SCORE

সর্বশেষ

সিক্সার্সের পরাজয়ে শেষ হল বিপিএলের সিলেট পর্ব

টানা তিন ম্যাচ জেতার পর খুলনা টাইটান্সের কাছে ৬ উইকেটে হেরে গেছে সিলেট সিক্সার্স। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ইতি ঘটেছে বিপিএলের সিলেট পর্বের, যা শুরু হয়েছিল গত ৪ নভেম্বর। পঞ্চম বিপিএলের উদ্বোধনী মাঠ ছেড়ে এবার বিপিএল ফিরবে ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুরে।

সিলেটের পরাজয়ে শেষ হল বিপিএলের সিলেট পর্ব

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বরাবরের মতো এই ম্যাচেও দলকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন উপুল থারাঙ্গা। চার মেরে ইনিংসের শুরু; আগের তিন ম্যাচেই ফিফটি হাঁকানো শ্রীলঙ্কান ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন আরও এক বড় ইনিংসের। তবে উদ্বোধনী সঙ্গী আন্দ্রে ফ্লেচারকে হারিয়ে যেন কিছুটা মনোবল হারিয়ে ফেলেন তিনিও। থারাঙ্গা থাকা অবস্থায়ই সাজঘরের পথ ধরেন সিলেট সিক্সার্সের আইকন ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। বিপদ আঁচ করতে পেরে দেখেশুনে খেলতে থাকেন থারাঙ্গা। স্বদেশী দানুশকা গুনাথিলাকাকে নিয়ে খেলছিলেন স্ট্রাইকরেট ১০০-র কাছাকাছি রেখে।

Also Read - বাড়াবাড়ি না করার অনুরোধ মাশরাফির

দুজনে উইকেটে থাকতে পারলে রানরেট বাড়াতে পারতেন; তবে দুজনই ফিরলেন বিধ্বংসী হওয়ার আগেই। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে থারাঙ্গার সংগ্রহ ২৪ বলে ২৬, গুনাথিলাকার ২৫ বলে ২৬। ধীর শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে এরপর হাল ধরেন অধিনায়ক নাসির হোসেন।

নাসিরের সঙ্গ পেয়ে বিপর্যয় সামাল দিচ্ছিলেন রস হোয়াইটলিও। তবে খুলনা টাইটান্সের আঁটসাঁট বোলিংয়ে রান তোলার গতি বাড়ছিল না। শেষ পর্যন্ত পাঁচ-পাঁচটি উইকেট হাতে রেখেও নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেট সিক্সার্স সংগ্রহ করে মাত্র ১৩৫ রান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন নাসির। ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন হোয়াইটলি। খুলনার পক্ষে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং জফরা আর্চার দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নামা খুলনার লক্ষ্যটাকে ছোটই মনে হচ্ছিল। কিন্তু সিলেটের বোলাররা শুরুতে আক্রমণাত্মক বোলিং করে ফাঁদে ফেলেন খুলনাকেও। দলীয় স্কোর ২০ পেরোনোর আগেই সাজঘরে দুই ওপেনার।

এরপর দলের হাল ধরেন মাইকেল ক্লিঙ্গার। রিলি রুশো ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে গড়েন ছোট কিন্তু কার্যকরী দুটি জুটি। এই দুজনের বিদায়ের পর তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন কার্লোস ব্রাফেট। মাহমুদউল্লাহ ও রুশোর ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ২৭ ও ১৯ রান।

শেষদিকে ম্যাচে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়নি ব্রাফেটের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কারণেই। ক্লিঙ্গার ৪৭ ও ব্রাফেট ২৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে এনে দেন আসরের প্রথম জয়।

সিলেটের পক্ষে তাইজুল ইসলাম একাই শিকার করেন তিনটি উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস- খুলনা টাইটান্স

সিলেট সিক্সার্স- ১৩৫/৫ (২০ ওভার); নাসির ৪৭*, হোয়াইটলি ২৭; মাহমুদউল্লাহ ১২/২, আর্চার ২৫/২

খুলনা টাইটান্স-  ১৩৮/৪ (১৮ ওভার); ক্লিঙ্গার ৪৭*, মাহমুদউল্লাহ ২৭; তাইজুল ১৯/৩

ফল- খুলনা টাইটান্স ৬ উইকেটে জয়ী 

আরও পড়ুনঃ ‘প্রপার বোলিংয়ের এখনও ৫০ ভাগ বাকি’

Related Articles

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও মুস্তাফিজের সেতু তবে মাহেলাই!

‘বিপিএল খেললে নিজের লেভেলটা বোঝা যায়’

বিশ্বকাপে ভালো করার প্রত্যাশা ধ্রুব’র

‘সুযোগ পেলে জায়গা ছাড়বো না’

রাহীর লক্ষ্য এখন জাতীয় দল