SCORE

সর্বশেষ

নাসিরের দুই কান্নার গল্প

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এক সময়ের নিয়মিত সদস্য ছিলেন নাসির হোসেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পেয়েছিলেন ‘মিস্টার ফিনিশার’ খেতাব। এদিকে এখন জাতীয় দলে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন না নাসির। তবে ঘরোয়া লিগে অসাধারণ পারফর্ম করেই যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে জাতীয় লিগে ২৯৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তবে নাসিরের উঠে আসার শুরুর দিকের গল্পটা এতোটা মসৃণ ছিল না। গতকাল জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো’র ফেসবুকে লাইভে এসে নিজের অনেক অজানা গল্প জানান নাসির।

 

Also Read - হারতে হারতেই শ্রীলঙ্কার লজ্জার বিশ্বরেকর্ড

‘মাইলো’র আয়োজনে অনূর্ধ্ব-১৩ ক্রিকেটার হান্টে অংশ নিয়েছিলেন নাসির হোসেন। এক দর্শক প্রশ্ন করেছিলেন, সেটাই কি তাঁর ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট ছিল? এমন প্রশ্নে নাসির বলেছেন, ‘না ওটা আমার টার্নিং পয়েন্ট না। টার্নিং পয়েন্ট অনেক ছিল। ২০০১ সাল থেকে ক্রিকেট খেলছি। ১৬ বছর ধরে খেলছি। আমার প্রতিটি ম্যাচই টার্নিং পয়েন্ট। যে মাইলোর আয়োজনের কথা বলেছেন, অনূর্ধ্ব-১৩ ক্রিকেটের ওই স্কোয়াডে আমি বাদ পড়েছিলাম। আমার ক্যারিয়ার ঘুরিয়ে দিয়েছে—এমন ম্যাচের কথা বললে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একটায় সেঞ্চুরি, আরেকটায় ৯৫ করেছিলাম। এই ম্যাচ দুটির জন্য হয়তো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলাম।’

তবে মাইলো’র সেই ক্রিকেটার হান্ট থেকে বাদ পড়ায় অনেক কষ্ট পেয়েছিলেন নাসির। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে নাসির বলেন,  ‘তিন-চার দিন খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম! খুব খারাপ লেগেছিল। খারাপ লাগাই স্বাভাবিক। তখন বয়স ১৩। আমার সঙ্গে লেগ স্পিনার তানভীর হায়দারও ছিল। পরে বিকেএসপিতে সুযোগ পেলাম (২০০৪ সালে)।’ 

ক্রিকেটের বাইরে সিনেমা অনেক পছন্দ করেন নাসির। সিনেমার আবেগ ভালোভাবেই নাড়া দেয় এই ক্রিকেটারকে। একবার বিমানে সিনেমা দেখে কেঁদেছিলেন। সেই স্মৃতি রুমন্থন করে এই ক্রিকেটার বলেন, ‘‘কানাডা থেকে ফিরছিলাম। বাংলা সিনেমা ছিল। অনেক কেঁদেছিলাম। কম্বল দিয়ে নিজেকে ঢেকে রেখেছিলাম। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম আমাকে কেউ দেখছে কি না। কম্বল দিয়ে চোখ মুছেছি।’

[আরও পড়ুনঃ পেসাররাই জয়-পরাজয়ের নিয়ামক]

Related Articles

ইংল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন শান্ত-মোসাদ্দেকরা

অর্ধশতক পূর্ণ করে থামলেন নাসির

অভিষেক হওয়া তানভীরকে আইসিসির তিরস্কার