SCORE

সর্বশেষ

আফসোসের আগুনে পুড়ছেন আরিফুল

আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার তিন ম্যাচ টি-২০ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল একটি বাউন্ডারি। স্ট্রাইকিং প্রান্তে থাকা আরিফুল হক প্রাণপণে হাঁকিয়েছিলেনও বলটাকে। তবে আফগানিস্তানের অসাধারণ ফিল্ডিংয়ে সীমানা ছাড়ার আগে ক্রিজের দিকে ফেরত আসে বল। ফলাফল- আফগানদের কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ।

আরিফুল হক
আরিফুল হক। ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ‘হিরো’ হওয়ার মোক্ষম সুযোগ পেয়েও দুর্ভাগ্যক্রমে সেটি হাতছাড়া করা আরিফুল এ নিয়ে এখনও পুড়ছেন আক্ষেপের অনলে। মঙ্গলবার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে গেলে, আমার কাছে মনে হচ্ছিলো যে আমি ম্যাচটি জেতাতে পারবোআর আমি ড্রেসিংরুমেও বলেছিলাম, ম্যাচটি জেতাতে পারবো আমি ক্রিজে যাওয়ার পর যখন রশিদ খানকে ফেস করলাম, আমি হয়তো তিনটি বল খেলেছি, রিয়াদ ভাই তিনটি বল ফেস করেছেশেষ বলটি অনেকটা ছিলো ডু অর ডাইহয় ছয় নাহলে চার মারতে হবে

আরিফুলের সেই আত্মবিশ্বাস শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি। আর সেজন্য তিনি দোষারোপ করছেন ভাগ্যকেই, রিয়াদ ভাই আমাকে বলেছিলেন যে দেখ এতো কিছু চিন্তা করিস না, শুধু বলটি দেখ আর হিট করআর এটাই তোর হিরো হওয়ার একটি সুযোগহয়তোবা ব্যাটেও লেগেছে, তবে হয়তো কপালে ছিলো নাক্রিকেট খেলাটি আসলে কপালের ওপর অনেকটা নির্ভর করেহয়তো বা হাতে লেগে ছয় কিংবা চার হয়ে যেতে পারতোতবে কোনোটাই হলো নাআসলে এটি ব্যাড লাক ছিলো

Also Read - স্কটিশদের বিপক্ষে পাকিস্তানের ৪৮ রানের জয়

সিরিজ শেষ হওয়ার পর অনেকদিন কেটে গেলেও যাচ্ছে না আরিফুলের আফসোস। তার ভাষ্য। এখন পর্যন্ত আমার আফসোস হচ্ছে যে এত বড় একটি সুযোগ ছিলো আমার কাছে যে আমি কেবল দুটি টি-২০ ম্যাচ খেলেছি এবং তিন নম্বরটিতে জেতানোর সুযোগ এসেছে অথবা আমি জেতাবো, সবকিছু একটা কৌতূহল জাগছিলো। আমি যদি জেতাতে পারতাম তাহলে অনেক ভালো হতো। একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকতো আমারআমি মারা যাওয়ার আগে পর্যন্ত হয়তো তা মনে থাকতোকিন্তু ব্যাড লাক যে সেটি হচ্ছে না

আরও পড়ুনঃ টেস্ট দল থেকে বাদ পড়লেন শামি

Related Articles

স্ট্রাইকিং প্রান্তে শুরু করতেই ভালোবাসেন তামিম

“খেলায় আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকবেই”

আলোচিত ব্যাঙ্গালোর টেস্টে যত রেকর্ড

আফগানদের পরাজয়ে প্রোটিয়াদের স্বস্তি!

দু’দিনেই শেষ ব্যাঙ্গালোর টেস্ট