SCORE

Trending Now

স্ট্রাইক রেট বাড়ানোই প্রধান লক্ষ্য মুমিনুলের

Share Button

বিপিএল টি-টোয়েন্টির ৫ম আসরে হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে প্রথম জয় পেয়েছে রাজশাহী কিংস। দলের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি ইনজুরিতে থাকায় অধিনায়কত্বের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। তার নেতৃত্বে বিপিএলে প্রথম জয় পায় রাজশাহী।

স্ট্রাইক রেট বাড়ানোই প্রধান লক্ষ্য মুমিনুলের

নিজেদের প্রথম জয়ের মূল কান্ডারি ছিলেন মুমিনুল হক। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৪৪ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার পাশাপাশি ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন সিমন্সও। প্রথম দুই ম্যাচে রান না পেলেও তৃতীয় ম্যাচে রান পাওয়াতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে মুমিনুলের মনে। তবে নিজের এই ইনিংসকে আলাদাভাবে দেখছেন না এই ব্যাটসম্যান।

Also Read - শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

“আপনি যদি ৯ নম্বরে নেমেও রান করতে পারেন তাহলেও সেটি উপভোগ করবেন। আমার কাছে আমি রান করলেও উপভোগ করছি মনে হয়।”

এবারের বিপিএলের শুরুতেই সব ক্রিকেটারেরই ব্যক্তিগত কিছু না কিছু লক্ষ্য থাকে, তার ব্যতিক্রম নন মুমিনুল। গত বিপিএলেও ব্যাট হাতে দারুণ ফর্মে ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। গত রান আসরে পারফর্ম করলেও নিজের স্ট্রাইক রেট নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না তিনি বরং আফসোস নিয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে তাকে।

তবে সেই আফসোস ঘুচাতে চান এই ব্যাটসম্যান। রান করার পাশাপাশি নিজের স্ট্রাইক রেটের দিকেও নজর দিবেন তিনি। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের স্ট্রাইক রেট নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এই ব্যাটসম্যান।

“গত বিপিএলেও আমি ভালো ব্যাটিং করেছিলাম কিন্তু আপনি যদি আমার স্ট্রাইক রেট দেখেন, ভালো ছিল না। গত বছর যেভাবে খেলছি, এই বছরও যদি একই রকম খেলি তার মানে আমার উন্নতি হচ্ছে না। এবার চেষ্টা করবো স্ট্রাইক রেট ঠিক রেখে বড় ইনিংস খেলার।”

স্ট্রাইক রেট বাদেও আরো একটি লক্ষ্য রয়েছে মুমিনুলের। দলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হওয়াতে ব্যাটিংয়ের মূল দায়িত্বটা তার কাঁধেই। প্রতি ম্যাচে ৪০-৫০ না করে বরং রান তাড়া করার সময় ম্যাচটাই শেষ করতে চান মুমিনুল।

“ঐরকম কিছু না। ৪০-৫০ করা সেটা আপনার নিজের উপরে। আপনি যেভাবে টার্গেট সেট করেন আরকি। যদি মনে হয় যে না আমার উন্নতি করতে হলে এই জায়গাটা আস্তে আস্তে অভ্যাস করা উচিত। রান তাড়া করার সময় প্রতিদিন ৪০-৫০ করে আউট না হয়ে, যদি ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারেন। ম্যাচ শেষ করে আসতে পারলে আপনি অনেক কিছুই শিখবেন। কোন অবস্থায় কিভাবে খেলতে হয়।”

এদিকে জাতীয় দলের বিদায়ী কোচ চনডিকা হাথুরুসিংহেকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি এই কোচের আমলে অনেকটাই অবহেলার শিকার হওয়া মুমিনুল- “কোচের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আমার কোনো কথা না বলাটাই ভালো। এটা সম্পূর্ণ বোর্ডের ব্যাপার। এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না আমি। এছাড়া এখনো কোচের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”

আরো পড়ুনঃ শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

Related Articles

ভারত, নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ

‘আমার আজেবাজে জিদ নেই’

‘চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছি’

কুমিল্লাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বিসিবির

পাইবাসকে চান না মুশফিক-সাকিব-মাশরাফি