানেই ভেঙে না পড়ে পাল্টা আক্রমণ, মাশরাফি মানেই পুরো দলকে একসুঁতোয় বেঁধে ফেলা, যিনি দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের কাছে এক অনুকরণীয় আইডল। মাশরাফিকে নিয়ে বিশ্বের বাঘা বাঘা ক্রিকেট তারকারা কি বলেছিলেন সেদিকে একটু নজর বুলিয়ে আসা যাক-

আমার দুর্ভাগ্য, আমি মাশরাফির সাথে এক টিমে খেলতে পারিনি, ক্যারিবীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তী ব্রায়ান লারার উক্তি এটি।

অধিনায়ক তো অনেকেই আছেন, মা আছেন কয়জন?“, মাশরাফির অধিনায়কত্ব নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক উইকেটকিপার এডাম গিলক্রিস্টের উক্তি।

আমার সৌভাগ্য, আমাকে কোনোদিন মাশরাফির বল মোকাবেলা করতে হয় নি“, ক্যারিবীয় গ্রেট স্যার ভিভ রিচার্ডস বলেছিলেন।

তোমরা আমাকে একজন মাশরাফি দাও, আমি তোমাদের এগারোটা সোনার টুকরো” (ক্রিকেটার) উপহার দিবো“- সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক শন পোলক।

নেতা, মানুষ আর খেলোয়াড় এই ৩টি শব্দ যোগ করলে মাশরাফির মতো কোনো ক্রিকেটার এর আগে কোনোদিন ক্রিকেটবিশ্ব দেখে নি– সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক নাসের হোসাইন।

জীবন মানেই ক্রিকেট ম্যাচ নয়। জীবন মানেই আপনি কয়টা উইকেট পেলেন আবার কতো বলে কতো রান করলেন সেই হিসেব নয়। আপনি কত বড় সুপারস্টার হলেন সেটাও নয়। এক পর্যায়ে এসবের কোনো মূল্যই থাকবে না। আমি মনে করি আপনি কাউকে ভালোবাসছেন আবার কেউ আপনাকে ভালোবাসছেএটাই হলো জীবন। আমি এভাবেই জীবনটাকে দেখি, মাশরাফির নিজের জীবন দর্শন এটি। এমন ভাবনা তাঁকেই মানায়।

এই উক্তিগুলো যাকে নিয়ে করা তার সম্পর্কে এর চেয়ে ভাল তেমন কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না। একজন প্রকৃত দলনেতা যিনি নিজ হাতে পুরো দল সামলে গেছেন বছরের পর বছর। ক্রিকেটাররা নন , চিকিৎসক শ্রমিক কৃষকরাই হচ্ছেন প্রকৃত তারকা যতোই বলুন মাশরাফি, আপনিই আমাদের সবচেয়ে বড় তারকা।

কোটি মানুষের হৃদয়ের কাছের মানুষ। আপনার হাঁটুর ব্যথায় কাতরানোর দৃশ্য সইতে না পেরে অশ্রু ঝরে কোটি ভক্তের চোখ বেয়ে। টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায়ের দিন কেঁদেছে পুরো দেশ। আপনি জানেন আপনাকে এদেশের মানুষ কতো ভালবাসে। মাঠে আপনার উপস্থিতি জয়ের উদ্যম এনে দেয়, সাহস যোগায়। এমন অধিনায়ক, এমন সাহসী যোদ্ধা, এমন নেতা পৃথিবীর বুকে বিরল। এদেশের ক্রিকেটকে অনেক অর্জন এনে দিয়েছেন। কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করি মাশরাফির ক্যারিয়ারের ১৬টি বছর।

আরো পড়ুনঃ তাসকিন জাদুতে জয় পেলো চিটাগং ভাইকিংস

-মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক

Related Articles

মুস্তাফিজের ‘ফিজ’ হয়ে ফেরার অপেক্ষা

মুশফিক কিন্তু ওয়ানডে দলেও আছেন!

টাইগারদের ‘ক্যাঙ্গারু-বধ কাব্য

যেখানে যেমন মুশফিক

অনন্য সাকিব, অদম্য সাকিব