SCORE

Breaking News

সিমন্সের প্রশংসায় মুমিনুল

Share Button

বিপিএল টি-টোয়েন্টির ৫ম আসরে একাদশে ৫ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর বৈধতা মেলাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো দলে নামীদামী ক্রিকেটার ভিড়িয়েছে। যার কারণে একাদশ সাজাতেও হিমশিম খেতে হয় টিম ম্যানেজমেন্টের। বিপিএলের এবারের আসরে প্রথম দুই ম্যাচে একই বিদেশি ক্রিকেটারদের নিয়েও মাঠে নামলেও পরিবর্তন এসেছে তৃতীয় ম্যাচে।

সিমন্সের প্রশংসায় মুমিনুল

ঢাকা ডাইনামাইটসের বিপক্ষে অর্ধশতক হাঁকানো লুক রাইট ছিলেন না এই ম্যাচে। ইনজুরির কারণে থাকতে হয়েছে মাঠের বাইরে। তাছাড়াও দলে ছিলেন না ড্যারেন স্যামি ও সামিত প্যাটেল। স্যামির অনুপস্থিতে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিলো মুশফিকুর রহিমের উপর।

Also Read - স্ট্রাইক রেট বাড়ানোই প্রধান লক্ষ্য মুমিনুলের

এতো বিদেশিদের ভিড়ে দলে জায়গা পাওয়া কষ্টকর হলেও গত ম্যাচে ফিফটি করা রাইটের বদলি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন লেন্ডল সিমন্স। বিপিএলে দলের প্রথম জয়ে ব্যাট হাতে বড় অবদান রেখেছেন এই ওপেনার। দলের আরেক ওপেনার মুমিনুলকে সাথে নিয়ে জয়ের কাজটা সহজ করে দেন সিমন্স।

সিলেট পর্ব শেষ করে ঢাকা পর্বের প্রথম ম্যাচে স্লো উইকেটেই খেলা হয়েছিলো। এমন উইকেটে নিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করাতে তাকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন মুমিনুল। ব্যাট হাতে ৫০ বলে ৫৩ রান করে দলের জয়ের কাজটা আরো সহজ হয়ে যায়। ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও একটি ছয়।

মিরপুরের স্লো উইকেটে বিদেশি ক্রিকেটারদের মানিয়ে নিতেও একটু অস্ময় লাগবে মনে করেন মুমিনুল। ভিন্ন কন্ডিশন থেকে এসে এমন উইকেটে খেলা বিদেশিদের জন্য অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং। তাছাড়াও এমন উইকেটে বিপিএলে রান করাটা কঠিন মনে করছেন মুমিনুল।

“সিমন্স ভালো খেলেছে। অবশ্যই ওদের জন্য একটু সময় লাগবে। কারণ ওরা খেলে অন্য দেশের হয়ে। ওদের উইকেট আলদা এবং আমাদের উইকেট অন্যরকম। বাংলাদেশের মাঠ গুলোর মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে কঠিন উইকেট মনে হয় মিরপুরের উইকেট; বিশেষ করে বিপিএলে রান করার ক্ষেত্রে। আমার মনে হয় এইজন্যই ও একটু সময় নিয়েছে।”

মূলত উইকেটের সুবিধা নিতে পেরেছে বলেই সাফল্য এসেছে দলের। টস হেরে ফিল্ডিং পাওয়াতে তাদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন মুমিনুল। তাছাড়া উইকেটের পুরোপুরি সুবিধা নিতে পেরেছে রাজশাহী বিশেষ করে বোলিংয়ে। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানান মুমিনুল হক।

“মাশরাফি ভাই যেটা বলছে, আমার কাছে সেটা ঠিক মনে হয়। মিরপুরের উইকেটে, প্রথমে বোলিং করলে, প্রথম ৫-৬ ওভার সাহায্য পাওয়া যায়; যেটা কিনা আমরা নিতে পেরেছি। আমরা যখন ব্যাটিং করেছি তখন পুরো উইকেট ফ্লাট হয়ে গিয়েছিল এবং আমরা সেটির সঠিক ব্যবহার করতে পেরেছি।”

আরো পড়ুনঃ স্ট্রাইক রেট বাড়ানোই প্রধান লক্ষ্য মুমিনুলের

Related Articles

রংপুরকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে খুলনা

মুশফিককে হটিয়ে শীর্ষে রিয়াদ

রংপুরের বিপক্ষে বাড়তি পরিকল্পনা নেই খুলনার

বিপিএল মাতাতে প্রস্তুত মুস্তাফিজ

বিপিএলে আধিপত্য দেশি পেসারদের