Scores

ব্যাটিংয়ের ধার বাড়াতে মুশফিকের দ্বারস্থ মিরাজ

মেহেদী হাসান মিরাজের আবির্ভাব হয়েছিল অলরাউন্ডার হিসেবেই। তবে একসময় হারিয়ে যেতে থাকে তার ব্যাটসম্যান সত্তা। টেস্ট দলে হয়ে ওঠেন ‘বোলার’। সেই মিরাজই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে দুর্দান্ত শতক হাঁকিয়ে জানান দিয়েছেন- ব্যাটিংটা ভুলে যাননি। 

ব্যাটিংয়ের ধার বাড়াতে মুশফিকের দ্বারস্থ মিরাজ

জাতীয় দলের ক্যারিয়ারে একসময় মিরাজ নিজেও ব্যাটিং ছেড়ে বোলিংয়ে মনোযোগী হন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং নিয়েও কাজ করছেন। ভালো করেই জানেন, ব্যাটিংয়ের ধার বাড়িয়ে আদর্শ অলরাউন্ডার হয়ে উঠতে পরিশ্রমের বিকল্প নেই।

Also Read - নিজের কীর্তি বিশ্বাস হচ্ছে না মিরাজের


আর তাই পরিশ্রম-চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মিরাজ, সেই সাথে ব্যাটিং পরামর্শ নিচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে।

মিরাজ বলেন, ‘আমি নিজে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। কিন্তু এখন আমার মধ্যে বিশ্বাস জন্মেছে যে যদি আমি ব্যাটিং নিয়ে আরো পরিশ্রম করি, কাজ করি তাহলে তাহলে অবশ্যই ভালো অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব। আমার কথা হল যেহেতু আমার সুযোগ আছে তাহলে কেন আমি সেই সুযোগ কাজে লাগাব না।’

অলরাউন্ডার হতে হলে প্রয়োজন বাড়তি নিবেদন, বাড়তি চেষ্টা, আরও বেশি পরিশ্রম। তা মিরাজ নিজেও জানেন।

তিনি বলেন, ‘আসলে পরিশ্রম অনেক করতে হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। যারা অভিজ্ঞ হয়েছে তারা কিন্তু একদিনে হয়নি। এখনও তারা পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আমরা জুনিয়ররা শেখা উচিত অভিজ্ঞদের দেখে। আমি নিজেও শিখি। ভালোও খেলার জন্য তারা যে কষ্ট করেছে আমি তাদের দেখে পরিশ্রম করার আত্মবিশ্বাসটা পাই। আমি মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে ব্যাটিং, ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছি। তার কাছ থেকে অনেক টিপস নিচ্ছি।’

শুধু মুশফিক নন, মিরাজ ব্যাটিংয়ের পরামর্শ পাচ্ছেন তামিম ইকবালের কাছ থেকেও। তবে দেশসেরা এই ওপেনারের চেয়ে মিরাজের ব্যাটিংয়ে মুশফিকের ভূমিকাই বেশি। রীতিমত ‘হাতে-কলমে’ মিরাজকে শেখাচ্ছেন মুশফিক।

মিরাজ বলেন, ‘সেদিন নেটে ব্যাটিং করছিলাম, তখন তামিম ভাই আমাকে ২-১টা পরামর্শ দিচ্ছিলেন। তার আগেও আমি যখন ব্যাটিং করেছিলাম মুশফিক ভাই অনেক পরামর্শ দিয়েছিলেন। উনি যখন প্র্যাকটিসে ব্যাটিংয়ে আসতেন আগে আগে, আমাকেও নিয়ে আসতেন। উনিও ব্যাটিং করতেন, আমাকেও ব্যাটিং করাতেন। গত এক সপ্তাহ আগেও আমি তার সাথে ব্যাটিং নিয়ে অনেক কাজ করেছি।’

‘তামিম ভাই সেদিন আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন জোরে বলগুলো কীভাবে খেলতে হবে, শরীরের দিকে আসা বলগুলো কীভাবে খেলতে হবে। আজকে এটা কাজে লাগিয়েছি। গ্যাব্রিয়েল যখন আমাকে শরীর বরাবল বল করেছে, যতটা সম্ভব সোজা রাখতে পেরেছি এবং ছেড়ে দিয়েছি। এক সপ্তাহ আগে মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে যে ট্রেনিং করেছি, তখন মুশফিক ভাই একটা কথা বলেছেন যে, সোজা খেলতে হবে এবং বাইরের বলে যেন খোঁচা না দেই, এটা যেন ছেড়ে দেই। দুজনের পরামর্শই অনেক কাজে লেগেছে।’– বলেন মিরাজ।

Related Articles

বিশাল সংগ্রহের আভাস দিয়ে দ্বিতীয় দিন পার বাংলাদেশের

‘৫’ বলে ওভার গুনলেন আম্পায়ার

রেকর্ড জুটি গড়ে ফিরলেন শান্ত-মুমিনুল

মুমিনুলের সেঞ্চুরি, শান্তর দেড় শতাধিক রানে হাসছে বাংলাদেশ

এক যুগ পর স্বস্তি ফেরালেন তামিম-শান্ত