SCORE

সর্বশেষ

ক্রিকেটারদের চাওয়াতেই স্পিন উইকেট!

চট্টগ্রাম টেস্ট পুরোটাই ছিল ব্যাটিং বান্ধব উইকেট। পুরো টেস্টেই বোলারদের চেয়ে ব্যাটসম্যানরাই সুবিধা ভোগ করেছে বেশি। চট্টগ্রাম টেস্ট থেকে বড় পুঁজি ছিল ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাস। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই ঢাকা টেস্টে স্পিন বান্ধব উইকেট তৈরি করা হয়েছিলো কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ছিটেফোটাও দেখা যায় দ্বিতীয় টেস্টে।

'ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব'

 

Also Read - টেস্ট স্কোয়াড ছেড়ে ডিপিএলে কেন তিন ক্রিকেটার?

উল্টো স্বাগতিক হওয়ার সত্ত্বেও সুবিধা বেশি আদায় করতে পেরেছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ব্যাটসম্যানদের রান না পাওয়ার ফলস্বরূপ হারতে হলো বিশাল ব্যবধানে। যদিও এমন উইকেট আগেও তৈরি করেছিলো বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেলেও এবার নিজেদের গর্তে নিজেরাই পড়তে হলো।

হেরাথ, দিলরুয়ান, আকিলাদের সম্মিলিত স্পিন অ্যাটাক যে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভোগাবে সেটা আগেই জানা ছিল। শ্রীলঙ্কার বোলিং লাইনআপ নিয়ে ধারণা থাকার পরেও কেন এমন বাজি ধরতে গেলো বাংলাদেশ? এর জবাবটা দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মূলত ক্রিকেটারদের চাওয়াতেই তৈরি করা হয়েছিলো এমন উইকেট।

“আপনি যদি চট্টগ্রাম টেস্টের কথা ধরেন, ওখানে উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল, আমাদের ব্যাটসম্যানরা ভালো ব্যাটিং করেছে। এজন্যই এখানে আমরা চাচ্ছিলাম, উইকেটটা স্পিন সহায়ক হোক। আমাদের ব্যাটসম্যানদের উপর আমরা আস্থা রাখি। একই সঙ্গে স্পিনারদের উপরও আস্থা রাখি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ব্যাটসম্যানরা ভালো পারফর্ম করতে পারেনি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ক্রিকেট খেলা তো একটা বাজির মতো। আমরা জানতাম যে, ওদের স্পিন বিভাগ খুব ভালো। জানতাম আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। কিন্তু আমরা ব্যাটসম্যানদের উপর ভরসা রেখেছিলাম।”

জেনেশুনে এমন ঝুঁকি নেওয়াটাকে বাহবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ফ্লাট পিচে খেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের উন্নতির চেয়ে ভবিষ্যৎ শঙ্কিত মনে করেন রিয়াদ। তবুও একটা কিন্তু থেকেই যায়। দলে সাকিব না থাকার পরেও কেন এমন উইকেট বানিয়ে ঝুঁকি নিতে গেলো বাংলাদেশ? সেটাও উত্তরও দেন মাহমুদউল্লাহ।

“আমার মনে হয় এগিয়ে যেতে হলে এই ধরনের বাজিগুলো ধরতেই হবে। না হলে এভাবে টেস্ট ক্রিকেট খেলে কোনো লাভ নেই। নিষ্প্রাণ উইকেটে খেলল আমার মনে হয় না, আমাদের ক্রিকেট এগোবে। ঝুঁকি নিলে সাফল্য আসবে, ব্যর্থতা আসবে। সাফল্য আপনাকে আত্মবিশ্বাস দেবে, আমাদের আরও উন্নতিও হবে। আমরা জানতাম, এখানে ফল হবে, স্পিনিং উইকেট হবে। আমার বিশ্বাস, আমাদের সামর্থ্য আছে কিন্তু করে দেখা পারিনি।”

আরও পড়ুনঃ সাব্বিরকে একাদশে রাখার কারণ ব্যাখ্যা

Related Articles

তিন হেড কোচ তত্ত্বের বিরোধী ফারুক

নিজেদের এগিয়ে রাখলেন আরিফুল

কারস্টেনের দৃষ্টি বিশ্বকাপে

সাদা ও লাল বলের জন্য পৃথক কোচ!

কারস্টেন ব্যর্থ হলেও প্রস্তুত আছেন কোচ!