Scores

অনেকেই সমর্থন পেয়ে জাতীয় দলে থেকে যান: ইমরুল

বাংলাদেশ দলে প্রায় এক যুগ ধরে খেলছেন ইমরুল কায়েস কিন্তু সে তুলনায় খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়ে ওঠেনি তার। কারণ দলে স্থায়ী সুযোগ না পেয়ে যাওয়া-আসার মধ্যে থাকেন তিনি। সময়ের তুলনায় ম্যাচ বেশি খেলতে না পারায় নিজেকে দুর্ভাগা ভাবার সাথে মেনে নিচ্ছেন ভাগ্যের পরিহাস। তবে আফসোস আছে টানা দীর্ঘ সময় জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার।

 

ইমরুল কায়েস

Also Read - সাব্বিরের সাথে তেমন কিছুই হয়নি, বলছেন মিরাজ


ইমরুলের কাছে জাতীয় দলে খেলতে পারাটাকে সবচেয়ে বড় সৌভাগ্যের মনে হয়। ক্রীড়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানপাওয়ারপ্লে কমিউনিকেশন্সের  সাথে সরাসরি আড্ডায় নিজের আফসোসের জায়গা নিয়ে কথা বলেছেন এই বামহাতি ওপেনার।

তিনি বলেন,বাংলাদেশ দলে খেলাটাকে আমি সবসময় খুব সৌভাগ্যের মনে করি; খুব গর্বের একটা কাজ মনে করি। আমার কাছে মনে হয়, খেললে আমি হিরো হয়ে যাচ্ছি নাকি কোন অবস্থানে যাচ্ছি এটা বেশি গুরুত্ব দিই না। যখন জাতীয় দলের জার্সি পরে মাঠে নামি তখন মনে হয় আমি আমার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি। একটা খেলোয়াড়ের কাছে এর চেয়ে বড় চাওয়া আর কিছু হতে পারে না।’

তারকাখ্যাতি না পাওয়ার ব্যাপারে ইমরুল মনে করেন সবাই একরকম হতে পারে না। ভারতীয় দুই খ্যাতনামা ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলির উদাহরণ দিয়ে এই কথাটা ব্যাখ্যা করেন তিনি। নিজের ভাগ্যও এভাবে মেনে নিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান।

ইমরুলের কণ্ঠে, ‘হ্যা, এখান থেকে অনেক খেলোয়াড় ভালো খেলে অনেক নাম করছে। কিন্তু দেখেন, সারাবিশ্বে কত খেলোয়াড় খেলছে, তারা সবাই বড় সুপারস্টার হয় না। সবাই তো আর বিরাট কোহলি, শচীন টেন্ডুলকার হয় না। কিন্তু তারা সবাই কিন্তু জাতীয় দলে খেলে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে।’

২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ইমরুলের। গত প্রায় ১২ বছর বাংলাদেশ দলের সাথে আছেন তিনি। কিন্তু ধারাবাহিক দলে জায়গা হয়নি তার। কয়েক সিরিজ পরেই বাদ পড়েন আবার দলে ফেরেন- এভাবেই এক যুগ কাটিয়ে দিয়েছেন কায়েস। এতদিন ধরে খেললেও তাই এখনো ২০০টা আন্তর্জাতিক ম্যাচও খেলা হয়নি। এদিক দিয়ে নিজেকে দুর্ভাগা মনে করেন তিনি। অনেকের মতো সমর্থন তিনি পান না বলেও জানান।

ইমরুলের ভাষায়, ‘আমার হয়তো এই সময়ে ২০০ ম্যাচ হয়ে যেতে পারত, এদিক থেকে আমি একটু দুর্ভাগা। আমার ক্ষেত্রে হয় যে আমি যখন খারাপ খেলি সাথে সাথে বাদ পড়ে যাই। এই বাদ পড়ার পরে ফিরে আমাকে আবার অনেক প্রমাণ করে আসতে হয়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে এই জিনিসটা হয় না। কোনো না কোনো ভাবে সমর্থন পেয়ে তারা জাতীয় দলে থেকে যায়।’

৩৩ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান আরও বলেন, ‘আপনি যখন একবার বাদ পড়ে যাবেন দল থেকে তারপর আবার যখন আসবেন ওই জায়গাটা আপনার কাছে আবার পুরো নতুন মনে হবে। হঠাৎ করে এসে ওখানে পারফর্ম করা অনেক কষ্টকর। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবকিছুই চ্যালেঞ্জিং। আমার মনে হয় আমি যদি ধারাবাহিকভাবে সমর্থনটা পেতাম তাহলে আমার হয়তো এতদিনে ২০০ ম্যাচ খেলা হতো (আন্তর্জাতিক), আমার রেকর্ড হয়তো আরেকটু ভালো হতো- এটা আমি নিজে বিশ্বাস করি।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। একই বছর অভিষেক হয় সাদা পোশাকেও। এখন পর্যন্ত ৩৯ টেস্ট, ৭৮ ওয়ানডে ও ১৪ টি-টোয়েন্টি মোট ১৩১টা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৭টি শতক ও ২০টি অর্ধশতকে ব্যাট হাতে তার সংগ্রহ ৪৩৫২ রান।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

আগামী দুই এশিয়া কাপের ভেন্যু চূড়ান্ত

হোল্ডারের বোলিং তোপে গুড়িয়ে গেল ইংলিশরা

ইংল্যান্ডের ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা, নেই স্টোকস-বাটলার

অবসরে যাচ্ছেন না ধোনি, করছেন কঠোর পরিশ্রম

এশিয়া কাপের ভাগ্য চূড়ান্ত করল এসিসি