SCORE

সর্বশেষ

কাশ্মীর ইস্যুতে মুখোমুখি কোহলি-আফ্রিদিরা

১৯৪৭ সালের বিভাজনের পর কেটে গেছে কতগুলো বছর! অথচ এখনও নিরসন হয়নি জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব। সম্প্রতি ঐ এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান ১৩ জন স্বাধীনতাকামী। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর বদৌলতে রীতিমতো মুখোমুখি অবস্থান করছেন ভারত ও পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটাররা।

কাশ্মীর ইস্যুতে মুখোমুখি কোহলি-আফ্রিদিরা

হতাহতের ঐ ঘটনার পর টুইটারে পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি লিখেন, ‘ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরে ভয়াবহ, উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতার কণ্ঠস্বর চাপা দিতে দমনমূলক নীতিতে নিরীহদের গুলি করে মারা হচ্ছে। অবাক হয়ে ভাবি, কোথায় গেল রাষ্ট্রসংঘ (জাতিসংঘ), অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি! কেন এই রক্তপাত থামাতে তারা সচেষ্ট নয়?’

Also Read - শিরোপার জন্য সেরাটাই দেবে আবাহনী

আফ্রিদির এই টুইটের পরই তেতে ওঠে পুরো ভারত। ভারতের সাধারণ জনতা তো বটেই, আফ্রিদির মুন্ডুপাতে শামিল হন দেশটির ক্রিকেটাররাও।

এমনই এক টুইট বার্তায় গৌতম গম্ভীর বলেন, ‘জাতিসংঘ (ইউএন) এবং কাশ্মীর নিয়ে আফ্রিদির টুইটের প্রতিক্রিয়া জানতে অনেক মিডিয়া ফোন করেছিল আমাকে। কী আর বলা যায়? তার মানসিক বিকারগ্রস্তরা ইউএন (জাতিসংঘ)-এর মানে ‘আন্ডার নাইন্টিন’ই বোঝেন। এ নিয়ে মিডিয়ার মাথাব্যথা করার দরকার নেই। নো বলে আউট করার উদযাপনে মেতেছেন আফ্রিদি।’

টুইটারে এ নিয়ে চলা তুফানে হাওয়া বাড়িয়ে দেন সুরেশ রায়না। তিনি লিখেন, ‘কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা ভারতেরই থাকবে। আমাদের পূর্ব পুরুষরা এখানেই জন্মেছেন। আমি আশা করব, আফ্রিদি ভাই পাকিস্তান আর্মিকে আমাদের কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধের প্রস্তুতি বন্ধ করতে বলবেন। আমরা শান্তি চাই।’

তবে সবচেয়ে আলোচনা হচ্ছে বিরাট কোহলি আফ্রিদির ঐ টুইট প্রসঙ্গে মুখ খোলায়। আফ্রিদি ও কোহলির মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব- এই প্রসঙ্গে অনেকবার একসাথে খবরের শিরোনাম হয়েছেন দুজন। সেই বন্ধুকে ইঙ্গিত করে কোহলি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘একজন ভারতীয় হিসেবে আমি সবসময় দেশের ভালো চাইবো। দেশের স্বার্থে পাশে দাঁড়াব। যদি কেউ এর বিরোধীতা করে, তবে তাকে সমর্থন করার প্রশ্ন নেই। পুরো বিষয়টি না জেনে আমি বিশেষ কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে দেশের প্রতি আমার সমর্থন সবসময় থাকবে।’

আফ্রিদির ঐ টুইটের বিপরীতে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন কপিল দেবও। শেষপর্যন্ত এই ঘটনা কোথায় গিয়ে থামে, সেটিই এখন দেখার বিষয়!

আরও পড়ুনঃ আইপিএল স্থগিতে হাইকোর্টে পুলিশের আবেদন

Related Articles

শিরোপা ধরে রাখার সামর্থ্য আছে ভারতের : কপিল