Scores

অধিনায়ক হিসেবে যে হারটা সবচেয়ে বেশি ‘কষ্ট’ দেয় মাশরাফিকে

জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়কত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় বলেছেন মাশরাফি মুর্তজা। অধিনায়ক হিসেবে দীর্ঘ এই সাড়ে পাঁচ বছরের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি যে হারটি পোড়ায় মাশরাফিকে সেটির কথা জানিয়েছেন তিনি।

২০১৪ সালের শেষদিকে পুনরায় অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মাশরাফি। অবশ্য দায়িত্ব এর আগেও পেয়েছিলেন কিন্তু ইনজুরির কারণে সেটি চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে তার অধীনেই পাল্টে যায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের চেহারা। ওয়ানডের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টির দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয় তার কাঁধে। সাড়ে পাঁচ বছরের এই অধিনায়কত্বের ক্যারিয়ারের অনেক বড় জয় এবং হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছেন মাশরাফি।

Also Read - নতুন অধিনায়ক নিয়ে মাশরাফির চাওয়া


ওয়ানডে অধিনায়কের পর্বটা শেষ হচ্ছে আগামীকাল। টি-টোয়েন্টিরটা শেষ হয়েছিল আরও অনেক আগেই। তার মধ্যে সবচেয়ে কষ্টকর হারের কথা জানিয়েছেন মাশরাফি। অবশ্য এটি ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে এক রানের হারের ম্যাচটি। সেবার খুব কাছে গিয়েও হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। আজ সংবাদ সম্মেলনে সেটিই মনে করিয়ে দিলেন মাশরাফি।

“সবচেয়ে কষ্টকর ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে এক রানের হারটা। সে রাতটা আমি একা না শুধু পুরো দলের জন্য কষ্টকর ছিল। আমরা সবাই হোটেলে এসে বারান্দায় বসেছিলাম। অধিনায়ক হিসেবে দলের ক্রিকেটারদের দেখে খুবই খারাপ লাগছিল। তারপরেও অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় পার করেছি। গত বিশ্বকাপেও, একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টুর্নামেন্টে টিকে ছিলাম শেষটা ভালো হয়নি, যেটা কিনা কঠিন ছিল।”

তিনি আরও যোগ করেন, “অধিনায়ক যে থাকুক না সে তো পরিকল্পনা করে ম্যাচ জিততে। সেটি না হলে বাংলাদেশের সব অধিনায়কের জন্যই কঠিন সময়। ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকটা পরাজয়ই আমার জন্য কঠিন ছিল।”

অবশ্য শেষ একটা বছর খুব বাজে কাটছে মাশরাফির। ওয়ানডে বিশ্বকাপে তো মাত্র একটি উইকেট পেয়েছেন। আর এটি নিয়ে কম সমলোচনার শিকার হতে হয়নি তাকে। এই সময়টা কতটা কঠিন ছিল তার জন্য সংবাদ সম্মেলনে সেটিও জানালেন মাশরাফি।

“ঘুম থেকে উঠে রাতটা আরামে গেলে তো লাইফ চ্যালেঞ্জের জায়গায় দাঁড়ালো না। অবশ্যই কঠিন ছিল আমার জন্য কিন্তু এটাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবেও নিয়েছি। আমি মনে করি ‘হাল ছেড়ে দেওয়াটা’ কোনভাবেই অপশন হতে পারে না। আমরা এইটা মুখে বলি, কাজে কেউ প্রমাণ করতে চাই না। এমন কঠিন সময় যেতেই, এরচেয়ে আরও কঠিন সময়ও যেতে পারে। ওই সময়টায় ‘হাল ছেড়ে’ দেওয়া এক জিনিস আর ‘হাল না ছেড়ে’ দেওয়াটা অন্য জিনিস।”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

তামিমের রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের রান পাহাড়

ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের রেকর্ড জয়

‘তামিম-মুশফিকদেরও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে’

পেস বোলারদের ইঞ্জুরির গ্যারান্টি দেওয়া সম্ভব না : সাইফউদ্দিন

জিম্বাবুয়েকে খাটো করে দেখতে নারাজ সাইফউদ্দিন