SCORE

সর্বশেষ

আফগানিস্তানকেই বেছে নিলেন সিমন্স

নভেম্বরে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অপ্রত্যাশিত পদত্যাগের পর বাংলাদেশ এখন নতুন কোচের খোঁজে। আগ্রহীদের তালিকা থেকে কাটছাঁট করে বাছাই করা হয়েছিল তিন হাই প্রোফাইল কোচকে। সেই তিনজনের একজন- ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল সিমন্স।

সাক্ষাৎকার দিতে আসছেন সিমন্সও

বাংলাদেশের কোচ হওয়ার জন্য গত ১০ ডিসেম্বর বিসিবির কাছে সাক্ষাৎকার প্রদান করেন সিমন্স। কোচের দৌড়ে এগিয়ে আছেন সিমন্সই- সে সময় এমনটাই দাবি করেছিল দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো। তাদের দাবি অনুযায়ী, সিমন্সের আগে সাক্ষাৎকার দিতে আসা রিচার্ড পাইবাসকে কোচ হিসেবে পছন্দ করেননি সমসাময়িক তিন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। এমনকি ফিল্ডিং কোচ রিচার্ড হ্যালসেল ও স্পিন বোলিং কোচ সুনীল যোশিও নাকি অসম্মতি জানিয়েছেন পাইবাসের কোচ হওয়ার প্রতি। অনেকেই তাই ধরে নিয়েছিলেন, হাথুরুসিংহের উত্তরসূরি হিসেবে দেখা যাবে অভিজ্ঞ সিমন্সকেই।

Also Read - ওয়ানডে দলেও জায়গা হারালেন স্টোকস

তবে সেই সিমন্স সম্প্রতি নাম লিখিয়েছেন আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে। যার অর্থ- বাংলাদেশের কোচ হওয়ার দৌড়ে এখন আর নেই সাবেক এই ক্যারিবীয় ক্রিকেটার।

দেশটির জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে সম্প্রতি ফিল সিমন্সের নাম ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে লালচাঁদ রাজপুত ছিলেন দলটির কোচ, যার সাথে চুক্তি নবায়ন করেনি এসিবি। ফেব্রুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আফগানিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজের আগেই দলের সাথে যোগ দেবেন সিমন্স।

সিমন্সকে কোচ হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিক স্তানিকজাই বলেন, ‘আমরা সিমন্সকে বেছে নিয়েছি কারণ তিনি আমাদের দল সম্পর্কে জানেন। তিনি উইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ডের কোচ ছিলেন, এই তিনটি টিমের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও খেলবে আফগানিস্তান। কোচ ভূমিকায় তার সম্ভাবনা ভালো।’

প্রসঙ্গত, আশির দশকের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করার পর ঊনিশ শতকের শেষ পর্যন্ত ১৪৩টি একদিনের ম্যাচের পাশাপাশি ২৬টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন সিমন্স। ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার পর ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের কোচের দায়িত্বে যোগ দেন তিনি। অজানা কারণে বিতর্কিতভাবে বরখাস্ত হওয়ার পর লম্বা মেয়াদে আইরিশদের কোচিং করিয়েছেন তিনি। এরপর দায়িত্ব নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের। ২০১৬ সালে তাঁর অধীনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিবীয়রা। গত সেপ্টেম্বর বোর্ডের সাথে দ্বন্দের জেরে আবারো দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে হয় তাকে।

আরও পড়ুনঃ বছর শেষেও শীর্ষে সাকিব

Related Articles

স্ট্রাইকিং প্রান্তে শুরু করতেই ভালোবাসেন তামিম

“খেলায় আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকবেই”

আলোচিত ব্যাঙ্গালোর টেস্টে যত রেকর্ড

আফগানদের পরাজয়ে প্রোটিয়াদের স্বস্তি!

দু’দিনেই শেষ ব্যাঙ্গালোর টেস্ট