SCORE

সর্বশেষ

জবাব দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল, চালকের আসনে মধ্যাঞ্চল

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) রাজশাহীতে দক্ষিণাঞ্চল বনাম মধ্যাঞ্চলের ম্যাচে চালকের আসনে রয়েছে মধ্যাঞ্চল। প্রথম ইনিংসে ১১১ রানের লিড নিয়েছে মধ্যাঞ্চল। ঢাকায় পঞ্চম রাউন্ডের অন্য ম্যাচে উত্তরাঞ্চলের ৪১৫ রানের ইনিংসে শক্ত জবাব দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল।

উত্তরাঞ্চল বনাম পূর্বাঞ্চল :  ৫ উইকেটে ২০৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে উত্তরাঞ্চল। ৪৩ রানে অপরাজিত থাকা জহুরুল ইসলাম এবং ১৭ রান করা আরিফুল ইসলাম মিলে দেখেশুনেই খেলতে থাকেন। দুজন মিলে দ্বিতীয় দিন যোগ করেন আরো ১৪৬ রান। দুজনেই স্পর্শ করেন শতক। দলীয় ৩৫০ রানের মাথায় তাদের ১৮৪ রানের জুটি ভাঙেন মুমিনুল হক।

১২ চারে ২৩৮ বলে ১১৩ রান করে বিদায় নেন জহুরুল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার ত্রয়োদশ শতক। দলীয় ৩৮০ রানের মাথায় আউট হন আরিফুল। শতকের পর বেশিক্ষণ টিকেননি আরিফুল হক। তাকে ফেরান পেসার আবু জায়েদ। ১০১ রান করে ফিরে যান তিনি। দারুণ এক ক্যাচ নেন সোহাগ গাজী।  প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি ছিল আরিফুলের সপ্তম শতক। তার ইনিংসে ছিল ৭ চার এবং ১ ছক্কা।

শেষদিকে ৪২ বলে ৩০ রানের এক দারুণ ইনিংস খেলেন তাইজুল ইসলাম। ১৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন শফিউল। ৪১৫ রানের বড় স্কোর গড়ে অলআউট হয় উত্তরাঞ্চল। চার উইকেট শিকার করেন সোহাগ গাজী।

Also Read - এসিসির সভাপতি হচ্ছেন পাপন

দিনের শেষেও ছিল ব্যাটসম্যানদের দাপট। উত্তরাঞ্চলের বড় স্কোরের শক্ত জবাব দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল। তাসামুল হক ও লিটন দাস দাপুটে ব্যাটিং করেন। দ্রুতগতিতে রান তুলেন দুজন। ২৭ ওভার ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে বিনা উইকেটে ১১০ রান তুলেন লিটন ও তাসামুল।
আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে ব্যাটিং করেন লিটন ও তাসামুল। ৫৭ বলেই ফিফটি করে ফেলেন লিটন। ৬ চার ও ২ ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করে অপরাজিত আছেন লিটন। ৬ চারে ৪৯ রান করে অপরাজিত আছেন তাসামুল।

প্রথম দুই দিন শেষে ম্যাচ ইঙ্গিত দিচ্ছে ড্র হওয়ার। তবে তৃতীয় দিন উত্তরাঞ্চলের বোলাররা পূর্বাঞ্চলকে অল্প

সংক্ষিপ্ত স্কোর ঃ উত্তরাঞ্চল ৪১৫, অলআউট, ১২২.৪ ওভার (প্রথম ইনিংস)
জহুরুল ১১৩, আরিফুল ১০১, শান্ত ৭৩
সোহাগ ৪/৯১, আশরাফুল ২/৬৩

পূর্বাঞ্চল ১১০/০, ২৭ ওভার (দ্বিতীয় ইনিংস)
তাসামুল ৪৯*, লিটন ৫২*

পূর্বাঞ্চল ৩০৫ রানে পিছিয়ে। হাতে রয়েছে ১০ উইকেট।

দক্ষিণাঞ্চল বনাম মধ্যাঞ্চল : ২ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল মধ্যাঞ্চল। মাঠ ভেজা থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে শুরু হয় খেলা। দিনের শুরুটা ভালো হয়নি মধ্যাঞ্চলের। ১৬৬ রানের মাথাতেই তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে। ১৫ রান করে রান আউট হন মার্শাল আইয়ুব। বড় স্কোর গড়তে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৪০ বলে ১৪ রান করে হন আব্দুর রাজ্জাকের শিকার। ওপেনিংয়ে নামা সাদমান যেন ভুগছিলেন সঙ্গীর অভাবে।

৭ রানের আফসোস নিয়ে ক্রিজ ছাড়েন সাদমান। ৯৩ রান করে রাজ্জাকের বলে স্টাম্পিং হন সাদমান। এরপর তানভীর হায়দারকে ফেরান নাঈম হাসান। ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেন তানভীর। সপ্তম উইকেট জুটিতে ৭৯ রান যোগ করেন ইরফান শুক্কুর এবং মোশাররফ হোসেন। তাদের জুটিতে বড় লিড নেয় মধ্যাঞ্চল। তাদের জুটিও ভাঙেন রাজ্জাক। ২৮ রান করে এলবিডব্লিউ হন মোশাররফ। পরের বলে আবু হায়দারকেও ফেরান তিনি। নিজের পরের ওভারে শিকার করেন ইরফানের (৫৪) উইকেট। একাই ছয় উইকেট নেন রাজ্জাক। সালাহউদ্দিন শাকিলকে ফিরিয়ে দিয়ে ইনিংস শেষ করেন নাঈম।

ছয় উইকেট শিকারের পথে রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে ছুঁয়েছেন এনামুল হক জুনিয়রকে। এ নিয়ে ৩৫ বছর বয়সী রাজ্জাক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫ উইকেট নিলেন ৩২ বার।

৩০২ রান করে অলআউট হয় মধ্যাঞ্চল। বড় লিডের জবাব দিতে গিয়ে শুরুটা ভালো হয়নি মধ্যাঞ্চলের। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় তারা। ৩৮ বলে ৯ রান করে তানভীর হায়দারের শিকার হন ফজলে মাহমুদ। দিনশেষে তাদের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৫০ রান। এখনো ৬১ রানে পিছিয়ে আছে তারা। এনামুল ও ইমরুল কায়েস দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : দক্ষিণাঞ্চল ১৯১, অলআউট, ৪৯.৫ ওভার (প্রথম ইনিংস)
ফজলে ৪০, নুরুল ২৮, এনামুল ২৩
ইবাদত ৪/৩২, মোশাররফ ৪/৫৭

মধ্যাঞ্চল ৩০২, অলআউট, ৮৮.৩ ওভার (প্রথম ইনিংস)
সাদমান ৯৩, ইরফান ৫৪, মজিদ ৪৪
রাজ্জাক ৬/১০৬, নাঈম ৩/৮৩

দক্ষিণাঞ্চল ৫০/১, ১৯ ওভার (দ্বিতীয় ইনিংস)
এনামুল ৩১*, কায়েস ১০*
তানভীর ১/৫

দক্ষিণাঞ্চল ৬১ রানে পিছিয়ে এবং হাতে ৯ উইকেট রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এসিসির সভাপতি হচ্ছেন পাপন

Related Articles

উইন্ডিজ সফরের টেস্ট স্কোয়াডে ‘ইন-আউট’ যারা

দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ল রাজ্জাকদের বেতন

সাকিবের পাশে থিতু হতে চান অপু

রাজ্জাকের স্পিন ঘূর্ণিতে চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণাঞ্চল

‘যেখানেই খেলি না কেন ভালো খেলতে হবে’