SCORE

সর্বশেষ

এখনও জাতীয় দলের স্বপ্ন দেখেন তুষার ইমরান

দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে খেলে যাচ্ছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। যেখানে তার পারফরমেন্সও প্রশংসনীয়।

্সবচেয়ে বেশি অর্ধশতক (৪) করেন তুষার ইমরান।

তবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তুষার ইমরান কখনই প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। যে কয়বার সুযোগ পেয়েছেন, ততবারই নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এরপরও ঘরোয়া ক্রিকেটে দেশের সেরা ব্যাটসম্যান হৃদয়ে পুষছেন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আবারও খেলার স্বপ্ন।

Also Read - ভুল বুঝতে পারছেন আরাফাত সানি

৩৪ বছত বয়সী এই ব্যাটসম্যান সম্প্রতি ঢাকা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এখনও কঠোর পরিশ্রম করছি। আমি মনে করি আরও ৩-৪ বছর ক্রিকেট খেলে যেতে পারবো। ফিরে আসার সৌভাগ্য আমার হয় কি না সেটাই দেখার বিষয়।’

সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তুষারকে দলে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত সেটি আলোর মুখ দেখেনি। সত্যিই ডাক পেলে সেটি তুষারের জন্য হতো বড় অর্জন। তুষার বলেন, ‘প্রত্যাশা সর্বদাই ছিল। আমি আসলে কখনও আশা হারাইনি। এর আগে এই সিরিজের পূর্বে আমার টেস্ট দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। দীর্ঘ ১১ বছর পর জাতীয় দলে ফিরতে পারলে সত্যিই এটি আমার জন্য বড় এক অর্জন হতো।’

তুষার যখন প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে সাদা পোশাকে ১০,০০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন, তার কাছাকাছি সময়েই আব্দুর রাজ্জাক প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে স্পর্শ করেছেন ৫০০ উইকেটের মাইলফলক। সেই রাজ্জাক এরপর সুযোগ পেয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে। পরিপক্বতা ও অভিজ্ঞতার বিচারে রাজ্জাকের মতো ভবিষ্যতেও বয়স্ক ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে তুষার।

তিনি বলেন, ‘আমি এতে আশ্চর্য হইনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি এটাই কালচার হওয়া উচিত। একজন খেলোয়াড়ের জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া উচিত, যখন সে একটি ফরম্যাটে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো করছে। বয়স্ক ক্রিকেটাররা ভালো পারফর্ম করলে তাদের সুযোগ দেওয়া উচিত।’

আরও পড়ুনঃ ডুমিনি-ক্লাসেনের ব্যাটিং ঝড়ে সমতায় দক্ষিণ আফ্রিকা

 

Related Articles

সাকিবের পাশে থিতু হতে চান অপু

রাজ্জাকের স্পিন ঘূর্ণিতে চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণাঞ্চল

‘যেখানেই খেলি না কেন ভালো খেলতে হবে’

রাজ্জাকের পাঁচ উইকেটে চালকের আসনে দক্ষিণাঞ্চল

জবাব দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল, চালকের আসনে মধ্যাঞ্চল