SCORE

সর্বশেষ

লিটনের দূর্দান্ত শতকে দোলেশ্বরের দাপুটে জয়

ডিপিএলের ১৪তম ম্যাচে লিটন দাসের লিস্ট সেরা অপরাজিত ১৪৩ রানের ইনিংসে ভর করে কলাবাগানের রান পাহাড় টপকে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর।

লিটন দাসের শতক উদযাপন।
লিটন দাসের শতক উদযাপন।

সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে জাতীয় দলের সাথে থাকলেও বাদ পড়েছেন টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড থেকে। এর ফলে আবারও ক্লাব ক্রিকেটে মনোনিবেশ করেছেন লিটন দাস। জাতীয় দলের হয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে দায়িত্ব পালন শেষে নিজের প্রিয় টুর্নামেন্ট ডিপিএলে ফিরেই শতক তুলে নিয়ে দলকে জিতিয়েছেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।

কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে রান বন্যার ম্যাচে প্রতিপক্ষের ছুঁড়ে দেওয়া ২৯১ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ইমতিয়াজ হোসেন ও লিটন দাস। উদ্বোধনী জুটিতে দ্রুততম সময়ে ৮৫ রান যগ করার পর ইমতিয়াজ ৪০ রান করে আউট হওয়ার পর ফজলে মাহমুদও বিদায় নিলে ১২১ রানে ২ উইকেট হারায় দোলেশ্বর।

Also Read - ডিপিএলে সেঞ্চুরির মেলা

এরপর মার্শাল আইয়ুবকে সাথে নিয়ে জুটি বাঁধেন লিটন। অবিচ্ছিন্ন ১৭০ রানের পথে ইনিংসের ৩৫ তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা পান লিটন।

দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেওয়ার পর লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক পূর্ণ করতে কলাবাগানের বিপক্ষে খেলেন ৯৫ বল। ৩ ছক্কার সাথে ৯ চারে শতক পূর্ণ করেন লিটন। শেষ পর্যন্ত ১২৩ বল মোকাবেলায় ১৪ চার ও ৩ ছয়ে ক্যারিয়ার সেরা ১৪৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন। লিটন শতকের দেখা পেলেও মার্শাল আইয়ুবকে ৭৩ বলে ৯ চার ও ২ ছয়ে ৯২ রান করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলের জয় নিয়ে।

কলাবাগানের বোলারদের মধ্যে যতীন সেক্সেনা ৮ ওভার বল করে ৫৭ রান দিয়ে একাই নেন দুটি উইকেট।

এর আগে টস জিতে কলাবাগানকে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় প্রাইম দোলেশ্বর। শুরুটা দারুণ হলেও তা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি দলটি। ১১ ওভারের মধ্যে ৪৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া কলাবাগানকে চতুর্থ উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ আশরাফুল ও তাইবুর রহমান ১৮৮ রানের জুটি গড়ে খেলায় ফেরান।

আশরাফুল ও তাইবুরের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ের বিপরীতে দোলেশ্বরের বোলারদের অসহায়ত্বে রানের চাকা বাড়তে থাকে কলাবাগানের। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে পাঁচ হাজারি ক্লাবে নাম লেখানোর পর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতক পূর্ণ করে ইনিংসের ৪৬তম ওভারে এসে আরাফাত সানির শিকারে পরিণত হন জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। ১৩১ বল খেলে ১১ চারে ১০৪ রান করে  আশরাফুলের আউট হওয়ার ঠিক পরের বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তাইবুর রহমান।

তার লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের প্রথম শতকের সাথে ১০৯ বলের ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ১১৪ রানের অপরাজিত ইনিংস ও শেষ দিকে মুক্তার আলীর ১৬ বলের অপরাজিত ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংসে চড়ে প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে  নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২৯০ রানের পুঁজি পায় কলাবাগান ক্রীড়া চক্র।

প্রাইম দোলেশ্বরের বোলারদের মধ্যে আরাফাত সানি ও মানিক খান প্রত্যকেই দুটি করে উইকেট নেন।


আরও পড়ুনঃ ডিপিএলে সেঞ্চুরির মেলা

Related Articles

পারিশ্রমিক না পেয়ে বিসিবির শরণাপন্ন কলাবাগানের ক্রিকেটাররা

হাসপাতালে নাসির, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার শঙ্কা

নাসির, শান্ত তাণ্ডবের পর মাশরাফি ঝড়

নাসির, শান্ত’র জোড়া শতক

শেষ বলের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রিমিয়ারে টিকে রইলো ব্রাদার্স