SCORE

সর্বশেষ

অথচ উচ্চতার কারণে পেস ছেড়ে স্পিন ধরেছিলেন নাঈম!

নাঈম হাসান- হ্যাংলাপাতলা গড়নের দীর্ঘকায় ক্রিকেটার। তাকে প্রথম দেখায় যে কারোরই মনে হবে কোনো পেসার। অথচ এই নাঈম হাসান মাত্র ১৭ বছর বয়সে নাম লিখিয়েছেন জাতীয় দলের, সেটিও কিনা তার স্পিন জাদুর জন্য!

অথচ উচ্চতার কারণে পেস ছেড়ে স্পিন ধরেছিলেন নাঈম!

অবাক করার ব্যাপার, একসময় নাঈম ছিলেন ফাস্ট বোলারই। তখন উচ্চতা ছিল কম, আর তাই সিনিয়রদের পরামর্শে পেস ছেড়ে শুরু করেছিলেন স্পিন। শেষমেশ স্পিনেই বাজিমাত!

Also Read - ফ্রিতে চট্টগ্রাম টেস্ট দেখতে পারবেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা

সোমবার সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে নাঈম বলেন, ‘আমি ক্রিকেট শুরু করেছি পেস বোলিং দিয়ে। তবে তখন আমার উচ্চতা এতো বেশি ছিল না। একদিন আমার একাডেমির বড় ভাইরা পরামর্শ দিলেন স্পিনার হতে। তখন অবশ্য আমার একাডেমির কোচ মমিন ভাই দেশে ছিলেন না। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলি। তিনিও স্পিনার হওয়ার বিষয়ে মত দেন। তিনি নিজেও স্পিনার ছিলেন। এরপর থেকে আমি স্পিন বল করা শুরু করি।’

নাঈম যখন জাতীয় দলের ডাক পান, তার একটু আগে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। দলের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে এ নিয়ে মন খারাপ ছিল নাঈমেরও। এমন সময়ই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো আসে তার ডাক। নাঈম বলেন, ‘অ-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ১৩১ রানের বিশাল ব্যবধানে হারার পর মন খারাপ ছিল। এসময় আমাদের ম্যানেজার জানালেন জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াডে আমার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি। খবরটি শুনে খুব ভালো লেগেছিল। এরপর আমার সতীর্থরা অভিনন্দন জানালেন। বললেন সুযোগ পেলে ভালো খেলবে। পরে নিউজিল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার সময়ও খুব ভালো অনুভূতি হচ্ছিল।’

যদিও এতো দ্রুত জাতীয় দলে ডাক পেয়ে যাবেন, এটি ভাবেননি তিনি নিজেও, ‘এতো দ্রুত হবে আশা করিনি। তবে অ-১৯ বিশ্বকাপ খেলার পর মিরাজ (মেহেদি হাসান) ভাইয়ের মতো আমারও জাতীয় দলে ডাক আসবে এমনটা ভেবেছিলাম। কিন্তু এতো দ্রুত চলে আসবে ভাবিনি।’

আরও পড়ুনঃ মুশফিক প্রিয় ক্রিকেটার, রুবেল ভালো বন্ধু’

Related Articles

চট্টগ্রাম টেস্টে সেদিন শতক হয়নি শচীনের!

‘বিশ্বাস রাখলেই ভালো ফল আসবে’

সেশন বাই সেশন খেলেই মুমিনুলের চাপ জয়

‘বাংলাদেশ নেতিবাচক মানসিকতায় চলে গিয়েছিল’

২০০ রানের লিড নিয়ে ৭১৩-তে থামল শ্রীলঙ্কা