SCORE

Breaking News

ধীর ব্যাটিংকেই দুষছেন মুশফিক

Share Button

প্রথম দুই ম্যাচে পরাজয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছিল রাজশাহী কিংস। রাজশাহীর সমর্থকরা ভেবেছিলেন, এই বুঝি ঘুরে দাঁড়াল দল। তবে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন দল চতুর্থ ম্যাচে এসে হোঁচট খেয়েছে আবার। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে ড্যারেন স্যামিরা রোববার রাতে হেরে বসেছেন ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

নিজ বিভাগের হয়ে খেলাকে মায়ের রান্নার সাথে মুশফিকের তুলনা

রাজশাহী মূলত ম্যাচ হেরে গেছে প্রথম ইনিংসেই। হাতে তিনটি উইকেট রেখেও নির্ধারিত ২০ ওভারে সংগ্রহ ১১৫! এমন মামুলী লক্ষ্য পূরণে কোনো বেগই পেতে হয়নি মোহাম্মদ নবীর দলকে। খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহীর প্রতিনিধি হয়ে আসা মুশফিকও দোষারোপ করলেন দলের ব্যাটিংকে।

Also Read - হাথুরুসিংহের সিদ্ধান্তে মুশফিকও বিস্মিত

ব্যাটিং ব্যর্থতায় আগে থেকেই ব্যাকফুটে চলে যাওয়ায় বোলারদের দোষ খুঁজে পাচ্ছেন না রাজশাহী কিংসের এই আইকন ক্রিকেটার, ‘আমি মনে করি বোলাররা চেষ্টা করেছেন তাই তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। পর্যাপ্ত রান আমাদের ব্যাটসম্যানরা নিতে পারেনি। অবশ্যই আমাদের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিলো।’

মুশফিকের মতে, ৪০ রানের মাথায় লেন্ডল সিমন্সের অনাহূত ইনজুরিই রাজশাহীর বড় স্কোরের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের শুরুটা খারাপ হয়নি। তবে যে মোমেন্টামটা আমরা সঙ্গে নিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যাচ্ছিলাম তখন লেন্ডল সিমন্সের ইনজুরিটা আমাদের সেখান থেকে ছিটকে দিয়েছে। নতুন দু’জন ব্যাটসম্যানকে নামতে হয়েছে।

সিমন্স রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে বিদায় নেওয়ার পর দলের হাল ধরতে পারেননি আর কেউ। শেষদিকে ফরহাদ রেজার ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ রান, তবে সেটি ত্রিশ-ত্রিশটি বল মোকাবেলা করে! মুশফিক অকপটে স্বীকার করলেন, ১১৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়া জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না মোটেও। রাজশাহী তাই কার্যত ম্যাচ হেরে গেছে অমন দৃষ্টিকটু ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরই।

মুশফিক বলেন, নতুনদের শুরু করা ততোটা সহজ নয়। কিন্তু আমাদের ব্যাটসম্যানের পক্ষ থেকে যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। আমি মনে করি যে রান আমরা করেছি সেটি জেতার জন্য যথেষ্ট না।

আরও পড়ুনঃ গেইল-ম্যাককালামের অপেক্ষায় রংপুর

Related Articles

রশিদের পরিবর্তে কুমিল্লায় তরুণ আফগান মুজিব

চিটাগংয়ের বিপক্ষে খেলা না থাকায় ‘ভাগ্যবান’ তামিম

শীর্ষে থেকেই ঢাকা পর্ব শেষ কুমিল্লার

লিটনকে তামিমের উপদেশ

ঢাকাকে ৪ উইকেটে হারালো কুমিল্লা