SCORE

সর্বশেষ

‘হতাশার চেয়ে বেশি ছিল চ্যালেঞ্জ’

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরমেন্স করেও জায়গা হচ্ছিল না জাতীয় দলে। অথচ দল থেকে বাদ পড়ার পেছনে কারণ ছিল আততায়ী ইনজুরি; কোনো খারাপ পারফরমেন্স নয়। এমন পরিস্থিতিতে হতাশা গ্রাস করাটাই স্বাভাবিক। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় জানিয়েছেন, হতাশার চেয়েও চ্যালেঞ্জকেই বেশি গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর এর ফলেই দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে খুলে গেছে জাতীয় দলের দরজা।

'হতাশার চেয়ে বেশি ছিল চ্যালেঞ্জ'- বিজয়
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এনামুল হক বিজয়। ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম

সোমবার সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বিজয় বলেন, হতাশার চেয়ে বেশি ছিল চ্যালেঞ্জ। আমার জন্য ঘরোয়া পর্যায়ের প্রত্যেকটা আসরই চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রিমিয়ার লিগেই যেমন, শেষ হলেই কথা উঠতো বিজয় কত রান করল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও একই কথা। বিপিএলেও সবাই দেখেছে কত করলাম। এটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জ।

মাঝখানে বিজয় জাতীয় দলে খেললেও ছিলেন না নিয়মিত। এবার অবশ্য জায়গা পেয়েছেন অনেকটা পাকাপোক্তভাবেই। জাতীয় দলে দাপট নিয়ে শেষবার খেলার পর নতুন করে সুযোগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি অর্জন করেছেন অনেক অভিজ্ঞতা, যাকে স্বভাবতই বড় করে দেখছেন ২৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার, মাঝের সময়টায় অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ২০২৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছি। ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছি ৩৫৪০টির মতো ম্যাচ। এটা বড় অভিজ্ঞতা। এছাড়া দলকে শিরোপা জেতানো, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দলকে চ্যাম্পিয়ন করা, ঢাকা লিগে চ্যাম্পিয়ন দলে থাকা, এসব দারুণ অভিজ্ঞতা। ছোটখাটো আরও অনেক ব্যাপার আছে।

Also Read - ফিল্যান্ডারের গতিতে উড়ে গেলো ভারত

হতাশ না হওয়ার কারণ জানাতে গিয়ে এনামুল হক বিজয় বলেন, চেয়েছি নিজেকে আরও ভালো কিছুর জন্য অনুপ্রাণিত করতে। আগেরবার ৫০০ রান করলে পরের মৌসুমে ৬০০ করতে। জাতীয় দলে সবাই যখন ভালো খেলে, তখন আসলে নিজের জন্য হতাশ লাগে না। বরং দেশ ভালো খেললে ভালো লাগে। আমি সব সময় বড় স্বপ্ন দেখি। এ কারণে হয়তো হতাশ লাগে না।

গুঞ্জন রয়েছে, ‘সাবেক’ বনে যাওয়া বাংলাদেশের সর্বশেষ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে পছন্দ করতেন না বিজয়কে। তার দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ হিসেবেও এটিকে ভেবে থাকেন অনেকে। তবে বিজয় নিজে ভাবছেন না এভাবে, ওইভাবে কখনও ভাবিনি। একজন একজনকে অপছন্দ করতেই পারে। এটা জোর করে কিছু হয় না। আমার জন্য পারফর্ম করে যাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তাই বিশ্বাস ছিলই। কোচের বিষয়ে চিন্তা ছিল না। কোচ কেউ আসবে, কেউ যাবে। কিন্তু আমাকে খেলে যেতেই হবে।

বিগত দিনগুলোতে তার চেষ্টার কথা জানিয়ে বিজয় বলেন, ব্যাটিংয়ের দক্ষতা বাড়ানো, কিপিংয়ে কিছু কাজ করা, এসব হয়েছে। আসলে নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকলে উন্নতির সুযোগটাই বেশি থাকে। আমার কাছে মনে হয়, উন্নতি অনেক বেশি হয়েছে। ইনিংসগুলো বড় হচ্ছে। জাতীয় লিগে এবার দুইটা ডাবল সেঞ্চুরি করেছি। সব কিছুতেই নিজেকে আগের থেকে ভালো লাগছে। তিন বছরে অনেক কিছুই চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি নতুন কিছু করার। যদি লম্বা রান করতে পারি, যদি দলকে কিছু দিতে পারি, তখন হয়তো বোঝা যাবে কতটা কী করতে পেরেছি।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাতে চান মিঠুন

Related Articles

প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন এনামুল

রাজ্জাকের পাঁচ উইকেটে চালকের আসনে দক্ষিণাঞ্চল

আবারও ব্যর্থ বিজয়

দুঃসময়ে তরুণদের পাশে মাশরাফি

দাপুটে জয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার আবাহনীর