SCORE

সর্বশেষ

সৈকতে অনুশীলন করবেন তাসকিন-রাহী-রাব্বিরা

বিভিন্ন ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের মধ্যে ফিটনেস নিয়ে একটু বেশি খাটুনি যায় পেসারদেরই। বাংলাদেশ দলে এখন পেসারদের রমরমা। যদিও প্রত্যাশিত মানের পেসার আছেন খুব কমই।

সৈকতে অনুশীলন করবেন তাসকিন-রাহীরা

এবার এইচপি দলে ডাক পাওয়া পেসারদের নিয়ে ভিন্নধর্মী এক ক্যাম্প করতে যাচ্ছে বিসিবি, যা হবে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে। এর তত্ত্বাবধানে থাকবেন বিসিবির শ্রীলঙ্কান পেস বোলিং কোচ চম্পকা রমানায়েকে। তাসকিন-রাহী-রাব্বীরা সৈকতে অনুশীলন করে বাড়াবেন তাদের গতি, উন্নত করবেন ফিটনেস।

Also Read - আফগানিস্তান সিরিজের চূড়ান্ত সূচি

এ প্রসঙ্গে বিসিবির পেস বোলিং কোচ মাহবুব আলী জাকি বলেন,

‘যত দূর মনে পড়ে, এর আগে জাতীয় দল সম্ভবত বহু দিন আগে কক্সবাজারে কোনো একটি শিবির করেছিল। সেখানে এইচপির কোনো আয়োজন এবারই প্রথম। এর পুরোটাই ফিটনেস কেন্দ্রিক হবে। এবার একটু ভিন্নধর্মী শিবিরও করতে চলেছি আমরা। কক্সবাজারকে বেছে নেওয়ার কারণ সৈকতের বালু পেসারদের শারীরিক গঠনের পক্ষে খুবই উপকারী হবে।’

সৈকতে পেসারদের অনুশীলনের কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা মূলত পেসারদের শরীরের নিচের অংশের ওপর ভিত্তি করে কাজগুলো করব। কারণ ওদের সহ্যক্ষমতা ও ক্ষিপ্রতা বাড়াতে আগে ওই অংশটা মজবুত হওয়া চাই। ওরা এমনিতেই জিম করে, তবে আমরা বালু ও পানির সমন্বয়ে এমন একটি কর্মসূচি সাজিয়েছি, যেটি ওদের আরো উপকারে আসবে।’

বালুর উপর পেসারদের প্র্যাকটিসের বিষয়টি অবশ্য চালানো হয় সবসময়ই। বিসিবি একাডেমিতেও একটা অংশে রাখা আছে বালুর আস্তরণ, যেখানে ঘাম ঝরানোর অভিজ্ঞতা আছে চোট পুনর্বাসন থেকে ফেরা বোলারদের।

জাকি বলেন, ‘যদি নিয়মিত ভিত্তিতে করা যায়, তাহলে ফাস্ট বোলারদের জন্য এটাই হবে সেরা কর্মসূচি। আপনারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে একাডেমিতেও ছোট্ট একটা বালুভর্তি জায়গা আছে। কক্সবাজারে সেই জায়গাটাই অনেক বড় আকারে পেতে চলেছে পেসাররা। রানিংয়ের কর্মসূচিই বেশি রাখছি আমরা। বালুর সৈকতে নানা ধরনের দৌড়ে ওদের ফিটনেস বাড়বে নিশ্চিতভাবেই। পাশাপাশি রানিং আছে পানিতেও। সমুদ্রের পার ধরে দৌড়াবে।’

আরও পড়ুনঃ দুটির বেশি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে পিসিবির মানা

Related Articles

ডাক পেতে পারেন নাফিস-রাহী!