SCORE

সর্বশেষ

শেষ ওভারের নাটকে আবারও মুম্বাইয়ের হার

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এগারোতম আসরের নবম ম্যাচে আবারও শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ওভারের শেষ বলে খেলার ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। যেখানে আবারও কপাল পুড়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। নাটকীয় শেষ বলের জয়ে আসরের তিন নম্বর ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেল দিল্লি আর পরাজয়ের বৃত্তেই আবদ্ধ থাকলো মুম্বাই।

রোহিতের সাথে মুস্তাফিজের উইকেট উদযাপন।
রোহিতের সাথে মুস্তাফিজের উইকেট উদযাপন।

মুম্বাইয়ের জয়ের নায়ক হওয়ার সুযোগ আরও একবার এসেছিল বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের সামনে। তবে আগের তিন ওভারে ১১ রান দেওয়া এ বোলার শেষ ওভারে ১১ রান রুখতে পারেননি। তার প্রথম বলে চার ও দ্বিতীয় বলে ছয় মেরে দিল্লির জয় এক প্রকার নিশ্চিত করে ফেলেন জেসন রয় তবে এরপরই জমে ওঠে ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব। টানা তিন বল ডট দিয়ে সমীকরণ ১ বলে ১ রানে নিয়ে আসেন মুস্তাফিজ। তবুও নায়ক হওয়া হলো না বাঁহাতি এ পেসারের। তার শেষ বলে অফ সাইডে উড়িয়ে মেরে জয় নিশ্চিত করেন ৫৩ বলে ৯১ রানে অপরাজিত থাকা রয়।

৬ চার ও ৬ ছয়ে নিজের অভিষিক্ত ইনিংস সাজান ইংলিশ এ ব্যাটসম্যান। তাছাড়া রান তাড়া করতে নেমে বিজয়ী দল দিল্লির পক্ষে ২৫ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস আসে রিশাভ প্যান্টের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে ২০ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন শ্রীয়াসও।

Also Read - ‘এখনই রাজনীতিতে নয়’

মুম্বাইয়ের বোলারদের মধ্যে ক্রুনাল পান্ডিয়া দুটি ও মুস্তাফিজ ২৫ রানের বিনিময়ে নেন একটি উইকেট।

এর আগে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে দিল্লির অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আগে ব্যাট করতে আসে মুম্বাই। সুর্যকুমার যাদব ও এভিন লুইসের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় দলটি। আসরে প্রথমবারের মতো শতরানের জুটি গড়ার পর দলীয় ১০২ রানে বিচ্ছিন্ন হয় জুটিটি।

২৮ বলে সমান ৪ চার ও ৪ ছয়ে ৪৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলার পর নবম ওভারের শেষ বলে রাহুলের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন লুইস। আর এতে আবারও ঝড়ো শুরুর পরও অর্ধশতক স্পর্শ না করতে পারার ব্যর্থতা নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। লুইস না পারলেও ৭ চার ও ১ ছয়ে অর্ধশতক ঠিকই তুলে নেন অপর ওপেনার যাদব। তবে ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো তাণ্ডবের পর তিনিও কুপোকাত হন রাহুলের বলে।

দুই ওপেনারের উড়ন্ত শুরুর পর ইশান কিশানের ঝড়ো ২৩ বলের ৫ চার ও ২ ছয়ের ৪৩ রানের ইনিংসে ২০০ এর চেয়ে বেশি স্কোরের স্বপ্ন দেখলেও শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি। ক্রিস্টিয়ানের বলে ইশান বোল্ড হলে ১৬৬ রানে তিন উইকেটের পতন ঘটে মুম্বাইয়ের। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার সাথে ঠিকভাবে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠতে না পারায় কাঙ্ক্ষিত স্কোরের দেখা পায়নি দলটি।

শেষ ৫ ওভারে ২ বাউন্ডারির সাহায্যে মাত্র ৩৬ রান তুললে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৯৩ রানে থামে মুম্বাইয়ের ইনিংস। দিল্লির বোলারদের মধ্যে ক্রিস্টিয়ান, রাহুল ও ট্রেন্ট বোল্ট প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন। তাছাড়া মোহাম্মদ শামি লাভ করেন একটি উইকেট।

স্কোরকার্ড-

আরও পড়ুনঃ এখনই রাজনীতিতে নয়: সাকিব

Related Articles

টিকে থাকার লড়াইয়ে মুখোমুখি কলকাতা-রাজস্থান

সাকিবদের হারিয়ে ফাইনালে চেন্নাই

সাকিবের কাছে হার মানলেন রশিদ

চেন্নাইয়ের বিপক্ষে সাকিবদের ফাইনালে ওঠার লড়াই

নিজে হারলেও মুম্বাইয়ের পরাজয়ে প্রীত প্রীতি!