SCORE

সর্বশেষ

পূবাইলে হচ্ছে ম্যাশ রয়েল পার্ক

গাজীপুরের পূবাইলে মাশরাফি বিন মুর্তজা এর নেতৃত্বে হতে যাচ্ছে একটি পাঁচ তারকা রিসোর্ট ও হোটেল যার নাম ম্যাশ রয়েল পার্ক। গাজীপুরের দেমোরাপাড়ায় বহুতল ভবনসহ গড়ে উঠছে এটি।

এ সম্পর্কে ম্যাশ বলেন, ‘আমি আসলে প্রকৃতির সন্তান। খুব ছোট বেলা থেকেই প্রকৃতি আমাকে বিস্মিত করে। শৈশবে যখন মাঠের পর মাঠ দৌড়ে যেতাম তখন দেখেছি প্রকৃতির উদারতা। নদীতে যখন সাঁতার কাটতাম তখন দেখেছি প্রকৃতির প্রবাহ। বৈশাখে যখন ঝড় হতো সেই বজ্রপাতে পেয়েছি প্রকৃতির সাহসিকতা। আসলে প্রকৃতিই আমার স্কুল। নড়াইলের একটি তরুণ যেখানে জেনে যায় এগিয়ে যাওয়ার সূত্র। আর তাই আমাদের প্রয়াস – ম্যাশ রয়েল পার্ক। যেখানে প্রকৃতিকে কাছ থেকে অনুভব করবো আমরা। আর আমাদের সন্তানেরা প্রকৃতির বিশালতায় বেড়ে উঠবে আত্মবিশ্বাসী, সুখী, সাহসী, সফল মানুষ হিসেবে। বেশি দূরে নয় গাজীপুরের পূবাইলেই আছি আমরা – ভরপুর অক্সিজেন, পাখির কলতান, বিশুদ্ধ খাবার আর অবারিত প্রকৃতি।

Also Read - হারের কারণ ব্যাখ্যা রিয়াদের

এই পার্কের লক্ষ্য সম্পর্কে জানা যায়, ম্যাশ রয়েল পার্ক মাশরাফই বিন মুর্তজার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং সুচিন্তার ফসল। এখানে প্রকৃতি, বিশুদ্ধতা, নিরাপত্তা ও আধুনিকতায় একাকার। আমাদের শিশুরা যখন বেড়ে উঠছে -কৃত্রিমতা, অপসংস্কৃতি, বিচ্ছিন্নতায় তখন পরিবারের একাত্মতা, মমতা আর একে অন্যের প্রতি মনোযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাশ রয়েল পার্ক আসলে একটি বিশাল পরিবারের মিলনস্থল।

বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষেরা এসে একে অন্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে- বন্ধুত্বের মাধ্যমে গড়ে তুলছে এক সুবিশাল পরিবার। এখানে ম্যাশ রয়েল পার্ক অনন্য। ম্যাশ রয়েল পার্ক – ফাইভ স্টার হোটেল এন্ড রিসোর্ট ভালোবাসার বিশাল বলয়ে আপনিও হতে পারেন অংশীদার।

এছাড়া এর ভিশন সম্পর্কে বলা হয়, কিংবদন্তী ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রকৃতির নিস্তব্ধতার ভেতরেই অন্বেষণ করেন সৌন্দর্য, উৎকর্ষ আর প্রশান্তি। তাই তিনি বারবার ছুটে যান প্রকৃতির কাছেই। মাশরাফি মনে করেন, শহরের জীবনযাত্রা বড্ড যান্ত্রিক, একঘেয়ে আর স্বার্থচিন্তায় আচ্ছন্ন। মানুষের তাই প্রয়োজন প্রকৃতির কাছে ছুটে যাওয়া – প্রকৃতির আনন্দ-আশ্রয় গ্রহন করা।

২০১৮ সালে এসে মাশরাফীর এই স্বপ্ন স্বার্থক হয়ে উঠছে। প্রকৃতির মাঝেই নির্মিত হচ্ছে ম্যাশ রয়েল পার্ক, একটি ফাইভ স্টার হোটেল এন্ড রিসোর্ট। গাজীপুরের পূবাইলে বহুতল ভবন সহ ম্যাশ রয়েল পার্ক গড়ে উঠছে এক নিবিড় সবুজকে সাথে নিয়ে, সবুজকে ভালোবেসে।

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস আর আবহমান মূল্যবোধ যেখানে লালিত হবে। ম্যাশ রয়েল পার্ক সৃষ্টি করবে আন্তর্জাতিক মানের চাকুরীর সুযোগ – যা জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

৫০০০ টাকা দিয়ে এর এসোসিয়েট কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ৯.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে হওয়া যাবে এর অংশীদার।

Related Articles

কারস্টেনকে বিমোহিত করেছেন সবাই

মাশরাফিকে টেস্ট খেলতে বলেছিলেন পাপন

পরামর্শকই কারস্টেনের ভূমিকা

সিনিয়র ক্রিকেটারদের সাথে কারস্টেনের বৈঠক

‘মাশরাফিকে না পাওয়া দুর্ভাগ্য’