অন্যতম অবদান মাশরাফিরঃ আল-আমিন

বাংলাদেশ দলে অভিষেক ২০১৩ সালে। অভিষেকের পর থেকে দলের জন্য ভালোই খেলছিলেন ডানহাতি পেসার আল-আমিন হোসেন। ডাক পেলেন ২০১৫ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে। কিন্তু এক ম্যাচও খেলা হলো না আল-আমিনের। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়লেন তিনি। এরপর দীর্ঘ দিন জাতীয় দলে ছিলেন না তিনি।

al-amin

Advertisment

গত বছর জিম্বাবুয়ে সিরিজে আবার ফিরেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। বিপিএলেও দুর্দান্ত ছিলেন আল-আমিন। নিয়েছেন একটি হ্যাট-ট্রিকও। এ বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও ভালো খেলেছিলেন আল-আমিন। এশিয়া কাপ টি২০ ২০১৬ তে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি উইকেট আল-আমিন হোসেনের। চার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

দেশের এক শীর্ষ পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাকের সাথে এক সাক্ষাতকারে আল-আমিন জানান, “আসলে দিনশেষে পেসারদের ভালো বল করাটা বেশি ভূমিকা রেখেছে নিশ্চয়ই। কারণ, উইকেট যেমনই বানান না কেন, পেসাররা যদি সেখানে ভালো বল করতে না পারে, তাহলে কিন্তু এই আস্থাটা থাকতো না। এখন দেখেন, আমাদের ফাস্ট বোলার যে যখন দলে খেলছে, সেই ভালো করছে।”

বর্তমানে বাংলাদেশ দলে পেসাররা সেরা সময় পার করছে। এ প্রসঙ্গে আল-আমিন বলেন, “আমাদের পেস বোলিং ইউনিটটা খুব বৈচিত্র্যময়। কেউ ধরেন খুব জোরে বল করছে, কেউ অনেক বেশি সুইং করাচ্ছেন, কেউ আবার সঠিক জায়্গায় বল ফেলেছে এবং টাইট বোলিং করছে। আবার মুস্তাফিজ তো আছেই। ওর নিজেরই অনেক ভেরিয়েশন আছে; কাটার, স্লোয়ার। সব মিলিয়ে এত ভেরিয়েশন খুব বেশি দলের পেস আক্রমণে থাকে না।”

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নিজেও একজন পেসার। তবে আল-আমিনের মতে শুধু পেসারদের জন্য নয়, দলের প্রত্যেক সদস্যকে সাপোর্ত দেন মাশরাফি। “অন্যতম অবদান হলো  মাশরাফি ভাইয়ের। উনি পেস বোলার বলে শুধু পেসারদের সাপোর্ট দেয়, এরকম না। পুরো দলকে আসলে মাশরাফি ভাই একটা ছায়ার তলে রাখে। প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর মাশরাফি ভাই বললো, আমরা কিন্তু ফাইনাল খেলবো। কীভাবে খেলবো জানি না। তোরা ভেঙে পড়বি না, বিশ্বাস রাখিস। আমরা ফাইনাল খেলবো,” বললেন আল-আমিন।

-রাফিন, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটিম ডট কম