অবশেষে আসছে আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন

১৯৯৭ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভের পরপরই তৎকালীন বোর্ড কর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রিজিওনাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থা গঠনে। সেই প্রতিশ্রুতি হাওয়ায় মিলিয়ে ঠাই নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। গত নভেম্বর মাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নাজমুল হাসান পাপন আবারও দিয়েছিলেন আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গঠনের আশ্বাস, আগের আশ্বাসগুলোর ধারাবাহিকতায়। তবে এবার কথা রাখছেন বিসিবি সভাপতি।

পাপন papon

বুধবার বিসিবির বোর্ড সভা শেষে সিদ্ধান্ত হয় শীঘ্রই আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গঠনের। সভা শেষে সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আমরা কিভাবে আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থা গঠন করা হবে সেই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছি। আজই খসড়াটি এলে আমরা সভায় পাশ করে দিতাম। তবে আমি বলতে পারি ১৫ দিনের মধ্যেই তা পাস হয়ে যাবে। আর আগামী এক মাসের মধ্যেই এর কার্যক্রমও শুরু হবে।’

Also Read - জবাব দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল, চালকের আসনে মধ্যাঞ্চল

আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে আঞ্চলিক একাডেমি গড়ার দিকেও মনোযোগ বিসিবির। বোর্ড সভাপতি বলেন, ‘আমরা আসলে চাচ্ছি একটি রিজিওনাল ক্রিকেট একামেডি। যে কারণে কিছু কাজ বাকি ছিল সেটি করাও শেষ হয়েছে। এখন শুধু পাস হলেই কাজ শুরু হবে। জটিলতা কিছু ছিল না। কীভাবে করব এটাই আগেই চিন্তা ছিল না। প্রথমে একটা ড্রাফট করা হয়, ওটা নিয়ে রিফাইন করা হয়। আলাপ –আলোচনা হয়। এই করতে করতে একটা শেষ জায়গায় শেষ হয়ে এসেছে।’

এতদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছিল কেন, সেটি জানাতে গিয়েও পাপন জানান একাডেমির কথা, ‘দেরি হচ্ছিল কারণ এটার সঙ্গে যোগ করতে যাচ্ছে রিজিওনাল একাডেমি, প্রথম প্রস্তাবে একাডেমির কথা ছিল না। আমরা চাচ্ছিলাম একাডেমিও হোক। ঢাকায় আছে। এখন যদি খুলনা, সিলেট এসব জায়গায় একাডেমি করে ফেলি তখন এসব জায়গায় আর চাপ পড়ে না।’

আরও পড়ুনঃ এসিসির সভাপতি হচ্ছেন পাপন