বোলারের মাথায় আঘাত হেনে সীমানা ছাড়া বল!

বোলারের ডেলিভারিকে আঘাত করে বল সীমানা ছাড়া করতে একজন ব্যাটসম্যানকে প্রচুর শক্তি ব্যবহার করতে হয়। ছক্কা হলে তো বটেই, চার হাঁকানোর জন্যও শট মারতে হয় অনেক জোরে। ভেবে দেখুন তো, জোরে হাঁকানো একটি শট বোলারের মাথায় আঘাত করে মাটিতে না লেগেই সীমানা ছাড়া হলে, কী অবস্থা হতে পারে! (ভিডিওটি দেখুন এখানে)

বোলারের মাথায় আঘাত হেনে সীমানা ছাড়া বল!

অকল্পনীয় এই ব্যাপারটিই এবার ঘটেছে ক্রিকেটে। নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় ঘরোয়া আসর ফোর্ড কাপের এলিমিনেশন ফাইনালে অকল্যান্ড মুখোমুখি হয়েছিল ক্যান্টারবুরির। ঐ ম্যাচে অকল্যান্ডের জার্সি গায়ে ১৫৩ বলে ১৪৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন জিৎ রাভাল।

Also Read - নিদাহাস ট্রফি শেষ গুনারত্নে্র

ঐ ইনিংস খেলার পথে রাভালের কয়েকটি শট ছক্কা হয়ে আছড়ে পড়ে বাউন্ডারির বাইরে। তবে তার মধ্যে একটি হয়ে আছে ‘বিশেষ’। ঐ ছক্কা যে সীমানা ছাড়া হয়েছে স্বয়ং বোলারের মাথায় ধাক্কা খেয়ে!

সাবেক কিউই পেসার ও ক্যাটারবুরি অন্যতম প্রধান অস্ত্র অ্যান্ড্রু এলিস স্বাভাবিকভাবেই এসে বল ডেলিভারি করেছিলেন জিৎ রাভালকে। ঐ ডেলিভারিকে রাভাল জোর দিয়ে খেললে সেটি সোজা এলিসের দিকে আসতে থাকে। বিপদ আঁচ করতে পেরে এলিস হাত দিয়ে তৎক্ষণাৎ মুখ ও মাথা ঢাকার চেষ্টা করেন।

তবে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা বলে এলিসের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বলটি ঠিকই এসে আঘাত করে তার মাথায়। এরপর ঘটে দুটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। মাথায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েও বলটি লং অফের উপর দিয়ে সীমানা ছাড়িয়ে ছক্কায় পরিণত হয়। আম্পায়ার প্রথমে বুঝতে না পেরে চারের সংকেত দিলেও পরবর্তীতে তা শুধরে নেন।

দ্বিতীয় অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে এলিসকে সুস্থ থাকতে দেখে। সবাই যখন এলিসের অবস্থা মারাত্মক হয়ে উঠেছে কি না সেটি ভাবছিলেন, এলিস তখন হাসিমুখেই আবারও ফিরছিলেন মাঠে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে মেডিকেল টিম ফিট ঘোষণা করলে স্বস্তি ফিরে আসে স্টেডিয়ামে, স্বস্তি পান ব্যাটসম্যান জিৎ রাভালও!

আরও পড়ুনঃ সিরিজ জেতার পাশাপাশি র‍্যাংকিংয়েও উত্থান অস্ট্রেলিয়ার