SCORE

সর্বশেষ

‘নিদাহাস ট্রফির আগে একসঙ্গে বসতে হবে’

দুঃস্বপ্নের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর দিয়ে ইতি ঘটেছিল ২০১৭ সালের। ২০১৮ সালের শুরুতেই ক্রিকেটীয় ক্যালেন্ডারে ঠাসা সূচি। দারুণ প্রস্তুতি নিয়ে সেখানে ভালো করার তাড়না কাজ করছিল সবার মধ্যে।

হারের কারণ ব্যাখ্যা রিয়াদের

অবশ্য শুরুটা ভালোই ছিল। ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে দাপুটে জয়। তবে ছন্দপতন ঘটল এর পরপরই। আর যে দলের কাছে হেরে টানা ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী হওয়া, সেটি শ্রীলঙ্কা।

Also Read - বড় বিপদে পড়তে পারে বাংলাদেশ!

সেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগামী মাসে আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দ্বীপ-দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষভাবে আয়োজিত ঐ টি-২০ সিরিজে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নেবে ভারত। শ্রীলঙ্কার কাছে টেস্ট ও টি-২০ সিরিজে হারার পর এবার বাংলাদেশের লক্ষ্য নিদাহাস ট্রফিতে ভালো করা। তবে তার আগে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতাগুলো শুধরে নিতে প্রয়োজন একসাথে বসা।

টি-২০ সিরিজ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ দিলেন সেই তাগিদই। রিয়াদ বলেন, ‘নিদাহাস ট্রফির আগে আমাদের একসঙ্গে বসতে হবে। বের করতে হবে কীভাবে আমরা ১৮০ রান তাড়া করতে পারি এবং আমাদের বোলাররা কীভাবে রানটা কমের মধ্যে রাখতে পারে।’

আগামী দিনগুলোতে ভালো করতে হলে নিজেদের ভুল থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন রিয়াদ, ‘আমরা যে ভুলগুলো প্রতিনিয়ত করছি সেগুলোর মাশুলই প্রতি ম্যাচে দিচ্ছি। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বলেন বা ট্যাকটিকাল কিছু, মাঠে সেসব প্রয়োগ করতে হবে। খুব শীঘ্রই আমাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং সেখান থেকে বের হতে হবে। নইলে আমরা বড় সমস্যায় পড়ে যাব। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই (সাফল্য পাওয়ার)। এভাবে খেলতে থাকলে আমরা একই ফল পাবো।’

রিয়াদ আরও বলেন, ‘১২-১৩ ওভার থেকেই আমরা ডেথ ওভারের বোলিং শুরু করে দিয়েছিলাম। কিন্তু উইকেট নিতে না পারলে এটা খুব কঠিন। প্রতিপক্ষ রানের পেছনে ছুটলেও আপনাকে উইকেট শিকার করতে হবে। তখন আপনার সুযোগ থাকবে কামব্যাক করার। ব্যাটিংয়ে আমরা পার্টনারশিপ করতে পারিনি। ২০০ রানের উপরে তাড়া করতে হলে অবশ্যই পাওয়ারপ্লে’তে ৬০-৬৫-৭০ রান তুলতে হবে। আমরা ওটা করতে পারিনি। বিষয়টা খুব হতাশাজনক।’

এদিকে পুরো তিনটি ভিন্ন সিরিজ পার করে ফেললেও এখনও নির্ধারণ হয়নি, কে হচ্ছেন বাংলাদেশের আগামী কোচ। ত্রিদেশীয় সিরিজ, টেস্ট সিরিজ ও টি-২০ সিরিজে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন পরোক্ষভাবে কোচের দায়িত্ব পালন করলেও নিদাহাস ট্রফির আগে স্থায়ী প্রধান কোচ নিয়োগ দিতে চায় বিসিবি। যদিও এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ, ‘এই বিষয়ে আমার মন্তব্য না করাই ভালো। এটা অন্যরকম একটা ইস্যু। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, আমার মনে হয় এটা পুরোপুরি আমাদেরই দায়িত্ব কিভাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমরা আগাব। টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বসে খুঁটিনাটি সব বের করতে হবে যে কোথায় ভুলগুলো করছি। নাহলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম।’

এদিকে টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশ দলে বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। একসাথে একগাদা ক্রিকেটারদের অভিষেক ঘটানো হয়েছে, যার নজির নেই সাম্প্রতিককালে। এমন সিদ্ধান্তকেও অনেকে মনে করছেন ব্যর্থতার কারণ। যদিও এমনটি মনে হচ্ছে না রিয়াদের। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না (বেশি পরিবর্তনের কোনো প্রভাব)। যাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে তারা দলে আসার দাবি রাখে। চেষ্টা করছি ঠিক কম্বিনেশনটা তৈরি করতে, এর খোঁজে আছি এখনো।’

এমনকি দল গঠনে যুক্ত ছিলেন স্বয়ং অধিয়ায়কও। এই কথা অকপটে স্বীকার করে রিয়াদ আরও বলেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে আমাকে স্বাধীনতা দেওয়া ছিল। আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলের জন্য যেটা ভালো মনে হয়েছে, যারা কোচিং স্টাফ ছিলেন, সবার পরামর্শেই দলটা করা হয়েছে। চাপিয়ে দেওয়া কিছু ছিল না।’

আরও পড়ুনঃ পূবাইলে হচ্ছে ম্যাশ রয়েল পার্ক

Related Articles

নিদাহাস ট্রফি থেকে ৪৮২ শতাংশ লাভ!

অসুস্থ রুবেল, দোয়া চাইলেন সবার কাছে

যেখান থেকে শুরু ‘নাগিন ড্যান্স’ উদযাপনের

‘খারাপ করছি দেখেই বেশি চোখে পড়ছে’

লঙ্কান দর্শকরা ভুল বুঝেছিল বাংলাদেশকে!