SCORE

সর্বশেষ

‘খেলতে গেলে চোটে পড়তেই পারে’

ইনজুরির কারণে ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বিসিএলের চতুর্থ রাউন্ডে খেলতে পারছেন না জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। এই তালিকায় আছে অনেকগুলো নাম- নাসির হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, তামিম ইকবাল।

Tamim-Iqbal

গ্রামের বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন রুবেল। ৮ এপ্রিল ফেসবুকে বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন এই ক্রিকেটার। বিসিএলে খেলবেন না মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। ডিপিএল শেষেই ছুটির জন্য আবেদন করেছিলেন মোসাদ্দেক। অন্যদিকে কিছুদিন আগে হাঁটুর ইনজুরিতে পড়া তামিম ইকবালও থাকছেন না এবারের বিসিএলে। বাকীরাও আছেন ইনজুরি পুনর্বাসন সময়ে।

Also Read - বিসিএলের দ্বিতীয়ার্ধ: সামর্থ্য প্রমাণের শেষ সুযোগ!

একইসাথে এতজন ক্রিকেটার ইনজুরিতে পড়া কীসের লক্ষণ? এর কারণই বা কী? শঙ্কা ও ভয়ের সুযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। তার মতে, খেলোয়াড়দের এই চোট একইসাথে হয়নি। তাই এ নিয়ে শঙ্কার কিছুও নেই।

দেবাশীষ বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে খেলোয়াড়েরা বেশি চোটে পড়ছে, বিষয়টি তা নয়। গত কদিনে জাতীয় দলের কজন খেলোয়াড় একই সময়ে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে এমনটা মনে হতে পারে। চোট দুই ধরনের। হঠাৎ পাওয়া আঘাত, যেটা নাসির পেয়েছে। আরেকটি হচ্ছে ক্রনিক চোট, যেটি অনেক দিন ধরে খেলোয়াড়েরা বয়ে বেড়ায়। তামিম-তাসকিন-মিরাজ পড়েছে এ ধরনের চোটে। একই সঙ্গে সবাই চোটে পড়ছে সেটা বলা যাবে না। হঠাৎ এক সঙ্গে রিকভার করতে এসেছে। ইতিবাচক দিক হচ্ছে আমাদের সাপোর্ট সিস্টেম, ফিজিও থেরাপি ভালো বলে তারা দ্রুত সেরেও উঠছে।’

ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের উৎসর্গতা প্রয়োজন হয় অনেক বেশি। ঝুঁকি নিয়ে খেলতে গিয়ে চোট পাওয়া তাই অস্বাভাবিক নয়। দেবাশীষ বলেন, ‘খেলতে গেলে চোটে পড়তেই পারে। সব সময়ই শতভাগ চোটমুক্ত থাকা কঠিন। তবে ফিটনেস ঠিক রাখতে হলে আপনাকে বুঝতে হবে, কোন খেলাটা খেলব আর কোনটা খেলব না। অনেক সময় পরিস্থিতি এমনই থাকে বাধ্য হয়ে খেলতে হয়। পরে সেটির ধকল যেন কাটিয়ে ওঠা যায়, সে দিকটিও খেয়াল রাখতে হবে।’

আরও পড়ুনঃ বিসিএলের দ্বিতীয়ার্ধ: সামর্থ্য প্রমাণের শেষ সুযোগ!

Related Articles

বিছানা থেকেই উঠতে পারছি না: তাসকিন

ছুরির নিচে যেতে হচ্ছে না মিরাজকে

এবার ইনজুরিতে মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ

রুবেল হোসেনের জন্ডিসের শঙ্কা

মোসাদ্দেকের ইনজুরি