SCORE

সর্বশেষ

কার্তিকের লক্ষ্যই ছিল প্রত্যেক বলে মারা

২ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩৪ রান। বোলিংয়ে এলেন ৩ ওভারে মাত্র ১৩ রান দেওয়া রুবেল হোসেন। দীনেশ কার্তিক তখন নতুন ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের ক্ষুরধার বোলিংয়ের সামনে কোণঠাসা ভারতের চাপের পুরোটাই তখন তার ঘাড়ে।

কার্তিকের লক্ষ্যই ছিল প্রত্যেক বলে মারা

এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন দীনেশ কার্তিক? শেষমেশ তিনি যা করেছেন, সেটি ছিল পুরো ভারতের কামনাই। তাতে হতাশ হতে হয়েছে বাংলাদেশকেই। রুবেলের ঐ ওভার থেকে কার্তিক সংগ্রহ করেন ২২ রান। পরের ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। সৌম্যর বিচক্ষণ বোলিংয়ে ব্যাকফুটেই চলে গিয়েছিল ভারত। তবে শেষ বলে যখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫ রান, কার্তিক তখন সৌম্যর মামুলী ডেলিভারিতে ছক্কা হাঁকিয়ে উল্লাসে মাতান ভারতকে।

Also Read - রুবেলে আস্থা রাখছেন সাকিব

ম্যাচ শেষে দীনেশ কার্তিক জানান, তার লক্ষ্যই ছিল প্রত্যেক বলে মেরে রান সংগ্রহ করা। এমনকি অনুশীলনেও এটাই ছিল তার চর্চা।

সুযোগ কাজে লাগাতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে দীর্ঘদিন পর এই সফরের মাধ্যমে দলে ফেরা কার্তিক বলেন, ‘আমার লক্ষ্যটা খুবই সোজা ছিল। ক্রিজে নেমে প্রত্যেকটা বলই মারতে হতো। সেটাই করেছি। নেটেও আমি এ ধরনের অনুশীলন করে আসছি। এই সুযোগ তো বারবার আসবে না। সেটা কাজে লাগাতে পেরে অসাধারণ লাগছে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে না পারলে স্বভাবতই খারাপ লাগত কার্তিকের। ম্যাচ জেতানো ইনিংস শেষে তিনি বলেন, ‘জেতার পরে সতীর্থদের উল্লাসে আমি আপ্লুত। গোটা সিরিজে আমরা ভালো খেলেছি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ফাইনাল না জিততে পারলে খুবই খারাপ লাগত। এই পিচে ব্যাট করা অতটা সহজ নয়। মুস্তাফিজুরের বোলিংকেও কিন্তু কৃতিত্ব দিতেই হবে।’

এদিকে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা এই ম্যাচে ছিল দর্শক। শ্রীলঙ্কার আসর থেকে বিদায় হওয়া ম্যাচের জের ধরে ফাইনালে স্বাগতিক দর্শকরা সমর্থন করছিলেন ভারতকেই। এতে আপ্লুত চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মাও।

রোহিত বলেন, ‘এত মানুষ মাঠে এসেছে, বিষয়টা দারুণ। আরও চমৎকার বিষয়, এই সমর্থকেরা সবাই আমাদের সমর্থন দিয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা হলে চিত্রটা পাল্টে যেত। কিন্তু আজ এভাবে সমর্থন দেওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ।’

আরও পড়ুনঃ সোমবারই দেশে ফিরছেন টাইগাররা

Related Articles

ফের অবহেলিত মুস্তাফিজ

শেষ বল দেখেননি রোহিত!

‘আমরা প্রতিটি ম্যাচই জিততে চাই’