Scores

অনুশীলনে ফিরছেন কোহলিরা, মাস্কে লিখতে হবে নাম

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে। আর বসে থাকার উপায় নেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের। বিরাট কোহলিদের অনুশীলনে ফেরার যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে এর জন্য একাধিক নিয়ম বেধে দিয়েছে বিসিসিআই।

করোনার পর প্রায় সবগুলো দলই মাঠে নেমে পড়েছে। দলগত না হলেও ব্যক্তিগত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বাকি ছিল ভারত। আসন্ন আইপিএল আর অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য তাদেরও আর বসে থাকার উপায় নেই। এরই মধ্যে দেশটির ক্রিকেটারদের জন্য ভেন্যুও চূড়ান্ত করে দিয়েছে বিসিসিআই।

Also Read - করোনার পর ‘সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে’ টাইগাররা


কোহলিদের অনুশীলনের জন্য ব্যাঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। যেখানে থাকছে অনেক নতুনত্ব। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে (এনসিএ) ক্রিকেটারদের ট্রেনিংয়ের সময় করোনার বিপক্ষে লড়াইয়ের জন্য থাকছে কোভিড টাস্ক ফোর্স। যার প্রধান হিসেবে থাকছেন স্বয়ং রাহুল দ্রাবিড়।

তবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফিরতে হলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। ১০৭ পাতার এসওপিতে বিস্তারিত উল্লেখ করেছে বিসিসিআই। যেখানে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মানার প্রতিজ্ঞাপত্র জমা দিলে তবেই মিলবে মাঠে নামার ছাড়পত্র।

এই নিয়মের মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ট্রেনিং শুরু করা থেকে ক্রিকেটারদের পকেটে স্যানিটাইজার রাখা। মাঠে আসার আগে সর্বক্ষণ এন-৯৫ মাস্ক পরে থাকা। এবং নিজ নিজ মাস্কে নাম লিখে রাখা। বলে লালা ব্যবহার না করা।

ভারতীয় দলের অনুশীলনে ফেরার জন্য বিসিআইয়ের বেধে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা:

১. ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারদের সরঞ্জাম জীবানুমুক্ত করতে হবে।

২. ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফরা মাঠে নামার আগে তাদের স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক। নতুন করে কেউ অনুশীলনে যোগ দিলে তাকে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

৩. ক্রিকেটারদের সবাইকে অনুশীলনের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক পরে আসতে হবে। এনসিএ–র শৌচাগার যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করতে হবে।

৪. বলে লালা ব্যবহার করা যাবে না। বলকেও জীবানমুক্ত রাখতে হবে।

৫. কোচ বা সাপোর্ট স্টাফদের যেকোনো একজন প্রতিদিন নিয়ম করে অনুশীলনে আসা ক্রিকেটারদের জিজ্ঞাসা করতে হবে তারা কোনরকম অসুস্থ বোধ করছে কিনা।

৬. ছোট গ্রুপ করে ট্রেনিং শুরু করতে হবে। এবং দু’জন ক্রিকেটারের মধ্যে দুই মিটারের দূরত্ব থাকা বাধ্যতামূলক।

৭. ট্রেনিং এমন ভাবে করতে হবে যাতে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজন তেমন না পড়ে।

৮. ফিজিওথেরাপির একান্ত দরকার হলে এসি বন্ধ রাখতে হবে। প্লেয়ার এবং ফিজিও দু’জনকেই মাস্ক পরতে হবে।

৯. জিমের সরঞ্জাম নতুন করে সাজাতে হবে। জিম ব্যবহার না করতে পারলে সবচেয়ে ভাল। কিন্তু একান্তই প্রয়োজন হলে দুই মিটারের দূরত্বে দু’জনকে জিম করতে হবে। একসঙ্গে ঘরে থাকতে পারবেন চার জন ক্রিকেটার। বিভিন্ন স্লটে জিম সেশনকে ভাগ করতে হবে, যাতে যথেষ্ট সময় থাকে জিমের সরঞ্জামকে জীবানুমুক্ত করার।

১০. মাস্কে ক্রিকেটারদের নাম লিখে রাখতে হবে। যাতে বদলানোর ঝুঁকি কম থাকে।

১১. ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারদের কোভিড শিক্ষার বন্দোবস্ত করা বাধ্যতামূলক।

১২. ট্রেনিং শুরুর আগে ক্রিকেটারকে লিখিত দিতে হবে যে, সে  সব শর্ত মেনে ট্রেনিং করতে রাজি।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

Related Articles

বোলিংয়ে নতুন অস্ত্র যোগ করছেন রশিদ

৬টি কেক কেটে যুবরাজের ‘৬ ছক্কা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন

জম্মু-কাশ্মিরে দশটি স্কুল ও ক্রিকেট একাডেমি বানাবেন রায়না

সীমান্ত খুললেও দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরছে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জার্গেনসেনের চুক্তি বাড়ল দুই বছর