SCORE

সর্বশেষ

‘কাটার আমি ২০০৫ সাল থেকে শিখেছি’

মঙ্গলবার মাশরাফি বিন মুর্তজার বিধ্বংসী বোলিংয়ে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ দেখেছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ম্যাচের শেষ ওভারে মাশরাফির আগুনঝরা বোলিংয়ে টানা চার বলে চার উইকেট হারিয়ে আবাহনীর কাছে হেরে যায় অগ্রণী ব্যাংক। আর মাশরাফির ঐ দুর্দান্ত পারফরমেন্সের পেছনে ছিল একেকটা কাটার ডেলিভারি।

বুধবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মাশরাফি জানান, ২০০৫ সাল থেকে কাটারে অভ্যস্ত তিনি। যদিও ইনজুরির কারণে সেটি ধরে রাখতে পারেননি ঠিকমতো, ‘কাটার আমি ২০০৫ সাল থেকে শিখেছি এবং তখন থেকেই ওটা আমার স্ট্রেংথ। ইমপ্রোভাইস করা শিখেছি যখন আমি দেখেছি আমার জায়গা ঠিক আছে। যখন ইনজুরি আসছে তখন আবার ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে হয়েছে।’

Also Read - ভাবনায় সাব্বির-তাসকিন আর পাওয়ার প্লে

মাশরাফির বোলিংয়ের শক্তির জায়গাটি কী? তিনি বলেন, ‘আমি যখন ছোট বেলা থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু করি তখন আমি সবসময় জায়গায় বল করতে চাইতাম। পেস ওরকম ছিল না। এটাই এখনও আমার সঙ্গী। আমার স্ট্রেংথ বলতে যদি কিছু বলেন একটাই- আমি একটা জায়গায় বল করতে চাই। একটা জায়গার বাইরে আমি কিছু করতে চাই না। যদি ভেরিয়েশন কিছু করি সেটাও ওই জায়গার ভেতরে। এরপর ভালো খারাপ অন্য জিনিস।’

মঙ্গলবারের ম্যাচে মাশরাফি মোটে নিয়েছেন ছয়টি উইকেট, গড়েছেন রেকর্ডও। কীর্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শোনার পরে অবশ্যই ভালো লেগেছে। যে কোনো ম্যাচই খেলেন, আপনি যদি ৫ উইকেট পান, তিন উইকেট পান ওই অনুভূতি অবশ্যই আছে। কিন্তু আলাদা করে বলার মতো কিছু না। এগুলো আমাকে টাচ করে না। আন্তর্জাতিক ম্যাচ হলে ভিন্ন কথা ছিল।’

মাশরাফির কাছে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও মুখ্য দলের জয়, ‘একটা ভয় বারবরই লাগছিলো ম্যাচ হেরে যাচ্ছিলাম। আর পরপর দুই ম্যাচ হারলে পিছিয়ে যেতাম। যে কোয়ালিটির টিম, আবাহনী হারলে খারাপ হতো। তো ওই অনুভূতিটা বেশি ভালো ছিল যে হারের জায়গা থেকেও ম্যাচটা জিততে পেরেছি।’

আরও পড়ুনঃ শুরুতে উইকেট হারানো ভাবাচ্ছে বাশারকে

Related Articles

কারস্টেনকে বিমোহিত করেছেন সবাই

মাশরাফিকে টেস্ট খেলতে বলেছিলেন পাপন

পরামর্শকই কারস্টেনের ভূমিকা

সিনিয়র ক্রিকেটারদের সাথে কারস্টেনের বৈঠক

‘মাশরাফিকে না পাওয়া দুর্ভাগ্য’