SCORE

Trending Now

মাশরাফির যা পছন্দ, অপছন্দ যা…

Share Button

মাশরাফি বিন মুর্তজা। সবার কাছে তিনি একজন নায়ক, যার রূপালি পর্দা হল ক্রিকেট। ডেডিকেশন এবং মানুষের ভালোবাসায় নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।

সর্বোচ্চ সার্চের তালিকায় মাশরাফি

সবার কাছে মাশরাফি এক বীরের নাম হলেও তিনিও রক্তে-মাংসে গড়া সাধারণ একজন মানুষ। অন্য সবার মতো তারও রয়েছে পছন্দ, রয়েছে অপছন্দ। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে নিজের পছন্দ-অপছন্দের কথা জানিয়েছেন মাশরাফি। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেটি।

Also Read - মাশরাফির হাতেই হল অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন

ভক্তদের সেলফি তোলার আগ্রহ প্রসঙ্গে…

যারা তুলতে আসে আমি চেষ্টা করি সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু কো-অপারেট করা যায়। তবে ছবি আমাকে ওতটা টানে না। হ্যাঁ, ছবি আমিও তুলি, তুলি না যে তা না। তবে কখনও তুলতেই হবে ওরকম ভাবনায় থাকি না। অনেক জায়গায় যাই, অনেক কিছু হয়, ছবি তোলার আগ্রহ আমার নেই। আমার সংগ্রহে কিন্তু আমার খেলার অনেক কিছুই নেই। অনেকেরই আছে। এগুলো আমাকে টানে না আরকি।

কার সাথে ছবি তুলতে চান মাশরাফি?

আমি যাদেরকে পছন্দ করি তাদের সাথে কখনই ছবি তুলতে যাই না। মনে হয়- ও কী অবস্থায় আছে, মেন্টালি টায়ার্ড থাকতে পারে, ফিজিক্যালি টায়ার্ড থাকতে পারে, কী অবস্থায় আছে… দেখা গেলো আমি ছবি তুলতে গেলাম, কিন্তু কোনো কারণে হল না। তখন আমার মনে খারাপ লাগতেই পারে। এটা স্বাভাবিক। তাই এই কারণে আমি যাকে পছন্দ করি কখনও তার কাছাকাছিই যাই না। আমার লাইফের সবচেয়ে সেরা স্পোর্টসম্যান হচ্ছেন ডিয়াগো ম্যারাডোনা। যেহেতু আমি তাকে অনেক পছন্দ করি, তাকে সামনে পেলে হয়তোবা মন চাইবে ছবি তুলতে। তবে কেন জানি মনে হয় আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবো, ওর সাথেও আমি ছবি তুলবো না। যাকে পছন্দ করি, সেটা তো করিই। তার ছবি তুলে, ফেসবুকিং করা… একটা সময় ছিল মানুষ ছবি তুলে সংগ্রহে রাখত। এখন আমি ঐ জিনিসটা খুবই কম দেখি। তো, আমার কাছে মনে হয় আমি ছবি তুলবো না।

অনেকের কাছে আদর্শ মাশরাফির নিজের আদর্শ কে?

আমি যখন থেকেই খেলা বুঝি তখন থেকেই কোর্টনি ওয়ালশের অনেক বড় ভক্ত। এখনও আছি। লাকিলি আমি উনার সাথেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তারপরও যখন ছোট ছিলাম, ওয়াকার ইউনিস ছিল, ওয়াসিম আকরাম ছিল… পরে অনেকে এসেছে। যেহেতু বোলিংই কাজ, তাই বোলারদের ভেতরেই পছন্দ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সবার মধ্যে কোর্টনি ওয়ালশই এগিয়ে ছিলেন।

প্রাইভেট কার এবং মোটরসাইকেলে যেটিতে স্বাচ্ছন্দ্য…

গাড়ির আমার কখনই অতো শখ ছিল না। মোটরবাইকের শখ তো ছোটবেলা থেকেই। আর ঢাকার শহরের ট্রাফিকের জন্যও মোটরবাইক থাকলে সুবিধা। আর নড়াইলে গেলেও মোটরবাইকই চালানো হয়। মোটরবাইকের সাথে একটা রিলেশন আছে ছোটবেলা থেকেই।

যে পোশাক প্রিয়…

সবচেয়ে তাড়াতাড়ি যেটা হয়… বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই জিন্স-টিশার্ট যেটা সামনে আসে -ঐটাই। ফরমাল খুব কম পরা হয়। আর বাসায় থাকলে লুঙ্গি-গেঞ্জি এগুলাই।

বাসায় অবসর সময় কাটে যেভাবে…

ছেলে-মেয়ের সাথে অনেক সময় কাটাই। বাসায় অনেক মানুষ আছে, তাদের সাথে গল্প করি। টিভি দেখা হয় না। হয়তোবা যদি খেলা হয়, দুয়েকটা খেলা দেখা হয়। আর এছাড়া ইউটিউবে বেশ ফলো করি। যা কিছু ফলো করার ইউটিউবেই করি।

‘মাশরাফি’ হতে চায় যারা তাদের উদ্দেশে…

আমার মতো হতে হবে এমন তো কোনো কথা নেই। প্রত্যেকটা বাবা-মারই শখ থাকে যে তাদের ছেলে-মেয়ে অবশ্যই ভালো হোক। ভালো কাজ করুক। আমি মনে করি বাবা-মা যেভাবে চান সেভাবেই নিজেকে গড়ে তোলা উচিত। পৃথিবীর আর সবাই যেমনই চাক না কেন বাবা-মা সবসময়ই ভালোটাই চান। তাই প্রত্যেকের উচিত বাবা-মায়ের চাওয়া অনুযায়ী হওয়ার চেষ্টা করা। জীবনের একটা সময়ে এসে মনে হবে, সে ঠিক পথেই ছিল বা আছে।

আরও পড়ুনঃ ২৯৫ রানে থামলেন নাসির

Related Articles

চোখ বেঁধে ক্রিকেট খেললেন মাশরাফিরা

শেষ দুই ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চ কাজে লাগাবে বাংলাদেশ!

‘আলহামদুলিল্লাহ, চেষ্টা থাকবে যেন এটা চালিয়ে যেতে পারি’ 

বড় জয়ের পরেও মাশরাফির আফসোস!

মাশরাফির কণ্ঠে রাজ্জাক-তুষারের স্তুতি

Leave A Comment