SCORE

সর্বশেষ

মাশরাফি-সাকিব সহ মিরপুরে ৭০ ক্রিকেটারের বৈঠক

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলতি আসরের আজ কোন ম্যাচ ছিল না, ছিল না অনুশীলনও। তবুও ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে জড়ো হয়েছিলেন সাকিব, মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ, তামিম, মুশফিক সহ আরও অনেক ক্রিকেটার। মূলত অনুশীলন বা বিশেষ কোন উপলক্ষ্য ছাড়া এত ক্রিকেটারদের একসঙ্গে পাওয়া যায়না। তবে আজ এত ক্রিকেটারকে এক সাথে দেখে কোথাও একটা সমস্যা হয়েছে বুঝাই গিয়েছে।

মাশরাফি-সাকিব সহ মিরপুরে ৭০ ক্রিকেটারের বৈঠক

দুপুরের দিকে বিসিবির অফিস কক্ষ থেকে নামছিলেন সাব্বির রহমান। তারপরেই গাড়ি পার্ক করে ড্রেসিংরুম দিয়ে স্টেডিয়ামের ভিতর দিয়ে ঢুকতে দেখা যায়। ধীরে ধীরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন এমন ক্রিকেটার সহ সবাই একত্রে হলেন জিমনেশিয়ামে। তাদের বৈঠক দেখে বুঝা গিয়েছিলো কোন সিরিয়াস বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন ক্রিকেটাররা।

Also Read - বাংলাদেশের উইন্ডিজ সফরের চূড়ান্ত সূচি

বৈঠক শেষে এক এক করে বের হয়ে আসলেন ক্রিকেটাররা। এত ক্রিকেটার একসাথে কেন বৈঠকে বসেছেন সেটা জানার আগ্রহ জাগেই। বের হওয়ার সময় হাসিমুখে এক ক্রিকেটার বললেন পিকনিকের কথা। ‘সবাই গেট টুগেদার করে, ক্রিকেটারদের হয় না। আমরা সেটি করলাম। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সামনে আমরা একটি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করব। একটি পিকনিক করব আমরা।’

ক্রিকেটারদের মধ্যে মূলত বৈঠক বসেছিল ক্রিকেটার্স ওয়েল ফেয়ার (কোয়াব) নিয়ে। বর্তমানে এই সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজন ও নাইমুর রহমান দুর্জয়। কয়েকদিন আগে কোয়াব নিয়ে প্রশ্ন উঠাতে খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছিলেন, কোয়াবের দায়িত্ব নিতে চায় না কেউই। যাদের প্রয়োজন হয় তারা সুজন কিংবা বিসিবির উচ্চপদস্থ কর্মীদের নিজেদের সমস্যার কথা জানান এবং তাদের সমস্যার সমাধান করে দেন।

তবে বর্তমানে বিসিবির অনেক সিদ্ধান্তে ক্রিকেটাররা যে একমত পোষণ করেননা সেটা অনেকটাই পরিষ্কার। ক্রিকেটারদের অভিযোগ ঘরোয়া ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে টাকা পাওনা নিয়ে। কোয়াবের দুই প্রধানই যখন বিসিবির সঙ্গে জড়িত সেখানে কোয়াব কতটা ভূমিকা পালন করে সেটি নিয়ে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। কোয়াবকে কীভাবে সচল রাখা যায় সেটির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে সাকিবের হাতে।

ক্রিকেটারদের অভিযোগ ঘরোয়া ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে পারিশ্রমিক নিয়ে। এবারের ডিপিএলে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে দেয় বিসিবি। তবে সেই নির্ধারণ করা পারিশ্রমিকও পাচ্ছেন না ক্রিকেটাররা। তাদের দাবি, দল ভালো না করলে পারিশ্রমিক থেকে ২৫-৩০ শতাংশ টাকা কেটে নেয় ক্লাবগুলো। তার উপর পারিশ্রমিকের উপর ১০ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হয় ক্রিকেটারদের। ক্রিকেটাররা ট্যাক্স দিলেও সেটির কাগজ দেখায়না ক্লাবগুলো।

ঘরোয়া ক্রিকেটে এত অনিয়মের জন্য কোন শক্তিশালী সংগঠন নেই ক্রিকেটারদের। তাই তারা কোয়াবকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। মূলত এই উদ্দেশেই আজ মিরপুরে ক্রিকেটারদের বৈঠক বসেছিল।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের উইন্ডিজ সফরের সূচি চূড়ান্ত

Related Articles

কারস্টেনকে বিমোহিত করেছেন সবাই

পরামর্শকই কারস্টেনের ভূমিকা

সিনিয়র ক্রিকেটারদের সাথে কারস্টেনের বৈঠক

বিশ্ব একাদশের হয়ে না খেলার শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন আফ্রিদি

সাকিবের পর বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলছেন না আফ্রিদি