গলে ফিক্সিং: বহিষ্কার হলেন কিউরেটর

শ্রীলঙ্কার গল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে কর্তব্যরত কিউরেটরকে বহিষ্কার করেছে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড এসএলসি। থারাঙ্গা ইন্ডিকা নামের ঐ কিউরেটর গল স্টেডিয়ামের সহকারী ম্যানেজারের দায়িত্বেও ছিলেন।

গলে ফিক্সিং: বহিষ্কার হলেন কিউরেটর
গলের এই পিচ ব্যবহার করেই ফিক্সিং করেছেন ঐ কিউরেটর। ছবি: এএফপি

তার যোগসাজশে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে গলে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি ম্যাচে ফিক্সিং করে বাজীকররা।

সম্প্রতি ক্রিকেটে দুর্নীতি নিয়ে আলজাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে এবং ২০১৭ সালে ভারত সিরিজে এই ফিক্সিংয়ের কাণ্ড ঘটান থারাঙ্গা ইন্ডিকা। যাদের প্ররোচনায় তিনি এই ঘৃণিত কাজ করেছেন তারা হলেন- রবিন মরিস ও থারিন্দু মেন্ডিস। এর মধ্যে রবিন মরিস মুম্বাই এবং থারিন্দু মেন্ডিস কলম্বোর অধিবাসী। বাজীকর হলেও তাদের আরেকটি পেশা, দুজনই পেশাদার ক্রিকেটার!

Also Read - আইপিএলের চোটে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজুর

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজীকরের কথামত উইকেট বানিয়ে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়াকে বড় হারের লজ্জা দিয়েছিলেন থারাঙ্গা ইন্ডিকা। গলে অনুষ্ঠিত ঐ ম্যাচে উইকেট বুঝতে না পারায় প্রথম ইনিংসে ১০৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৩ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। সফরকারীরা ঐ ম্যাচে ২২৯ রানের বিশাল পরাজয় বরণ করে নেয়। ফিক্সিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল পাঁচ দিনের আগে খেলা শেষ করা।

এরপর ২০১৭ সালে ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরের সময়ও ফিক্সিং করা হয়। বাজীকরের কথামত তৈরি করা হয় ব্যাটিং বান্ধব উইকেট। ঐ ম্যাচে ৬০০ রান করেছিল ভারত, স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় পেয়েছিল ৩০৪ রানের বড় ব্যবধানে।

এ প্রসঙ্গে এসএলসির প্রধান নির্বাহী অ্যাশলে ডি সিলভা বলেন, এমন অভিযোগের পরপরই আমরা আমাদের অবস্থা শক্ত রাখতে আইসিসির সাথে যোগাযোগ করেছি। তদন্ত এখনও এগিয়ে চলছে। গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই সব বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।

ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠায় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হবে না- এমনটা ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, শ্রীলঙ্কায় অনেক দেশই খেলতে আসে আর আসবে। তাই আমরা খুব গুরুত্বের সাথে ব্যাপারটি দেখছি। শুধু তাই নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটেও পিচ কিউরেটরদের ব্যাপারে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি করেছি।

আরও পড়ুনঃ ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলে যেতে চান মাশরাফি